ঢাকা ২ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পূবালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত হলেন মনজুরুর অসুস্থ হনুমান নিজেই হাজির হলো প্রাইভেট ক্লিনিকে প্রস্তাবিত বাজেটের সফল বাস্তবায়ন কঠিন হবে মুক্তিতে বাধা নেই আবুল বারাকাতের বিজনেস এলিট ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হলেন সাদী-উজ-জামান মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান: টেকনাফে ইয়াবাসহ আটক ১ সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রথম মিলনমেলা ১০ জুলাই মেসিকে থামাতে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা নেই আলজেরিয়ার পাঁচ তারকার স্মৃতিময় একদিন হাওরে ডাকাতির রহস্য উদ্ঘাটন, আন্তঃজেলা চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার সিলেটে ট্রাফিক আইন মানলেই করানো হচ্ছে মিষ্টিমুখ বিয়ের দিনই সন্তানের আগমনের ঘোষণা, ভাইরাল দম্পতি বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ১ম পত্র নেটওয়ার্কের খোঁজে গাছের চূড়ায় শিক্ষক, ছবি ভাইরাল বেরোবি ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ গার্সিয়ার হুঙ্কার: ইরানকে হারাতেই হবে বেলজিয়ামকে মাতামুহুরিতে নিখোঁজের ২ দিন পর ডোবা থেকে শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩ বানেশ্বর আম হাট পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাগেরহাটের ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, মামলা না করতে বিএনপি নেতার চাপ বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলার রায় বুধবার উমরাহ পালনে গেলেন ‘নগদ ইসলামিক’ ক্যাম্পেইনের ৫ বিজয়ী ভোলায় মাল্টিমিডিয়া, এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধন দিল্লি এয়ারপোর্টের ঘটনার বিস্তারিত জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ কলকাতায় হেনস্তার অভিযোগে যা বললেন মোশাররফ করিম সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে: ডা. জাহেদ রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ যুবক নিহত চাঁদপুরে বাসের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ ‘আমি কোনো মডেল নই’, বিশ্বকাপের ফটোশুট নিয়ে ক্ষুব্ধ বিয়েলসা ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
Nagad desktop

গণমাধ্যম কর্মীদের জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৫ এএম
আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৮ এএম
গণমাধ্যম কর্মীদের জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হবে: তথ্যমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের যেমন জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হয়, তেমনি গণমাধ্যম কর্মীদেরকেও জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হবে।

রবিবার (২২ মার্চ) বরিশালের আগৈলঝাড়া প্রেস ক্লাব আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা হলেও কিছু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের কারণে তা বিতর্কিত হয়ে পড়ছে। 

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আরও বলেন, যারা সাংবাদিক পরিচয় দেন, সেই পরিচয় সম্পর্কে যদি কোনো তর্ক বা বিতর্ক থাকে, তা নির্ধারণ করবেন সাংবাদিকরাই। আমাদের নির্ধারণ করার কোনো দরকার নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘কে ছোট সাংবাদিক, কে বড় সাংবাদিক, কে লেখাপড়া জানে, কে জানে না, এগুলো আমাদের দেখার দরকার নেই। কারণ আমরা পাঠক।’

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘যারা প্রেস ক্লাবের নেতৃত্ব দেবেন, তারা একটি টিম করে এটি নির্ধারণ করবেন। আপনারা যাকে ভালো বলবেন, তাকে আমরা ভালোভাবে দেখব এবং যার বিরুদ্ধে সাংবাদিকতার নামে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ করা হবে, তার বিষয়টি আমরা সেই অনুযায়ী বিবেচনা করব।’

এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সাংবাদিকতার মতো পেশাগুলোতে কেউ সহজে বিত্তবান হয় না। এ ধরনের পেশাকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে রাখতে হয়। কারণ এটি প্রতিভার কাজ, এটি কায়িক পরিশ্রমের কাজ নয়।’

