ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস আজ ৯ জুন। বিশ্ব অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং প্রাত্যহিক জীবনের পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং আস্থার ক্ষেত্রে অ্যাক্রেডিটেশন বা আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির গুরুত্ব তুলে ধরাই এই দিবসের মূল লক্ষ্য।
২০০৭ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশনের (আইএলএসি) যৌথ সাধারণ সভায় এই দিবসটি প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০০৮ সালের ৯ জুন প্রথম বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস পালন করা হয়। আজ দিবসটি পালন উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (BAB) বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন: অ্যাক্রেডিটেশনের শক্তি।’
এদিকে দিবসটি পালন উপলক্ষে গতকাল সোমবার বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাণীতে তিনি বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন কেবল একটি সনদ বা স্বীকৃতি নয়, বরং এটি দেশের শিল্প খাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।
তিনি আরও বলেন, ‘অ্যাক্রেডিটেশন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে। বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি। এই প্রেক্ষাপটে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) কর্তৃক দিবসটি উদযাপনের উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী।’
বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আমাদের উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করা জরুরি। বর্তমানের ভোক্তারা অনেক বেশি সচেতন। তারা শুধু পণ্যের গুণগত মানই নয়, বরং উৎপাদনের নৈতিকতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং পরিবেশের ওপর এর প্রভাবও বিবেচনায় নেন।’
বাণীতে বলা হয়, বিএবি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে বর্তমানে পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি দেশে ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক সংস্থাকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে, যা বাংলাদেশের পণ্য ও সেবাকে বিশ্ববাজারে আরও গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলছে।