ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মুক্তি পেল বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ট্র্যাক ‘সির সির’ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ২৪ নেতাকর্মীর নামে মামলা, আটক ৩ টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব বর্তমানে বৈধ সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সংসদ সদস্যের পদ ছাড়ছেন কোয়েল বিচার চাইব কার কাছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক আরও ঝলমলে রঙিন হচ্ছে পাহাড়ি শহর ছোংছিংয়ের রাত আয় বাড়ছে কিন্তু বরকত কমছে কেন? নাটোরে স্পিডবোটে মিলল গুলিবিদ্ধ মরদেহ ফ্রিতে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিদেশে শ্রমবাজার হারানোর উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ স্টার্ট-আপ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকবে: অর্থমন্ত্রী নোবিপ্রবির নতুন উপ-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বাজেটে বিড়ির মূল্য ও করহার অপরিবর্তিত থাকবে: অর্থমন্ত্রী ডাকাতির সময় মা-মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ৬ সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর, নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রামিসা ও নূরজাহান হত্যা: আমাদের মূল্যবোধের পচন দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ ভাঙ্গায় কৃষকদল নেতাকে থানার মধ্যে মারধরের অভিযোগ নড়াইলে স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, ভ্যানচালক গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে দিনের বেলা প্রকাশ্যে যুবককে গুলি, ভিডিও ভাইরাল উখিয়া সীমান্তে সাড়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করল বিজিবি ট্রাম্পের চুক্তি যে কারণে নস্যাৎ করতে চান নেতানিয়াহু ধর্ষক মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু হাইকোর্টে জামিন পেলেও জেলগেটে ফের গ্রেপ্তার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র রুয়েটে আবাসিক হলে গাঁজা সেবনের অভিযোগে ৪ শিক্ষার্থী আটক গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু দক্ষতার সঙ্গে টিম পরিচালনার কিছু পরামর্শ রূপগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্ছেদ অভিযান
Nagad desktop

খাগড়াছড়ি ইস্যু স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্যে আ.লীগের মিল দেখছেন আনু মুহাম্মদ

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:২০ এএম
আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:২৩ এএম
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্যে আ.লীগের মিল দেখছেন আনু মুহাম্মদ
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার কালক্রম: রামুসহ সারা দেশে বৌদ্ধ বিহারে হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের ১৩ বছর এবং গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন। ছবি: খবরের কাগজ

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। ‘একটি মহল খাগড়াছড়িতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে এবং ভারত বা ফ্যাসিস্টদের ইন্ধনে এ ঘটনা ঘটছে’- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা 

এক অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন। তার এ কথার জবাবে আনু মুহাম্মদ বলেন, এটা ২০১২ সালে রামুর ঘটনার পর আওয়ামী লীগের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতার কালক্রম: রামুসহ সারা দেশে বৌদ্ধ বিহারে হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের ১৩ বছর এবং গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
 
আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মেঘমল্লার বসু। বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, অর্থনীতিবদ ও লেখক সুজিত চৌধুরী, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, বাসদের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সদস্য জয়দীপ ভট্টাচার্য, লেখক তাহমিদাল জামী, শিল্পী ও গবেষক অরূপ রাহী এবং গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য ফেরদৌস আরা রুমি। আনু মুহাম্মদের সংক্ষিপ্ত সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। তিনি বলেন, ‘২০১২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যত সাম্প্রদায়িক হামলা হয়েছে, সেগুলোর একটিরও বিচার হয়নি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও মন্দির-মাজারে হামলা এবং বৈষম্যবাদী ও জনতুষ্টিবাদীদের নানা তৎপরতা আছে। খাগড়াছড়ির ঘটনাটিও বিব্রতকর।’
 
আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘একের পর এক ব্যর্থতার কারণে এক ব্যক্তির পদত্যাগের দাবি উঠলেও তিনি বসে আছেন, তার নির্লজ্জ হাসি এখনো দেখা যাচ্ছে। ২০১২ সালে রামুর ঘটনার পর আওয়ামী লীগের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করতে বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে রামুর ঘটনা ঘটেছে। যদিও পরে দেখা গেছে, হামলায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাই জড়িত। এখনো সেই একই রকম ছাঁচ ও মডেল দেখা যাচ্ছে।’

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ আরও বলেন, ‘পাহাড়ের মানুষ বিচ্ছিন্নতা চান না, গণতান্ত্রিক অধিকার চান। পাহাড়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, সরকারসহ সবাইকে একটা কাজ করতে হবে। পাহাড় ও সেখানকার জমি কার কার দখলে আছে, সেই তালিকা প্রকাশ করলেই বোঝা যাবে কার স্বার্থে সেখানে অশান্তি টিকিয়ে রাখা হচ্ছে। গত কয়েক দশকে কতজনকে পাহাড় ইজারা দেওয়া হয়েছে, তার কোনো হিসাব নেই। সেখানে যাওয়া উন্নয়ন বরাদ্দেরও কোনো হিসাব নেই।’

