চট্টগ্রামের শহিদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উদ্বোধনের পর থেকে ৩০ ঘণ্টায় সিডিএর আয় হয়েছে ছয় লাখ ৫৯ হাজার ৮০০ টাকা। প্রতি ঘণ্টায় চলাচল করা ৩৩৪ যানবাহন থেকে সিডিএর আয় প্রায় ২২ হাজার টাকা।
সিডিএ জানায়, গত শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে টোল আদায় শুরু হয়। শনিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা পর্যন্ত যানবাহন চলাচল করেছে ১০ হাজার ২০টি। সিএনজিচালিত অটোরিকশা, কার, জিপ, মাইক্রোবাস, পিকআপ, মিনিবাস, বাস, ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচলের সুযোগ পাচ্ছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত যানবাহন চলাচল করেছে ৬ হাজার ১৭৬টি। এতে আয় হয় ৪ লাখ ২৬০ টাকা। শুক্রবার রাত ১২টা থেকে গতকাল শনিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত টোল আদায় হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫৪০ টাকা।’
প্রত্যাশার চেয়ে যানবাহন কম চলাচল করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে নগরের পতেঙ্গা প্রান্তে চারটি বুথে টোল আদায় করা হচ্ছে। বাকি র্যাম্পগুলো চালু হলে যানবাহন চলাচল আরও বাড়বে। একই সঙ্গে টোল আদায়ের পরিমাণও বাড়বে।’
চুয়েট ব্যুরো অব রিসার্চ টেস্ট অ্যান্ড কনসালটেশনের এক সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ৮১ হাজার ৪৭১টি যানবাহন চলাচল করবে। এর মধ্যে কার ও তিন চাকার যানবাহন ৩৯ হাজার ৪২৮টি, মাইক্রোবাস, ভ্যান, জিপ ৬ হাজার ৫১৩টি, মিনিবাস ও পিকআপ ৫ হাজার ৩৮টি, বাস ৩ হাজার ৩৮৯টি, ট্রাক ৫ হাজার ৬৬৪টি, লরি ৬৭৭টি, মোটরসাইকেল ৫ হাজার ৮১৪টি, ঠেলাগাড়ি ৫৯০টি এবং রিকশা ১৪ হাজার ৩৫৮টি।
বর্তমানে এক্সপ্রেসওয়েতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ৩০ টাকা, কার ৮০ টাকা, জিপ ও মাইক্রোবাস ১০০ টাকা, পিকআপ ১৫০ টাকা, চার চাকার মিনিবাস ও ট্রাক ২০০ টাকা, বাস ২৮০ টাকা, ৬ চাকার ট্রাক ৩০০ টাকা এবং কাভার্ডভ্যান চলাচলে ৪৫০ টাকা টোল দিতে হচ্ছে।