ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ঢাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সালাম চীনের পরিবেশবান্ধব গাড়ি রপ্তানি দ্বিগুণ বেড়েছে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে ১৪৯৬ কোটি টাকা জরিমানা: অর্থমন্ত্রী ঝিনাইদহে ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচার মৃত্যু ডাক সেবায় আসছে অটোমেশন পদ্ধতি: ডাক ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী চীনের উসিতে চালু হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সিনেমা হল প্রশিক্ষণ মাঠেই থেমে গেল এসআই জীবন রহমানের জীবনযাত্রা তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর খবরে যা জানা গেল বাড়ি নির্মাণে ঋতুপর্ণাকে অর্থ সহায়তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নীরবতার কণ্ঠস্বর ‘ভাসানে উজান’ মুক্তি পেল বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ট্র্যাক ‘সির সির’ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ২৪ নেতাকর্মীর নামে মামলা, আটক ৩ টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব বর্তমানে বৈধ সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সংসদ সদস্যের পদ ছাড়ছেন কোয়েল বিচার চাইব কার কাছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক আরও ঝলমলে রঙিন হচ্ছে পাহাড়ি শহর ছোংছিংয়ের রাত আয় বাড়ছে কিন্তু বরকত কমছে কেন? নাটোরে স্পিডবোটে মিলল গুলিবিদ্ধ মরদেহ ফ্রিতে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিদেশে শ্রমবাজার হারানোর উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ স্টার্ট-আপ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকবে: অর্থমন্ত্রী নোবিপ্রবির নতুন উপ-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বাজেটে বিড়ির মূল্য ও করহার অপরিবর্তিত থাকবে: অর্থমন্ত্রী ডাকাতির সময় মা-মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ৬ সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর, নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রামিসা ও নূরজাহান হত্যা: আমাদের মূল্যবোধের পচন দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ ভাঙ্গায় কৃষকদল নেতাকে থানার মধ্যে মারধরের অভিযোগ
Nagad desktop

মায়ানমার থেকে দেশে ফিরছেন ২০ বাংলাদেশি

প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:৫৬ পিএম
মায়ানমার থেকে দেশে ফিরছেন ২০ বাংলাদেশি
ছবি: সংগৃহীত

মায়ানমারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হওয়া ২০ বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন। 

রবিবার (১৩ এপ্রিল) মায়ানমারে বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য জানায়।

দূতাবাস জানায়, অসাধু দালালরা ২০ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরকে মায়ানমারের ভেতর দিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারের চেষ্টা করে। এ সময় মায়ানমারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তারা অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক হয়। গত কয়েক মাস ধরে তারা মায়ানমারে আটক ছিল। মায়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এবং বাংলাদেশি নাগরিকত্ব যাচাইয়ের পর, বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করে। 

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজে মায়ানমারের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে উদ্ধার তৎপরতা ও চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করে ৫৫ সদস্যের একটি দল। তারা ১০ দিনব্যাপী কার্যক্রম শেষ করে বাংলাদেশে ফিরছে। মায়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মো. মনোয়ার হোসেন দলটির সব সদস্যকে তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে সে দেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তাদের মাধ্যমেই এসব বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।  

রাষ্ট্রদূত ড. মো. মনোয়ার হোসেন ২০ জন বাংলাদেশি তরুণের হস্তান্তর কার্যক্রম চলাকালে বন্দরে উপস্থিত ছিলেন। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, যারা অবৈধভাবে মায়ানমারে প্রবেশ করেছেন, তাদের যাচাই-বাছাই করে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য দূতাবাস নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি মায়ানমারের স্ক্যাম সেন্টার থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের ফেরত আনার উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বিদেশ গমনেচ্ছু সবাইকে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, সন্দেহজনক বা প্রতারণামূলক চাকরির প্রলোভনে না পড়তে।

গত দুই বছরে বাংলাদেশ দূতাবাস মায়ানমার থেকে ৩৫২ জন বাংলাদেশিকে সফলভাবে দেশে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়। সর্বশেষ প্রত্যাবাসন কার্যক্রমটি অনুষ্ঠিত হয় গত ২৮ সেপ্টেম্বরে। তখন ৮৫ জন বাংলাদেশি দেশে ফেরত আসেন। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা বন্দরে উপস্থিত থেকে মায়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়, নাগরিকত্ব যাচাই এবং প্রত্যাবাসনকারীদের জন্য ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করেন।

শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে ১৪৯৬ কোটি টাকা জরিমানা: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে ১৪৯৬ কোটি টাকা জরিমানা: অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

শেয়ারবাজারে অনিয়ম, কারসাজি ও বিতর্কিত লেনদেনের ঘটনায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট ১ হাজার ৪৯৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 

একই সঙ্গে সাবেক বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ সংশ্লিষ্ট অনেকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্যও তুলে ধরা হয়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। 

তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পুনর্গঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শেয়ারবাজারের ১২টি আলোচিত ঘটনার ওপর অনুসন্ধান ও তদন্ত চালিয়েছে। এসব তদন্তের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

