ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা অধ্যায়ের থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর , ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান বার্ষিক পরীক্ষার পরপরই নতুন বই পাবে ৪ কোটি শিক্ষার্থী : এনসিটিবি চেয়ারম্যান সংকট নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নিন কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আবেল্যার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা রোগী সেজে ইয়াবা পাচার, স্বামী-স্ত্রী আটক ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৩, আহত ৫ দুই দফা কমে ৪৪৩২ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন আনোয়ার ইব্রাহিম আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজধানীতে থাকবে ১৮০০০ পুলিশ মাদরাসা ছাত্রকে অমানুষিক নির্যাতন সাবেক এমপি সেলিমা আহমাদ মেরী মারা গেছেন টিভিতে আজকের খেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশের চালান জব্দ, আটক ১ জুন মাসে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫৩৭ লেবাননে যেকোনো হুমকি নির্মূলে স্বাধীন ইসরায়েলি সৈন্যরা: কাটজ পদত্যাগের মুখে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপিপুত্র সজীবকে যুবদল থেকে বহিষ্কার ভাঙ্গুড়ায় বিএনপি নেতার মারধর, ৪ ঘণ্টা পর কৃষকের মৃত্যু সেনেগালের কঠিন পরীক্ষা, নরওয়ের চোখ নক আউটে যমুনা ফিউচার পার্কে ২ দিনের ‘কে-গুডস ফেস্টা’ মালয়েশিয়ায় ‘হালাল’ পণ্য রপ্তানির অপার সম্ভাবনা কাতারের ভয়াবহ বিস্ফোরণ: আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮ হাজারীবাগ থেকে হেমায়েতপুর পূর্ণতা পায়নি চামড়া শিল্পনগরী শরীফাতুন্নিছা মহিলা মাদরাসার অভিভাবক সম্মেলন ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান কমিউনিটি ব্যাংকের ৭ম বার্ষিক সাধারণ সভা, নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারাল মিশর বর্ষা এলেই জলজট স্মার্টফোনের নতুন সেনসেশন ‘হেলিও ৪৬’ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে: জেডি ভ্যান্স

বছরে ১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি প্রতিরোধে জলবায়ু অর্থায়নে সরকারের নতুন কৌশল

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৫৬ পিএম
আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:০২ পিএম
বছরে ১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি প্রতিরোধে জলবায়ু অর্থায়নে সরকারের নতুন কৌশল
ছবি: খবরের কাগজ

জলবায়ু পরিবর্তনের ধ্বংসাত্মক প্রভাবের কারণে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি মোকাবিলায় সরকার ইনক্লুসিভ বাজেটিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিং ফর ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স (আইবিএফসিআর) ফেজ-টু  কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। 

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ২০২৪ সালে শিল্প বিপ্লব-পূর্ব সময়ের তুলনায় রেকর্ড ১ দশমিক ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়, যার সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশে। অথচ বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে বাংলাদেশের অবদান মাত্র ০ দশমিক ৫৬ শতাংশ। প্রতিবছর ঘূর্ণিঝড়ে দেশের জিডিপির ০ দশমিক ৭ শতাংশ ক্ষতি হচ্ছে। আবার ২০৪০ সালের মধ্যে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে কৃষি উৎপাদন ১৮ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসনের কারণে ১ কোটি ৩৩ লাখ বাংলাদেশি বাস্তুচ্যুত হতে পারে।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, প্রতিবছর জিডিপির প্রায় ৩ শতাংশ সমপরিমাণ অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ঘাটতি পূরণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফাইন্যান্স ডিভিশন, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ও ফরাসি উন্নয়ন সংস্থা এএফডির সহায়তায় কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপের উদ্বোধন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- অর্থ বিভাগ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বিলকিস জাহান রিমি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপির রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ স্টেফান লিলার এবং এএফডির ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর সিসিলিয়া কর্তেসে।

স্বাগত বক্তব্য দেন অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. নাজরুল ইসলাম এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন যুগ্ম সচিব মুহাম্মদ আবুল কাসেম।

