গত আগস্ট মাসে সারা দেশে সড়ক, রেল ও নৌপথে মোট ৪৯০টি দুর্ঘটনায় ৫৩৪ জন নিহত এবং ৯৮৯ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, সড়ক, রেল ও নৌপথে মোট ৪৯০টি দুর্ঘটনায় ৫৩৪ জন নিহত এবং ৯৮৯ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৯৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২০৬ জন নিহত ও ২০১ জন আহত হয়েছেন। যা মোট দুর্ঘটনার ৪১.৩২ শতাংশ, নিহতের ৪৩.২৭ শতাংশ ও আহতের ২০.৪০ শতাংশ। ওই মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে ঢাকা বিভাগে। ঢাকায় ১১৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১২১ জন নিহত ও ২৬১ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে বরিশাল বিভাগে। ২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত ও ৯৩ জন আহত হয়েছেন।
সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৯০ জন চালক, ৭৫ জন পথচারী, ৩৯ জন পরিবহন শ্রমিক, ৫৪ জন শিক্ষার্থী, ১ জন শিক্ষক, ৬৬ জন নারী, ৪৯ জন শিশু, ৩ জন সাংবাদিক, ১ জন আইনজীবী এবং ১২ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী। এদের মধ্যে নিহত হয়েছেন ১ জন পুলিশ সদস্য, ৭৬ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৭৪ জন পথচারী, ৫৫ জন নারী, ৪৩ জন শিশু, ৩৩ জন শিক্ষার্থী, ১৭ জন পরিবহন শ্রমিক, ১ জন শিক্ষক, ১ জন সাংবাদিক, ১ জন আইনজীবী ও ১১ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী।
আরও জানা গেছে, সড়ক দুর্ঘটনায় ৭৪৫টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। এতে দেখা যায়, ৩১.৬৭ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২১.২০ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১০.৩৩ শতাংশ বাস, ১৪.৩৬ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক, ৮.৪৫ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ৭.৭৮ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, ৬.১৭ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস। সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৪১.৫৪ শতাংশ গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ৩৩.১৯ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২২.০৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ২.৫৬ শতাংশ বিবিধ কারণে, ০.৪২ শতাংশ ট্রেন যানবাহনে সংঘর্ষ এবং চাকায় ওড়না পেচিয়ে ০.২১ শতাংশ।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, মোট দুর্ঘটনার ৩৩.৮৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২০.৭৭ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে ও ৩৯.১৮ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে।