জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করতে আফ্রিকার দেশ কঙ্গোতে গেছেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ৩৫ সদস্য। মোট ৬২ সদস্যের মধ্যে প্রথম দফায় তারা কঙ্গোতে গিয়ে নতুন একটি কন্টিনজেন্ট (ব্যানাটু-১৫) প্রতিস্থাপন করবেন।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) জাতিসংঘের ভাড়া করা ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তারা কঙ্গোর উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০বি এবং বিভিন্ন ‘গ্রাউন্ড সাপোর্ট ইকুইপমেন্ট’ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক কঙ্গোতে (মুনস্কো) ব্যানাটু-১৪ কন্টিনজেন্টে নিযুক্ত রয়েছে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ৬২ সদস্য কঙ্গোতে নতুন কন্টিনজেন্ট (ব্যানাটু-১৫) প্রতিস্থাপন করছেন।
এই কন্টিনজেন্টের নেতৃত্বে রয়েছেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ সেলিম জাভেদ। বাকি ২৭ জন সদস্য কঙ্গোর উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন আগামী ২ ফেব্রুয়ারি। গত মঙ্গলবার কঙ্গো গামী কন্টিনজেন্ট (ব্যানাটু-১৫) সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
আইএসপিআর জানিয়েছে, কঙ্গোতে বিবাদমান সংঘাত নিরসনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তারা সে দেশের সরকার এবং আপামর জনসাধারণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের অর্জিত সুনাম ও সাফল্য অক্ষুণ্ণ রেখে শান্তিরক্ষীরা ভবিষ্যতেও যেন আরও উৎকর্ষতা অর্জন করতে পারেন, এ কামনা করে রবিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক মোনাজাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল জাভেদ তানভীর খান এবং বিমান বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে তাদের বিদায় জানান।
আলমগীর/রিফাত/