বাংলাদেশের মহিলারা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিবারের সব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের এই সেবার যথাযথ মূল্যায়ন আগে কখনো হয়নি। তারেক রহমান ঘোষিত এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোকে মূল্যায়নের জন্য গৃহকর্তীদের বেছে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের নারী প্রধানকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী না করলে আগামীর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে চট্টগ্রাম এয়ারপোর্ট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আমির খসরু বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের অ্যাকাউন্টে সরাসরি ২ হাজার ৫০০ টাকা পৌঁছে যাচ্ছে, যা তাদের হাতে একটি অর্থনৈতিক শক্তি তৈরি করবে। আমাদের সীমিত সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আমরা এই ঝুঁকি নিয়েছি। এই কার্ড বিতরণে কোনো দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি। সরকারি কর্মকর্তারা নির্দ্বিধায় ও স্বাধীনভাবে কাজ করে হতদরিদ্রদের খুঁজে বের করেছেন। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এক মাসের মধ্যে এই নির্বাচনি ওয়াদা বাস্তবায়ন করে প্রমাণ করেছে যে নেতৃত্ব ঠিক থাকলে সব সম্ভব।
ফ্যামিলি কার্ডকে একটি স্মার্ট কার্ড হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে জাতীয় সব সুযোগ-সুবিধা এই কার্ডের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। এছাড়া কৃষকদের কল্যাণে ১২ হাজার কোটি টাকার ঋণ মওকুফ এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি কার্ডের মতো আরও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।
প্রথম পর্যায়ে চট্টগ্রাম নগরীর ৫ হাজার ৫৭৫ জন নারী প্রধানের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে।
আবদুস সাত্তার/এসএন