ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শাকিরার সুরের মূর্ছনায় বিশ্বকাপের বর্ণিল উদ্বোধন দর্শকের ভালোবাসাই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি: সূচরিতা বিইউপি মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ক্লাবের আয়োজনে আনস্ক্রিপ্টেড ১.০ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট দলে তাওহিদ-রবিউল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস পরাশক্তিরা যেদিন মাঠ ছেড়েছিল কান্নাভেজা চোখে দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬ সরকারের এই বাজেট ঐতিহাসিক প্রস্তাবিত বাজেট রাজনৈতিক চমকবাজি ছাড়া আর কিছু নয়: জাসদ ক্রিকেটার নাসির-তামিমাকে খালাস দেওয়ার পেছনে বিচারকের পর্যবেক্ষণ জাতীয় সংসদের জন্য বরাদ্দ ২৯১ কোটি টাকা বাজেট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ: ইসি পাবে ৪ হাজার ৪০১ কোটি টাকা বড় বাজেটের বোঝা কী জনগণের ঘাড়েই, প্রশ্ন বাসদের আবাসন বৃত্তির অর্থ পাচ্ছে জবি শিক্ষার্থীরা ‘ফাঁপা’ বাজেটে বৈষম্য বাড়বে: সিপিবি জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: ডেপুটি স্পিকার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টাইগারদের ওয়ানডে সিরিজ জয় যশোরে স্ত্রীকে বেঁধে রেখে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা ও নদী রক্ষায় ১০ হাজার কোটির বেশি টাকার মহাপরিকল্পনা আইসিটিতে লক্ষ্য জিডিপির ১০ শতাংশ, স্টার্টআপে বিশেষ গুরুত্ব ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থক বিশ্বকাপ উন্মাদনা যেন দুর্ঘটনার কারণ না হয় মূল্যস্ফীতি ও সাধারণ মানুষের বাস্তবতা প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুইদিন ব্যাপী ফল উৎসব দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ৯টা পর্যন্ত যাদের পাশে বসলে দুঃখ কমে, শান্তি বাড়ে বাজেটের প্রস্তাবিত অর্থবিলে স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি খরচ বাড়লে বিপাকে পড়বে সাধারণ জনগণ
Nagad desktop

লালমনিরহাটে বিমানবন্দর চালু করলে ‘পাল্টা পদক্ষেপ’ নেবে ভারত

প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৫, ০৯:০৪ পিএম
আপডেট: ২৭ মে ২০২৫, ০৯:০৫ পিএম
লালমনিরহাটে বিমানবন্দর চালু করলে ‘পাল্টা পদক্ষেপ’ নেবে ভারত
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ইয়াক-১৩০ প্রশিক্ষণ বিমান। ছবি: সংগৃহীত

চীনের সহযোগিতায় লালমনিরহাটে বিমানবন্দর চালু করলে ‘পাল্টা ব্যবস্থা’ হিসেবে ভারত তাদের ত্রিপুরা রাজ্যের কৈলাশহরের তিন দশকের পুরোনো বিমানঘাঁটি চালু করার পদক্ষেপ নিবে ভারত। মঙ্গলবার (২৭ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

গণমাধ্যমটির বিশেষ প্রতিনিধি রত্নদ্বীপ চৌধুরীর করা এই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চীনের সহযোগিতায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার লালমনিরহাট বিমানবন্দর পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ।

আর চীনের এই সম্ভাব্য উপস্থিতির কারণে ভারত ত্রিপুরার তিন দশক পুরোনো ওই ঘাঁটি পুনরায় চালু করবে। যদিও এটি বেসামরিক কাজের জন্য চালু করা হবে। তবে এটিতে থাকা অবকাঠামো উন্নত করা হবে যেন যুদ্ধবিমান ও সাধারণ বিমান ওঠানামা করতে পারে এবং যুদ্ধ বাঁধলে এটির মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ করা যায়।

এনডিটিভির এ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন ভারতের একজন ‘মূল্যবান মিত্র’। যিনি ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলে চীনের ঘেঁষার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে ছিলেন। কিন্তু ছাত্র আন্দোলনে তার পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়, যেটি ভারতের প্রতি ‘কম বন্ধুত্বপূর্ণ’। এছাড়া ড. ইউনূস চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের পক্ষে, সেটিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্বে বাংলাদেশের বিমানবন্দর পুনরায় চালুর বিষয়টি ভারতের জন্য বেশ উদ্বেগের।