অনলাইনে প্রোপাগান্ডা (অপপ্রচার) ও ‘মব’ সন্ত্রাস নিয়ে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন কিশোরের নামে অভিযোগ তুলে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অনলাইনে নারীবিদ্বেষী প্রচার ও আক্রমণ হচ্ছে। এর শিকার অনেক নারী আর কথাই বলছেন না। সমাজে ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সবাই বুঝেশুনে আক্রমণ করছে, এমন নয়। মব সন্ত্রাসে যে জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে যাচ্ছে, তা নয়। এর পেছনে শক্তিশালী চক্র ও পরিকল্পনা আছে। জনতাকে উসকানি দিয়ে উত্তেজিত করে মবে পরিণত করে যারা, তারা খুব গোছানো লোক।’

নদী দখল, পাথর উত্তোলন, সাম্প্রদায়িক হামলা ও জমি দখলে বিভিন্ন দল-মতের একধরনের ঐক্য দেখা গেলেও এগুলোর বিরুদ্ধে ঐক্য দেখা যায় না বলে আক্ষেপ করেন আনু মুহাম্মদ। তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর এসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসার কথা থাকলেও তা হয়নি। বৈষম্য বৃদ্ধির মতাদর্শ ধারণকারীদের দাপট দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশে।’ তারা কোনো কিছুই শুনতে রাজি নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

বর্তমানে বৈধ সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
বর্তমানে বৈধ সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
ডাক, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। ছবি : সংগৃহীত

বর্তমানে দেশে কার্যরত চারটি মোবাইল অপারেটরের বৈধ নিবন্ধিত (রেজিস্টার্ড) সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। 

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মহিলা আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে চারটি মোবাইল কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এগুলো হলো টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি এবং বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড। এসব অপারেটরের অধীনে বৈধভাবে নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ।

এদিকে ডাক বিভাগের সেবার মানোন্নয়ন ও সম্প্রসারণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস বা পোস্ট পিকআপ পয়েন্ট স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল)-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, জনসাধারণের সুবিধার্থে ভূমির নথি, পাসপোর্ট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হোম ডেলিভারিসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা ডাক বিভাগের মাধ্যমে প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ই-কমার্স খাতকে সহায়তা দিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৪টি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্র থেকে পণ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রসেসিং, বুকিং, সর্টিং, পরিবহন ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তিনি আরও জানান, ডমেস্টিক মেইল মনিটরিং সিস্টেম (ডিএমএস) সফটওয়্যারের মাধ্যমে রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং সুবিধা সম্প্রসারণ, স্বল্প খরচে পার্সেল ও চিঠি বিতরণ এবং ইএমএস সেবার মাধ্যমে বিদেশে পার্সেল পাঠানোর কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

এলিস/এসএন

ফ্রিতে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
ফ্রিতে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ফুটবল বিশ্বকাপ বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) ফ্রিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

তিনি বলেন, স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফিফার সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় বিটিভি এবার প্রায় বিনা খরচে বিশ্বকাপ সম্প্রচার করতে পারবে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, বিগত সময়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব অর্জনে বিপুল অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের অর্থের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সম্প্রচার স্বত্ব অর্জনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। ফিফা থেকে স্বত্ব কিনে নেওয়া একটি প্রতিষ্ঠান প্রথমদিকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা দাবি করেছিল। তবে সরকার সেই প্রস্তাবে সম্মত না হয়ে সরাসরি ফিফার সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেয়।

তিনি জানান, এ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং এর সভাপতি তাবিথ আউয়ালকে সম্পৃক্ত করা হয়। দীর্ঘ আলোচনা ও দরকষাকষির মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এবং নীতিমালার আলোকে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের চূড়ান্ত চুক্তিমূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রায় ৪৭ কোটি ২৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা। ভ্যাট ও আয়করসহ মোট ব্যয় হবে প্রায় ৬৩ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ১২৫ টাকা।”

তিনি আরও বলেন, সম্প্রচার স্বত্ব বাবদ অর্থের প্রায় পুরোটাই টেলিযোগাযোগ কোম্পানি, স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কাছে বিজ্ঞাপন ও সম্প্রচার অধিকার বিক্রির মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব হয়েছে। ফলে বিটিভির নিজস্ব আর্থিক দায় থাকবে না।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনকল্যাণমুখী সেবায় নিয়োজিত রাখা। এ উদ্যোগ তারই একটি উদাহরণ।