ড. খায়রুজ্জামান মজুমদার বলেন, 'বাংলাদেশ বৈশ্বিক উষ্ণায়নে অতি সামান্য অবদান রাখলেও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি আমাদেরই ভোগ করতে হচ্ছে। আমরা অভিযোজনমূলক কর্মসূচি ও প্রতিকারমূলক পদক্ষেপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি বিশ্বাস করি, আইবিএফসিআর-এর দ্বিতীয় ধাপ আমাদের জনগণ ও অর্থনীতির জন্য আরও শক্তিশালী স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।'

তিনি আরও বলেন, 'গত বছর প্রণীত ও সংশোধিত জলবায়ু পরিবর্তন কর্মপরিকল্পনা আমাদের কার্যক্রম পরিচালনায় রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করছে এবং কার্যকর সম্পদ আহরণে সহায়তা দিচ্ছে।'

সভাপতির বক্তব্যে বিলকিস জাহান রিমি বলেন, 'কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রণালয় ও অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয়ের শক্তিশালী কাঠামো প্রয়োজন। সহযোগিতা বাড়ানো ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার করা গেলে জলবায়ু অগ্রাধিকারগুলো সরকারি আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে পূর্ণাঙ্গভাবে যুক্ত করা সম্ভব হবে।'

স্টেফান লিলার বলেন, 'আইবিএফসিআর-২ মূলত জলবায়ু অগ্রাধিকারকে সরকারি অর্থ ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসছে। যাতে ব্যয়িত প্রতিটি টাকা মানুষের জীবনে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে পারে। ইতোমধ্যেই জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে প্রভাবিত করছে।'

সিসিলিয়া কর্টেসে বলেন, 'আইবিএফসিআর-২ একটি কারিগরি সহায়তা কর্মসূচি, যা ৩০০ মিলিয়ন ইউরোর নীতিনির্ভর ঋণ কর্মসূচির সম্পূর্ণ পরিপূরক। এই ঋণ বাংলাদেশ সরকারের জলবায়ু কৌশল ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।'

টেকনিক্যাল অধিবেশনে ইউএনডিপির প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট ড. মালিহা মুজাম্মিল আইবিএফসিআর ফেজ-টু'র রোডম্যাপ উপস্থাপন করেন। আলোচক হিসেবে ছিলেন- পিকেএসএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. ফজলে রাব্বি সাদেক আহমেদ এবং সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। 

'বাংলাদেশে জলবায়ু-সচেতন সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা' শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউল আবেদীন। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম সোহেল, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, ইউএনডিপি’র কান্ট্রি ইকোনমিক অ্যাডভাইজার ওওয়াইস পাররাই, অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হাসানুল মাতিন এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুসরাত মেহ্ জাবীন।

আইবিএফসিআর ফেজ-টু প্রথম ধাপের অভিজ্ঞতার আলোকে জলবায়ু অর্থায়নের কাঠামো হালনাগাদ, অর্থায়ন পর্যবেক্ষণ জোরদার এবং জাতীয় জলবায়ু অর্থায়ন কৌশল প্রণয়ন করবে। পাশাপাশি স্থানীয় অভিযোজন কর্মপরিকল্পনা (লাপা) ও জলবায়ু ঝুঁকি সূচক (সিভিআই) ব্যবহারকে উৎসাহিত করবে যাতে অর্থ সহায়তা সরাসরি ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছায়।

কর্মকর্তারা জানান, এ উদ্যোগের মাধ্যমে বাজেট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সমন্বয় বাড়বে। পাশাপাশি বাংলাদেশের বাজেট ব্যবস্থাকে প্যারিস চুক্তি, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি), জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ) এবং জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে। সরকারি অর্থ ব্যবস্থার মূল কাঠামোয় জলবায়ু সহনশীলতা অন্তর্ভুক্ত করে দেশটি উন্নয়ন অর্জন সুরক্ষিত করবে এবং জনগণকে বাড়তি জলবায়ু ঝুঁকি থেকে রক্ষা করবে।