লালমনিরহাটে বিমানবন্দর পুনরায় চালু হওয়ার আলোচনা চলার মধ্যেই গতকাল ২৬ মে কৈলাশহর বিমানঘাঁটিতে একটি ভারতীয় প্রতিনিধি দল গিয়েছিল বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। সেখানে তারা বিমানবন্দরটির বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন। পরবর্তীতে ওই দলটি সাংবাদিকদের জানান, বিমানবন্দর নিয়ে ‘রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পরিকল্পনা ঠিক করা হবে।’

এদিকে সোমবার (২৬ মে) সেনাসদরে এক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মিলিটারি অপারেশন্স অধিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা জানান, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকা লালমনিরহাট বিমানবন্দরটি প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে সচল করা হচ্ছে। চীনা কোনো সংস্থা বিমানবন্দরটি ব্যবহার করবে কি না এ ব্যাপারে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে ভারতীয় মিডিয়ায় বলা হচ্ছে, চীনের সহযোগিতায় এটি সচলের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। 

তিনি আরও জানান, বিমানবন্দরটির পরিধি ও কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে এবং সেখানে নতুন অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন, আপনারাই জানেন, ওই এলাকায় একটি অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হচ্ছে। এভিয়েশন খাতের সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এ বিমানবন্দরকে কাজে লাগানো হবে। এটি একটি জাতীয় সম্পদ এবং দেশের প্রয়োজনে এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। সূত্র: এনডিটিভি

 

 

দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৩৭ পিএম
দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত
ছবি: সংগৃহীত

দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত ৯টা ৪০ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

ইউরোপীয় মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল সিলেটের করিমগঞ্জ সীমান্তবর্তী ভারতের শিলচরে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।

সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকার কিছু কিছু জায়গা থেকে ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এর আগে রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৩৭ মিনিটের দিকে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার ভূকম্পনে কাঁপে সারা দেশ। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র স্থল ছিল ভুটানে।

এসএন/

চট্টগ্রাম চেম্বারের প্রতিক্রিয়া সরকারের এই বাজেট ঐতিহাসিক

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:১৮ পিএম
সরকারের এই বাজেট ঐতিহাসিক
ছবি: সংগৃহীত

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের মূল্যস্ফীতি কমানো, খাদ্য নিরাপত্তা ও সাপ্লইচেইন ইকোসিস্টেম বজায় রেখে ব্যবসাবান্ধব এবং জনতুষ্টিমূলক বাজেট প্রদান করায় চেম্বারের নেতৃবৃন্দ ধন্যবাদ জানান। জনগণের উপর ভ্যাট ও করের চাপ কমিয়ে করজাল বাড়ানো এবং দেশি-বিদেশী উৎস থেকে অর্থ সংস্থানকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের এই বাজেটকে ঐতিহাসিক বলে মন্তব্য করেন চেম্বার নেতারা।  

বাজেটে চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়ন ও দেশি-বিদেশী বিনিয়োগের জন্য নতুন নীতিমালা নিঃসন্দেহে চট্টগ্রামে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বাস্তবায়ন এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দুরত্ব ৮০ কি.মি. কমানোর সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম অঞ্চলের শিল্প কারখানায় নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ এবং মিরসরাই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে আবাসনসহ সকল ধরণের ইউটিলিটি সেবা বাড়ানোর মাধ্যমে বিনিয়োগ উপযোগী করার আহবান জানান নেতারা। 

বাজেট ঘাটতি মোকাবেলায় বৈদেশিক ঋণের চেয়ে অভ্যন্তরীণ উৎস গুরুত্ব দেয়াকে দেশীয় সক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। বাজেটে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে মানবসম্পদ উন্নয়ন তথা শিক্ষা খাতকে।  

ব্যক্তি করদাতাদের টার্নওভার করের আওতামুক্ত সীমা ৩ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৪ কোটি এবং ব্যাংক স্থিতির ক্ষেত্রে আবগারি শুল্ক অব্যাহতির সীমা ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করা হয়েছে, এতে সাধারণ মানুষ ব্যাংকে টাকা রাখতে উৎসাহী হবে। এছাড়া বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনির উপকারভোগীদের ভাতার হার বৃদ্ধির পাশাপাশি নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য ফ্যামিলি কার্ড জনপ্রতি ২৫০০ টাকা, প্রতিবন্ধী ভাতা, পর্যায়ক্রমে সকল কৃষককে কার্ড প্রদান এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ, তরুণ উদ্যোক্তাদের জামানত ছাড়া ১০ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা, বিদেশে উচ্চ শিক্ষায় গমনেচ্ছুদের জন্য ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা প্রদান যুগান্তকারী পদক্ষেপ। 