তিনি দেশের ফুটবলপ্রেমীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সকল জটিলতা কাটিয়ে দেশের কোটি কোটি দর্শক এবার বিটিভির মাধ্যমে বিশ্বকাপ ফুটবলের খেলা উপভোগ করতে পারবেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, প্রধান মন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকসহ তথ্য  ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

তপন/নাঈম

বিদেশে শ্রমবাজার হারানোর উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম
বিদেশে শ্রমবাজার হারানোর উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি। ছবি: সংগৃহীত

বিদেশে শ্রমবাজার হারানোর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ বলে মন্তব্য করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী শ্রমবাজারের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে না পারলে দেশের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (বাজেট) তৃতীয় দিনে ৭১ বিধিতে জরুরি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশ উত্থাপন করেন তিনি। যদিও স্পিকার নোটিশটি গ্রহণ করেননি, তবে বিষয়টি নিয়ে দুই মিনিট বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন।

বক্তব্যে নিলুফার চৌধুরী মনি বলেন, “কথায় আছে, গতিতে জীবন আর স্থিতিতে মরণ। দক্ষ জনশক্তির গতি একটি দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়।” তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় প্রবাসী আয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ২০২৫ সালে দেশের জিডিপির প্রায় ৭ শতাংশ এসেছে প্রবাসী কর্মীদের অবদানের মাধ্যমে।

তিনি জানান, প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিক বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যান। তবে তাদের অধিকাংশই অদক্ষ ও স্বল্পশিক্ষিত। এদিকে বিশ্বজুড়ে শ্রমিকের চাহিদা কমছে এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রভাবে উন্নত প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ছে। ফলে দক্ষ জনশক্তি তৈরি না করতে পারলে বাংলাদেশের বিদ্যমান শ্রমবাজার সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিলুফার চৌধুরী মনি বলেন, ১৯৮০-এর দশকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমশক্তি রপ্তানির যাত্রা শুরু হয়। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।

তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে, যাতে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়।

এলিস/এসএন

স্টার্ট-আপ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকবে: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম
স্টার্ট-আপ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকবে: অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে স্টার্ট-আপ, নারী উদ্যোক্তা এবং তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে মোট ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল ও কর্মসংস্থানমুখী করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং কর্মসংস্থান ব্যাংকের মাধ্যমে সহজ শর্তে যুব ঋণ বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় ‘স্টার্ট-আপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ এবং অর্থ বিভাগের বিভিন্ন তহবিলের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, চলমান ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ‘স্টার্ট-আপ তহবিল’ খাতে ইতোমধ্যে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগামী অর্থবছরে এই খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে উদ্যোক্তা সৃষ্টির কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

এ সময় অর্থমন্ত্রী নিম্ন ও মধ্যম আয়ের জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরের অবকাঠামো, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে এডিপির আওতায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ ছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা ও বরাদ্দ বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে যুব ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা যাতে সহজে ঋণ, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য সহায়তা পান, সে জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।

এলিস/নাঈম

বাজেটে বিড়ির মূল্য ও করহার অপরিবর্তিত থাকবে: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম
বাজেটে বিড়ির মূল্য ও করহার অপরিবর্তিত থাকবে: অর্থমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিড়ির মূল্য ও করহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে নতুন অর্থবছরে বিড়ির দাম বাড়ছে না বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩-এর সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরার এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

রাশেদা বেগম হীরা জানতে চান, তামাকজাত পণ্যের ওপর সুনির্দিষ্ট হারে কর বৃদ্ধি, বিশেষ করে বিড়ির খুচরা মূল্যের ওপর বিদ্যমান ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রেখে ২০ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য আরও বাড়িয়ে অতিরিক্ত সম্পূরক শুল্ক ও সুনির্দিষ্ট কর আরোপের কোনো পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে কি না।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আসন্ন অর্থবছরের বাজেটে বিড়ি খাতের মূল্য ও করহার পূর্ববর্তী অর্থবছরের মতোই অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। অর্থাৎ বর্তমানে যে মূল্য কাঠামো ও করহার কার্যকর রয়েছে, নতুন অর্থবছরেও তা বহাল থাকবে।

সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে বিড়ির খুচরা মূল্যে নতুন কোনো বৃদ্ধি আসছে না। একই সঙ্গে বিড়ির ওপর বিদ্যমান কর ও সারচার্জ কাঠামোও অপরিবর্তিত থাকবে। বাজেটে বিড়ির মূল্য ও করহার অপরিবর্তিত রাখার এ ঘোষণার মাধ্যমে তামাকজাত পণ্যের এই খাতে বিদ্যমান করনীতি অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সরকার আপাতত বিড়ির মূল্য বৃদ্ধি বা নতুন কোনো কর আরোপের পথে না গিয়ে বর্তমান কাঠামো বহাল রাখার সিদ্ধান্তেই অটল রয়েছে।

এলিস/নাঈম