অর্থমন্ত্রী জানান, বেক্সিমকো গ্রিন সুকুক আল ইস্তিসনা বন্ড সংক্রান্ত তদন্তে অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামকে আজীবনের জন্য পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রমে অংশগ্রহণে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই ঘটনায় সাবেক কমিশনার শামসুদ্দিন আহমেদকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। তদন্তে দুর্নীতি ও সম্ভাব্য অর্থপাচারের অভিযোগ পাওয়ায় বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠানো হয়েছে।

আইএফআইসি গ্যারান্টিড শ্রীপুর টাউনশিপ গ্রিন জিরো কুপন বন্ড সংক্রান্ত তদন্তে সালমান এফ রহমানকে আজীবনের জন্য পুঁজিবাজারে নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ১০০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তার ছেলে ও আইএফআইসি ব্যাংকের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমানকে ৫০ কোটি টাকা জরিমানাসহ আজীবন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া আইএফআইসি ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম সরওয়ারকে পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।

সংসদে দেওয়া তথ্যে আরও বলা হয়, কোয়েস্ট বিডিসি লিমিটেড সংক্রান্ত ঘটনায় এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ লিমিটেডের মিউচ্যুয়াল ফান্ড ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বাতিল করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী রিয়াজ ইসলামের বিরুদ্ধে আজীবন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ফরচুন শুজ লিমিটেড সংক্রান্ত ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, ১৩ মে ২০২৬ পর্যন্ত শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি ও বাজার কারসাজি নিয়ে ১১৪টি অনুসন্ধান, ১২টি তদন্ত এবং ৬৪টি পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। একই সময়ে ৬৭৫টি এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে এবং ১৬টি বিষয় তদন্তের জন্য দুদকসহ বিভিন্ন সংস্থায় পাঠানো হয়েছে।

তবে জরিমানার অর্থ কতটুকু আদায় হয়েছে, কতগুলো সিদ্ধান্ত আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে কিংবা দুদকে পাঠানো অভিযোগের ভিত্তিতে কতটি মামলা হয়েছে- সে বিষয়ে সংসদে কোনো তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি। একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ বিনিয়োগকারীরা কোনো প্রতিকার পেয়েছেন কি না, তাও স্পষ্ট করা হয়নি।

এদিকে সরকার দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের প্রধান উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে বন্ডবাজার উন্নয়ন, এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ), সুকুক ও কমোডিটি ডেরিভেটিভ চালুসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত ও ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও জানান অর্থমন্ত্রী।

এলিস/রিফাত/

ডাক সেবায় আসছে অটোমেশন পদ্ধতি: ডাক ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম
ডাক সেবায় আসছে অটোমেশন পদ্ধতি: ডাক ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকায় ২৪ ঘণ্টা ডাকসেবা নিশ্চিত করতে ‘স্মার্ট পোস্ট বক্স’ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে ‘আমার ডাক’ অ্যাপের মাধ্যমে ডাক বিভাগের সব কার্যক্রম ধাপে ধাপে অটোমেশনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। 

মন্ত্রী বলেন, ডাক অধিদপ্তরের জন্য একটি আধুনিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ‘ডাক কমার্স’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে ডাকসেবার প্রতিটি ধাপ সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড করা সম্ভব হবে।

তিনি জানান, ডাক বিভাগের কার্যক্রম আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় করতে বর্তমানে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এগুলো হলো—‘মেইল প্রসেসিং এবং লজিস্টিক সার্ভিস টেকসই ও আধুনিকীকরণ প্রকল্প’ এবং ‘নাগরিক প্রান্তে বিদ্যমান ডাক সেবার সম্প্রসারণ ও সহজলভ্যকরণ প্রকল্প’। এসব প্রকল্পের আওতায় দেশের সব ডাকঘরে ব্যবহৃত ডোমেস্টিক মেইল মনিটরিং সফটওয়্যারের উন্নয়ন করা হবে। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সারাদেশে ডাকপণ্যের ট্রেস অ্যান্ড ট্র্যাকিং সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে। জাতীয় ডিজিটাল ঠিকানা ব্যবস্থার ভিত্তিও গড়ে তোলা হবে।

এদিকে, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবিলায় তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তি দক্ষ করে তুলতে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। সংসদ সদস্য নূরুন্নিসা সিদ্দিকার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) মাধ্যমে এক হাজার আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ও গ্র্যাজুয়েটকে ITEE প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর ফলে বিশ্বের ১৩টি দেশের আইসিটি খাতে বাংলাদেশি তরুণদের চাকরির সুযোগ তৈরি হবে।

এ ছাড়া এআই, সাইবার সিকিউরিটি, ডাটা অ্যানালাইটিক্স ও মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্টসহ বিভিন্ন বিষয়ে ৫ হাজারের বেশি তরুণকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

এলিস/নাঈম

বর্তমানে বৈধ সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
বর্তমানে বৈধ সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
ডাক, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। ছবি : সংগৃহীত