বাজেটে কর্পোরেট কর ব্যবস্থা সহজ ও ব্যবসাবান্ধব করায় অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল ও ব্যবসার অনুমোদনযোগ্য খরচ বাড়ানো এবং কর্পোরেট করহার অপরিবর্তিত রাখা ইতিবাচক। পাবলিক ট্রেডেড কোম্পানীর করহার শর্তসাপেক্ষে ২২.৫%, পাবলিকলি ট্রেডেড ব্যাংক, বীমা ও  ফাইন্যান্স কোম্পানীর ক্ষেত্রে ৩৭.৫%, পাবলিকলি ট্রেডেড নয় কোম্পানীর ক্ষেত্রে ৪০%, মোবাইল অপারেটর কোম্পানীর জন্য ৪৫%, বাংলাদেশী অনিবাসী করদাতাদর জন্য ৩০%, ট্রাস্ট ফার্ম ও ব্যক্তিসংগ প্রতিষ্ঠানের জন্য ২৭.৫%, সমবায় সমিতি ২০%, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১০% করহার নির্ধারণ করা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের করহার ১০% করায় উদ্যোক্তারা শিক্ষা খাতে আগ্রহী হবে। 

এছাড়া আমদানিকৃত ১১৩টি পণ্যের রেগুলার ডিউটি প্রত্যাহার, ৯টি পণ্যের সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার এবং ৬৯টি পণ্যের কাস্টমস ডিউটি ২৫% থেকে ১৫% নির্ধারণ, শিশু খাদ্য প্রস্তুতের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কহ্রাস, সকল মসলা আমদানিতে রেগুলেটরী শুল্ক ও খেজুর আমদানিতে রেগুলেটরী শুল্ক ৫% প্রত্যাহার, পোল্ট্রি, ডেইরী ও মৎস্য খাদ্য উৎপাদনকারী শিল্পের কাঁচামালে রেয়াতি সুবিধা প্রদান করায় মূল্যস্ফীতির চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বাড়বে বলে মনে করেন নেতারা। 

বাজেটে জ্বালানী সক্ষমতা বাড়াতে এবং সৌর বিদ্যুৎকে উৎসাহিত করতে সোলার প্যানেল, লিথিয়াম ব্যাটারীসহ আমদানিকৃত সোলার যন্ত্রপাতিতে রেয়াতি সুবিধা দেয়ায় জ্বালানী সক্ষমতা বাড়বে এবং সেমি কন্ডাক্টর শিল্পে রেয়াতি সুবিধা প্রদান এবং ইলেক্ট্রিক ভেহিকেল (ইভি) আমদানিতে অগ্রিম আয়করের পরিমাণ কমানোর ফলে একদিকে যেমন জ্বালানীর উপর চাপ কমবে, তেমনি সৌর বিদ্যুৎ শিল্প এবং সেমি কন্ডাক্টর শিল্পে দেশি-বিদেশী বিনিয়োগ বাড়বে। ক্যান্সার ঔষধ উৎপাদনে কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা প্রদানে ক্যান্সার প্রতিরোধক ঔষধ উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে ৫% অগ্রিম কর মওকুফ করায় সাধারণ রোগীরা স্বস্তি পাবেন। 

সরকার আইটি সেক্টরকে উৎসাহিত করতে এবং ফ্রিল্যান্সাররা তাদের আয় বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে আনার জন্য কর অব্যাহতি সুবিধা, কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে আয়কে করমুক্ত করা, স্টার্টআপ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য করা, এসএমই উদ্যোক্তাদের টার্নওভার ৫০ লাখ টাকা, নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত সীমা এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরে যেকোন উৎপাদানমুখী শিল্প পর্যটন বা ক্রীড়া ক্ষেত্রে স্থাপনা ও যন্ত্রপাতি বিনিয়োগের উপর ১ম বর্ষে ৬০%, ২য় বর্ষে ৪০% হারে ত্বরান্বিত অবচয় সুবিধা প্রদান করায় দেশে তরুণ প্রজন্ম, নারী এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন স্থানে শিল্প কারখানা বিনিয়োগে উৎসাহিত হবে। 