সুমন/

বার্ষিক পরীক্ষার পরপরই নতুন বই পাবে ৪ কোটি শিক্ষার্থী : এনসিটিবি চেয়ারম্যান

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১১:৪১ এএম
বার্ষিক পরীক্ষার পরপরই নতুন বই পাবে ৪ কোটি শিক্ষার্থী : এনসিটিবি চেয়ারম্যান
এনসিটিবির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা

আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আংশিক বই দিয়ে ‘বই উৎসব’ করার চেনা সংস্কৃতি থেকে সম্পূর্ণ বেরিয়ে আসছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় সব শ্রেণির শতভাগ পরিমার্জিত বই পৌঁছে দেওয়ার রোডম্যাপ নিয়ে কাজ করছে সংস্থাটি। যাতে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই চার কোটি শিক্ষার্থী নতুন বই হাতে নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারে।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এনসিটিবির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা এসব তথ্য জানান।

বছরের শুরুতে আংশিক বই বিতরণের প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে আসা প্রসঙ্গে এনসিটিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগে মোট বইয়ের ৫০ বা ৬০ শতাংশ সরবরাহের একটি প্রথা ছিল। ফলে বড় বড় মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলো ঢাকা বা বড় শহরগুলোতে বই সরবরাহ করে মোটের ওপর ৫০ শতাংশের কোটা পূরণ করত।

কিন্তু প্রান্তিক পর্যায়ের অনেক উপজেলা সময়মতো পাঠ্যবই পেত না। এবার আমরা প্রেস মালিকদের স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছি সব শ্রেণির ৫০ শতাংশ বই প্রত্যেক উপজেলায় আগে পৌঁছাতে হবে। এরপর বাকি ৫০ শতাংশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সরবরাহ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শতভাগ বই উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছানোর জন্য মুদ্রণকারীদের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রথম টার্গেট হল যেহেতু ডিসেম্বরের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হয়ে যায়, তাই ১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের ছুটিকালীন সময়েই যেন তারা হাতে নতুন বই নিয়ে যেতে পারে। এটি সফল না হলে দ্বিতীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী আগমী বছর ১ জানুয়ারির মধ্যে সব বই বিতরণ সম্পন্ন করা হবে। নতুন ক্লাসে ওঠা এবং নতুন বই পাওয়াটাই শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে বড় উৎসব বলে আমরা মনে করি।’

প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানান, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ইবতেদায়ী, মাধ্যমিক, দাখিল, ভোকেশনাল ও কারিগরি স্তরের জন্য মোট ৩০ কোটি ৭১ লাখ ৯৮ হাজার ১০১ কপি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ করা হবে। দরপত্র প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। 

মুদ্রণকারীদের গাফিলতি ও কাগজের কৃত্রিম সংকট মোকাবিলা প্রসঙ্গে এনসিটিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘বই ছাপার কাজ শুরু হলে বাজারে হঠাৎ কাগজের দাম বাড়িয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরির একটা অপচেষ্টা অতীতে দেখা গেছে। এবার আমরা আগে থেকেই পর্যাপ্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি।

শিক্ষাকে আনন্দময় করতে নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে কিছু বৈচিত্র্যময় বই যুক্ত হচ্ছে জানিয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যেন তাত্ত্বিক পড়াশোনার বাইরে গিয়ে আনন্দ পায় এবং মোবাইল বা ফেসবুক আসক্তি থেকে দূরে থাকে, সেই লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে তিনটি নতুন বই যুক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সাতটি খেলা (ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার, অ্যাথলেটিক্স ও কারাতে) অন্তর্ভুক্ত করে নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি আরও জানান, এছাড়া ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিখন ও সংস্কৃতির বই এবং টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষা (টিভিইটি) বিষয়ক উদ্দীপনামূলক ১টি পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজ চলছে। এগুলো যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়, সেজন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)সহ শিক্ষা প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমরা আলোচনা করছি, যাতে শিক্ষকদের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনার মাধ্যমে বাস্তব রূপায়ন নিশ্চিত করা যায়।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী দেশে কারিগরি শিক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। দেশের বেকারত্বের হার কমাতে শিক্ষিত যুবসমাজকে কর্মমুখী করাই এই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই ষষ্ঠ শ্রেণিতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর বিশেষ কনটেন্ট ও মোটিভেশনাল সাকসেস স্টোরি যুক্ত হচ্ছে, যা আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই শিক্ষার্থীরা বইয়ে পাবে।