বর্তমানে দেশে কার্যরত চারটি মোবাইল অপারেটরের বৈধ নিবন্ধিত (রেজিস্টার্ড) সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। 

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মহিলা আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে চারটি মোবাইল কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এগুলো হলো টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি এবং বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড। এসব অপারেটরের অধীনে বৈধভাবে নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ।

এদিকে ডাক বিভাগের সেবার মানোন্নয়ন ও সম্প্রসারণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস বা পোস্ট পিকআপ পয়েন্ট স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল)-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, জনসাধারণের সুবিধার্থে ভূমির নথি, পাসপোর্ট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হোম ডেলিভারিসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা ডাক বিভাগের মাধ্যমে প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ই-কমার্স খাতকে সহায়তা দিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৪টি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্র থেকে পণ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রসেসিং, বুকিং, সর্টিং, পরিবহন ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তিনি আরও জানান, ডমেস্টিক মেইল মনিটরিং সিস্টেম (ডিএমএস) সফটওয়্যারের মাধ্যমে রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং সুবিধা সম্প্রসারণ, স্বল্প খরচে পার্সেল ও চিঠি বিতরণ এবং ইএমএস সেবার মাধ্যমে বিদেশে পার্সেল পাঠানোর কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

এলিস/এসএন

ফ্রিতে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
ফ্রিতে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ফুটবল বিশ্বকাপ বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) ফ্রিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

তিনি বলেন, স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফিফার সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় বিটিভি এবার প্রায় বিনা খরচে বিশ্বকাপ সম্প্রচার করতে পারবে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, বিগত সময়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব অর্জনে বিপুল অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের অর্থের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সম্প্রচার স্বত্ব অর্জনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। ফিফা থেকে স্বত্ব কিনে নেওয়া একটি প্রতিষ্ঠান প্রথমদিকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা দাবি করেছিল। তবে সরকার সেই প্রস্তাবে সম্মত না হয়ে সরাসরি ফিফার সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেয়।

তিনি জানান, এ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং এর সভাপতি তাবিথ আউয়ালকে সম্পৃক্ত করা হয়। দীর্ঘ আলোচনা ও দরকষাকষির মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এবং নীতিমালার আলোকে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের চূড়ান্ত চুক্তিমূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রায় ৪৭ কোটি ২৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা। ভ্যাট ও আয়করসহ মোট ব্যয় হবে প্রায় ৬৩ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ১২৫ টাকা।”

তিনি আরও বলেন, সম্প্রচার স্বত্ব বাবদ অর্থের প্রায় পুরোটাই টেলিযোগাযোগ কোম্পানি, স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কাছে বিজ্ঞাপন ও সম্প্রচার অধিকার বিক্রির মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব হয়েছে। ফলে বিটিভির নিজস্ব আর্থিক দায় থাকবে না।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনকল্যাণমুখী সেবায় নিয়োজিত রাখা। এ উদ্যোগ তারই একটি উদাহরণ।

তিনি দেশের ফুটবলপ্রেমীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সকল জটিলতা কাটিয়ে দেশের কোটি কোটি দর্শক এবার বিটিভির মাধ্যমে বিশ্বকাপ ফুটবলের খেলা উপভোগ করতে পারবেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, প্রধান মন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকসহ তথ্য  ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

তপন/নাঈম

বিদেশে শ্রমবাজার হারানোর উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম
বিদেশে শ্রমবাজার হারানোর উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি। ছবি: সংগৃহীত

বিদেশে শ্রমবাজার হারানোর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ বলে মন্তব্য করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী শ্রমবাজারের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে না পারলে দেশের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (বাজেট) তৃতীয় দিনে ৭১ বিধিতে জরুরি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশ উত্থাপন করেন তিনি। যদিও স্পিকার নোটিশটি গ্রহণ করেননি, তবে বিষয়টি নিয়ে দুই মিনিট বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন।

বক্তব্যে নিলুফার চৌধুরী মনি বলেন, “কথায় আছে, গতিতে জীবন আর স্থিতিতে মরণ। দক্ষ জনশক্তির গতি একটি দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়।” তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় প্রবাসী আয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ২০২৫ সালে দেশের জিডিপির প্রায় ৭ শতাংশ এসেছে প্রবাসী কর্মীদের অবদানের মাধ্যমে।

তিনি জানান, প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিক বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যান। তবে তাদের অধিকাংশই অদক্ষ ও স্বল্পশিক্ষিত। এদিকে বিশ্বজুড়ে শ্রমিকের চাহিদা কমছে এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রভাবে উন্নত প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ছে। ফলে দক্ষ জনশক্তি তৈরি না করতে পারলে বাংলাদেশের বিদ্যমান শ্রমবাজার সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিলুফার চৌধুরী মনি বলেন, ১৯৮০-এর দশকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমশক্তি রপ্তানির যাত্রা শুরু হয়। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।

তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে, যাতে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়।

এলিস/এসএন