কুষ্ঠরোগ নির্মূল, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতার স্বীকৃতি হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মিডিয়া এনগেজমেন্ট অন লেপ্রসি অ্যান্ড জার্নালিস্টস অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে অনুষ্ঠানটি হয় সাতক্ষীরার ত্রিশমাইল এলাকার অগ্রগতি রিসোর্টে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খ্রিষ্টান সার্ভিস সোসাইটির (সিএসএস) পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান পান্থ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের প্রোগ্রাম অর্গানাইজার উজ্জ্বল পাল ও সাতক্ষীরা অগ্রগতি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাস।
এতে প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন খবরের কাগজের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি নাজমুল জাকির। যিনি কুষ্ঠরোগ আক্রান্ত মানুষের জীবন ও সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
প্রিন্টে যৌথ প্রথম এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন কৃষ্ণ ব্যানার্জি। যিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশ ও নাগরিক টিভি থেকে এই সম্মাননা অর্জন করেছেন।
প্রিন্ট মিডিয়ায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন দৈনিক সকাল বেলার সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান মধু ও দৈনিক আইন বার্তার সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আক্তারুল ইসলাম। ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন বাংলা টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি গোপাল কুমার মণ্ডল, ঢাকা জার্নালের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি রাহাত রাজা ও সাতক্ষীরা টিভি লাইভের দীপক চক্রবর্তী। বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন দৈনিক বাংলাদেশের খবরের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আব্দুস সালাম ও স্বদেশ প্রতিদিনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান সোহাগ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খ্রিষ্টান সার্ভিস সোসাইটির (সিএসএস) প্রজেক্ট অফিসার মো. খালেকুজ্জামান, শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএলসিএ ইন্দ্রজিৎ কর্মকার, আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএলসিএ আজহারুল ইসলাম, কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএলসিএ ঝর্ণা সরকার, রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএলসিএ ফাতেমা আক্তার, মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএলসিএ নুরুন নাহার এবং ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএলসিএ আব্দুল আলিম হাওলাদার।
আয়োজকরা জানান, অনুষ্ঠানটি খ্রিষ্টান সার্ভিস সোসাইটির (সিএসএস) ‘অ্যাকটিভেটিং অ্যান্ড এনগেজিং পার্টনারশিপস টু রিডিউস লেপ্রসি ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা দ্য লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল-বাংলাদেশের (টিএলএমআই-বি) সহায়তায় বাস্তবায়িত।
স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে কুষ্ঠরোগমুক্ত করার লক্ষ্যে গণমাধ্যম, স্বাস্থ্যকর্মী এবং সমাজের সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। তথ্যভিত্তিক ও মানবিক সাংবাদিকতা এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর শক্তিশালী হাতিয়ার।
উপস্থিত সাংবাদিকরা কুষ্ঠরোগ আক্রান্ত মানুষের জীবন তুলে ধরে যে অবদান রেখেছেন, তা শুধু পুরস্কারপ্রাপ্ত নয়, বরং সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নজির স্থাপন করেছে। অনুষ্ঠানটি কুষ্ঠরোগ নির্মূলের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে আরও সক্রিয় অংশীদার হিসেবে যুক্ত করার গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।