বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে আনতে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা-ও আইসিভুক্ত দেশগুলোর সহায়তা চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে বড় পরিসরে প্রবাসীদের ভোটে আনতে আপাতত প্রক্সি ভোটের বিকল্প দেখছে না ইসি।
সোমবার (১৭ মার্চ) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ওআইসিভুক্ত দেশের মিশন প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার অবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। বৈঠকে আমন্ত্রিত ১৯ দেশের মিশন প্রধানদের মধ্যে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ১২ দেশের প্রতিনিধি।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভোটে আনার বিষয়ে আমরা তাদের সহযোগিতা চেয়েছি। ভোটের তিন পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। প্রস্তাবিত পোস্টাল ব্যালট, অনলাইন ভোটিং এবং প্রক্সি ভোটিং- এর মধ্যে আাপাতত প্রক্সি ভোটিং ছাড়া বিকল্প আছে বলে মনে হচ্ছে না। কারণ পোস্টাল কার্যকর নয়। দ্বিতীয় হলো অনলাইন ভোটিং। মিশরের অভিজ্ঞতা ভালো নয়। চালু করে বন্ধ করে দিয়েছে। তবে পাকিস্তানের প্রাথমিক অবস্থা ভালো। ভারতের সশস্ত্র বাহিনীও ব্যবহার করে। বলা যায় মন্দের ভালো। কাজেই প্রবাসীদের ভোটের আওতায় আনতে মন্দের ভালো খুঁজে বের করতে হবে।’
প্রবাসীদের ভোটের প্রস্তাবিত তিন পদ্ধতি নিয়ে ইসি কর্মশালা করবে বলেও জানান তিনি।
আলোচনায় নির্বাচনসহ সব ধরনের সংস্কারে মালয়েশিয়া সহযোগিতা করবে বলে জানান ইসি মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘অনেক দেশ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠাতে চেয়েছেন। আমরা স্বাগত জানিয়েছি। নির্বাচন বা রাষ্ট্র সংস্কারেও তারা সমর্থন দিয়েছে।’
এর আগে ১৯ দেশের মিশন প্রধানদের চিঠি দিয়ে ইসির পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। দেশগুলো হলো- আফগানিস্তান, আলজেরিয়া, ব্রুনাই দারুসসালাম, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মরক্কো, ওমান, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।
এলিস/তাওফিক/