ভুয়া পর্যবেক্ষক ধরতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বিশেষ ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক রাখতে কমিশন সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে। স্বচ্ছতার ব্যত্যয় ঘটানোর চেষ্টা করলে কাউকে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না। ভুয়া পর্যবেক্ষক শনাক্তে ব্যবহার করা হবে কিউআর কোডসমৃদ্ধ পরিচয়পত্র।’
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর সঙ্গে আয়োজিত সংলাপে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন ইসি সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে স্বচ্ছ নির্বাচন হবে ২০২৬ সালে। এর ব্যত্যয় ঘটাতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষকদের ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান-কেউই কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করতে পারবেন না।’
পর্যবেক্ষকদের তালিকা জমা দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার জানান, তফসিল ঘোষণার ১০ দিনের মধ্যে সব পর্যবেক্ষক সংস্থাকে তাদের পর্যবেক্ষকদের নাম তালিকাভুক্ত করে ইসিতে জমা দিতে হবে। মানহীন কিংবা অযোগ্য পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাবে।
তিনি বলেন, “বিদেশিদের কোনো দেশি সংস্থার হয়ে পর্যবেক্ষণ করার অনুমতি নেই। তারা নিজ নিজ দেশের আইন-বিধি অনুযায়ী সরাসরি বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি ‘ফ্রিল্যান্স’ পর্যবেক্ষক হওয়ার সুযোগও নেই।”
সানাউল্লাহ জানান, নির্বাচনের আগের দিন, নির্বাচনের দিন এবং পরের দিন- মোট তিন দিন পর্যবেক্ষকরা দায়িত্ব পালন করবেন। ভুয়া বা অননুমোদিত পর্যবেক্ষক শনাক্তে প্রত্যেক পরিচয়পত্রে কিউআর কোড সংযুক্ত থাকবে, যা স্ক্যান করলেই তথ্য যাচাই করা যাবে।
সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনসহ অন্য নির্বাচন কমিশনার, ইসি কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এলিস/এসজি/