আর ২০২৮ সালে যখন পূর্ণাঙ্গ নতুন কারিকুলাম আসবে, তখন কারিগরি শিক্ষাকে আরও বড়, আধুনিক এবং আন্তর্জাতিক মানদ-ে কার্যকরী পরিসরে পরিমার্জন করে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’

আমান/

প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন আনোয়ার ইব্রাহিম

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১০:৫৩ এএম
প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন আনোয়ার ইব্রাহিম
ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজ থেকে

কুয়ালালামপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।

সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় শাংগ্রি লা মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ‘পেরদানা পুত্রা’ ভবনে পৌঁছালে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী দাতুক সেরি ড. ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল।

এরপর লালগালিচায় তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানকে মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পর সফরসঙ্গীদের সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। একইভাবে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে পরিচয় করিয়ে দেন।

পরিচয় পর্ব শেষে পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন তারেক রহমান।

পরে উভয় প্রধানমন্ত্রী একান্ত বৈঠকে মিলিত হন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর ভবন অভিমুখের লম্বা সড়কের দুই পাশে টানানো হয় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকা। সূত্র: বাসস

অমিয়/

জুন মাসে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫৩৭

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১০:২৪ এএম
জুন মাসে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫৩৭
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অপরাধ দমনে চলতি জুন মাসের ১ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মোট ১ হাজার ৫৩৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

রবিবার (২১ জুন)  ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই বিশেষ অভিযানে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, সন্ত্রাস ও মাদকের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৫৪ জন চাঁদাবাজ রয়েছে, যাদের মধ্যে একজন পুলিশের তালিকাভুক্ত এবং বাকি ৫৩ জন তালিকাবহির্ভূত।

এছাড়া সন্ত্রাসী, দস্যু, ছিনতাইকারী ও ডাকাত চক্রের ৪৬৩ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রেখে এই ২০ দিনে ১ হাজার ২০ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা বিভাগ।

শুধুমাত্র গ্রেপ্তার নয় তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মহানগরের বাসিন্দাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধমুক্ত ঢাকা গড়তে পুলিশের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

আমান/

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১০:১৩ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১০:১৫ এএম
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজ থেকে

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে একান্ত বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘পেরদানা পুত্রা’ ভবনের পঞ্চম তলায় উভয়ে একান্ত এ বৈঠকে বসেন।

বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

উভয়ের একান্ত বৈঠকের পরে দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শুরু হবে। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী এতে নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন।

বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রী খলিলুর রহমান, বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আল সিয়াম প্রমুখ উপস্থিত থাকবেন।

বৈঠকে বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল অর্থনীতি, কর্মী প্রেরণ, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প ও কৃষি, শিক্ষা ও জন-যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুইদেশের মধ্যে অধিকতর সহযোগিতা স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পরে উভয়ে আনুষ্ঠানিক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেবেন।

সংবাদ সম্মেলন শেষে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গীরা।

এ সময়ে মালয়েশিয়ার প্রখ্যাত শিল্পীরা মালয় এবং বাংলা ভাষায় গানসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করবেন। সূত্র: বাসস

অমিয়/

দুপুরের মধ্যে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ এএম
দুপুরের মধ্যে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা
ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ৯টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে তীব্র দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। 

সোমবার (২২ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া বিশেষ পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।  

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দুপুর ১টার মধ্যে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। 

এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে আষাঢ়ের বৃষ্টিপাতের মধ্যেই আগামী ৫ দিনও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে এই ৫ দিনে দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

অন্তরা/