১২৪ হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। আসন্ন হজ মৌসুমে পবিত্র হজ পালনের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো হজযাত্রীর নিবন্ধন করাতে না পারার অভিযোগে এসব হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
যদিও সরকারি ব্যবস্থাপনা ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন হজ এজেন্সির মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৩৩৪ জন প্রাথমিক নিবন্ধন করেছেন। সম্প্রতি ধর্ম মন্ত্রণালয় এই ১২৪ হজ এজেন্সির নামের একটি তালিকা প্রকাশ করে জানিয়েছে, একজন হজযাত্রীও নিবন্ধন করাতে না পারায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়েছে, হজ ২০২৫ সালের জন্য গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হয়েছে। কিন্তু অনুমোদিত তালিকায় প্রকাশিত হজ এজেন্সির মধ্যে ১২৪টি হজ এজেন্সির কোনো প্রাক-নিবন্ধিত/প্রাথমিক নিবন্ধিত হজযাত্রী নেই। এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ অবস্থায় এসব হজ এজেন্সিকে দ্রুত হজযাত্রী প্রাক-নিবন্ধন/প্রাথমিক নিবন্ধন করার জন্য অনুরোধ করা হয় চিঠিতে।
এর আগে হজ এজেন্সিগুলোর কাছে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন হজ মৌসুমে (২০২৫ সাল) হজের জন্য মোট ৮৯১টি হজ এজেন্সিকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে অনুমতি দেওয়া হজ এজেন্সিগুলোর কোনোটি আসন্ন হজ মৌসুমে যৌক্তিক কারণ ছাড়া হজযাত্রী নিবন্ধন না করলে সেই এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ অবস্থায় ১২৪টি হজ এজেন্সিকে দ্রুত হজযাত্রী প্রাক-নিবন্ধন/প্রাথমিক নিবন্ধন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে চিঠিতে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন। আগামী ৩০ অক্টোবর হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করতে পারবেন বলে সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।