দেশের প্রধান চট্টগ্রাম বন্দরকে গতিশীল করতে এবং পণ্যজট শূন্য করতে অফডক ও আইসিডি খাত, লজিস্টিক্স, বেসরকারি বন্দর ও টার্মিনাল অপারেটর বিষয়ক বিধিমালা ও সংশ্লিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন ও সংশোধন করার মাধ্যমে চট্টগ্রামে বন্দরকেন্দ্রিক দেশি-বিদেশী বিনিয়োগ বাড়বে।  

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এণ্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, আমাদের সাধ আছে, সাধ্য কম। তারমধ্যেও যে বাজেট হয়েছে সেটা সন্তোষজনক। বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশাল প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। আমার মনে হয়, স্বাধীনতার পর থেকে এমন সিদ্ধান্ত অন্য কেউ নিয়েছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি, এই বাজেট সকলের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে।

বাজেটের চাপ সাধারণ মানুষের উপর পড়বে: শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিক্রিয়া 

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, বাজেট বেশি বড় হয়নি। বর্তমান সরকার একটি সময় উপযোগী বাজেট দিয়েছে। কিন্তু বাজেটে যাই হোক না কেন বাজেটের চাপ সাধারণ মানুষের উপর পড়বে। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেছে। এটি দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ বাজেট, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক সুরক্ষা জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে। বাজেটে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে তা হল- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, দেশিয় ঋণ ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন প্রকল্পের সুশাসন নিশ্চিত করা, বাজেট ঘাটতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা। 

তিনি বলেন, সরকারের উচিত ব্যাংকের সমস্যা সমাধান করা। এলসি তরান্বিত করা। বন্দরের ট্যারিফ অনেক বেশি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেটি কস্টবেইজ করা উচিত ছিল। কিন্তু বন্দরের চেয়ারম্যান আমাদের বলেছেন, বিশ্বের অন্যান্য বন্দরের সাথে তুলনা করে করা হয়েছে। বুঝতে হবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের অর্থনীতি আর আমাদের অর্থনীতির বৃহৎ তফাৎ রয়েছে। আমাদের দেশে যেদিকেই মূল্য বৃদ্ধি করা হোক সেটি অবশ্যই গিয়ে পড়ে ভোক্তাদের উপর। কারণ ব্যবসায়ীরা কেউ লোকসান দিয়ে ব্যবসা করবে না। আসল কথা হলো ব্যবসা করার সুযোগ তৈরি করে দিন। 

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক ও ফারুক ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের কর্ণধার ফারুক আহমেদ বলেন, এবারের বাজেট দেখে মনে হচ্ছে দৈনন্দিন জিনিসপত্রের দাম কিছুটা কমতে পারে। বিশেষ করে মসলা, খেজুর এবং কিছু ফলের দাম কমবে। সবমিলিয়ে মনে হচ্ছে এটা একটা জনবান্ধব বাজেট হতে পারে। এই বাজেটটা নিয়ে আমরা অনেক আশাবাদী। দেখা যাক, সামনে কী হয়। 

চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ বলেন, বাজেটে সামগ্রিকভাবে সকল খাতই আলোচনায় এসেছে। তবে মূল প্রশ্ন হলো—এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে কীভাবে? বর্তমান এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) কি আরও বেশি রাজস্ব সংগ্রহে সক্ষম? এ বিষয়েও গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে।  শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের ওপর আরও বেশি গুরুত্বারোপ করা প্রয়োজন। বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে কারিগরি ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে তরুণরা কর্মসংস্থানের জন্য আরও প্রস্তুত হতে পারে। পর্যটন খাতের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষিত তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমাদের বর্তমান ব্যবস্থা এখনো পর্যটনবান্ধব নয়। 

প্রস্তাবিত বাজেট রাজনৈতিক চমকবাজি ছাড়া আর কিছু নয়: জাসদ

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম
প্রস্তাবিত বাজেট রাজনৈতিক চমকবাজি ছাড়া আর কিছু নয়: জাসদ
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘কথার ফুলঝুরি ও রাজনৈতিক চমকবাজি’ বলে আখ্যায়িত করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাজেট ঘোষণার পর দলটির কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।

বিবৃতিতে জাসদ দাবি করে, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট এবং ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় অর্জনযোগ্য নয়। দলের মতে, অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও রাজস্ব প্রশাসনের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ বাস্তবসম্মত নয়।

জাসদ আরও বলে, বাজেটে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি ধরা হলেও তা পূরণে বৈদেশিক ঋণ ও ব্যাংক ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা অর্থনীতিকে আরও ঋণনির্ভর করে তুলতে পারে। এতে ব্যাংকিং খাতের ওপর চাপ বাড়বে এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

দলটি মনে করে, ৬০টি নিত্যপণ্যের উৎসে কর ০.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব ইতিবাচক হলেও বাজারে সিন্ডিকেট ও সুশাসনের অভাব থাকলে এর সুফল ভোক্তারা নাও পেতে পারেন। একইভাবে মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ থেকে ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং ৬.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যকেও অবাস্তব বলে মন্তব্য করেছে তারা।

বিবৃতিতে জাসদ সরকারের প্রতি বাস্তবমুখী অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ, আইনের শাসন ও সুশাসন নিশ্চিত করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানায়। দলটির মতে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছাড়া অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে।

 রাজু/এসএন

জাতীয় সংসদের জন্য বরাদ্দ ২৯১ কোটি টাকা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম
জাতীয় সংসদের জন্য বরাদ্দ ২৯১ কোটি টাকা
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের জন্য ২৯১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আগে সংসদ সচিবালয় কমিশনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে সংসদের পরিচালন ও উন্নয়ন খাতে ২৯০ কোটি ৬০ লাখ টাকা (প্রায় ২৯১ কোটি টাকা) বরাদ্দের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে পরিচালন (রাজস্ব) খাতে ২৮৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৭০ লাখ টাকা রাখা হয়েছে।

গত ২৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ সচিবালয় কমিশনের ৩৭তম বৈঠকে এ বাজেট প্রাক্কলন অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সংসদ নেতা তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এবং চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি উপস্থিত ছিলেন।

বাজেট বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত এই বরাদ্দ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেও এটি সংস্থাটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ নয়। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জাতীয় সংসদের পরিচালন ও উন্নয়ন খাতে সর্বোচ্চ ৩৪৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছিল। এছাড়া ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ছিল ৩২৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাতীয় সংসদের জন্য বরাদ্দ কমে ২৩২ কোটি টাকায় নেমে আসে। সেই হিসাবে আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ২৯০ কোটি ৬০ লাখ টাকার বাজেট বিদায়ী অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৫৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা বেশি। সংসদ সচিবালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম, সংসদীয় কমিটির কার্যক্রম পরিচালনা, আইন প্রণয়ন-সংক্রান্ত সহায়তা এবং অবকাঠামোগত রক্ষণাবেক্ষণে এ বরাদ্দ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যদিও নতুন অর্থবছরের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে, তবুও এটি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সর্বোচ্চ ৩৪৭ কোটি ১৩ লাখ টাকার রেকর্ড অতিক্রম করতে পারেনি। ফলে প্রস্তাবিত বাজেটটি সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এলিস/এসএন

বাজেট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ: ইসি পাবে ৪ হাজার ৪০১ কোটি টাকা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৯:৩৮ পিএম
বাজেট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ: ইসি পাবে ৪ হাজার ৪০১ কোটি টাকা
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জন্য ৪ হাজার ৪০০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা সংস্থাটির ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ। ভোটার তালিকা হালনাগাদ, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর নির্বাচনি ব্যবস্থাপনা এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনকে সামনে রেখে ইসিকে এ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। মোট বরাদ্দের মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা খাতে ৩ হাজার ৬৪৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৭৫৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা রাখা হয়েছে। ইসির বাজেট নথি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয় নির্বাহে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইসির সংশোধিত বরাদ্দ ছিলো ৪ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা; যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ। 

ইসি সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশন সরকারের কাছে প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে। মধ্যমেয়াদি বাজেট প্রাক্কলনে এ খাতে ২ হাজার ৮২৯ কোটি ৪৫ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে। এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও অন্যান্য নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইসি প্রায় ৫ হাজার ৯২২ কোটি টাকা চেয়েছিল।

বাজেট নথি অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের প্রধান দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও সংরক্ষণ, নির্বাচনি সীমানা নির্ধারণ, সব ধরনের নির্বাচন ও উপনির্বাচন পরিচালনা, জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুত ও বিতরণ, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন, নির্বাচনি বিরোধ নিষ্পত্তি এবং নির্বাচনসংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন।

এবারের বাজেটে কমিশনের চারটি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো— সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন, ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ, নির্বাচনি ব্যবস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তৃত ব্যবহার এবং প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি।

বাজেট প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের সার্ভার, ডাটা সেন্টার ও নিজস্ব ভিপিএন নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে ভোটার তথ্যভান্ডার হালনাগাদ, এনআইডি সেবা উন্নয়ন এবং নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক করতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

এলিস/এসএন