তিনি বলেন, ‘এতে এক ধরনের মেধা ও যোগ্যতা লাগে। কিন্তু যদি তারা তাদের পরিচয়ের সংকট থেকে মুক্তি না পেতে পারে, তাহলে রাষ্ট্র ও সমাজ বিব্রত হয়ে যায়।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সাংবাদিকতার মতো মহান পেশা কতিপয় ব্যক্তির কারণে খুব বিতর্কিত হয়ে পড়েছে। অনেকে বিরক্ত হয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিতে লজ্জা পান। আমি নিজেও কখনো কখনো রাজনীতিবিদ পরিচয় দিতে সংকোচ বোধ করি। এই আত্মসমালোচনাই পরিবর্তনের পথ তৈরি করে। গত ৫ আগস্টের পরে রাজনীতিবিদরা টের পেয়েছে।ফলে সাংবাদিকদেরও সাবধান হতে হবে।’

তিনি স্পষ্ট করেন, কে প্রকৃত সাংবাদিক- এই প্রশ্নের সমাধান সরকার নয়, সাংবাদিক সমাজকেই করতে হবে। সাংবাদিক পরিচয় নিয়ে কোনো বিতর্ক থাকলে তা নির্ধারণের দায়িত্বও স্থানীয় সাংবাদিকদের ওপরই ছেড়ে দেন তিনি।

জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, ‘আমি আশা করি, খুব দ্রুত মহান সাংবাদিকতা পেশাকে সম্মানজনক কাঠামোয় নিয়ে আসা সম্ভব হবে। এর জন্য সংবাদপত্রের মালিক, সাংবাদিক ও সরকার, তিন পক্ষ মিলে বৈঠকের মাধ্যমে প্রক্রিয়া নির্ধারণ করবেন।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগিরই সাংবাদিকতা পেশাকে আরও সম্মানজনক কাঠামোয় নিয়ে যেতে সরকার, সংবাদপত্র মালিক ও সাংবাদিকদের সমন্বয়ে একটি কার্যকর সিদ্ধান্ত আসবে।

সভায় আগৈলঝাড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. শামীমুল ইসলাম শামীমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এফএম নাজমুল রিপনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বণিক, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শিকদার হাফিজুল ইসলাম, সদস্য সচিব মোল্লা বশির আহাম্মেদ পান্না, আগৈলঝাড়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সর্দার হারুন রানা, মো. সাইফুল ইসলাম ও সহ-সভাপতি মো. মাসুম হাওলাদার প্রমুখ।

মঈনুল ইসলাম/সুমন

দিল্লি এয়ারপোর্টের ঘটনার বিস্তারিত জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম
আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
দিল্লি এয়ারপোর্টের ঘটনার বিস্তারিত জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি; তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান সম্প্রতি ভারতের দিল্লি এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ ও জটিলতার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সরকারের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এটা আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখছে। এটা দুই দেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যু হলে ব্যাপার ছিল; যেহেতু দুই দেশের ইস্যুতে পরিণত হয়েছে, কূটনৈতিক পারস্পরিক যোগাযোগ আছে, তাই সেটা তাদেরই ডিল করতে দিই।’

তিনি বলেন, ‘কূটনৈতিক পাসপোর্ট আমি নিইনি। মানে অন্য কোনো কারণে না, নিচ্ছি-নেব করতে করতে হয়েছে। কূটনৈতিক পাসপোর্ট কোনো কারণ না। কারণ আমার পাসপোর্টে সার্ক স্টিকার দেওয়া হয়েছে। তার মানে কূটনৈতিক পাসপোর্ট যেভাবে কাজ করে, সেভাবে ইফেক্টিভ হওয়ার কথা। সো, ইটস নট এট অল এ রিজন। আমি যদি কোনোদিনও কূটনৈতিক পাসপোর্ট নাও নিই, আমার কি বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ হবে? আমি কূটনৈতিক পাসপোর্ট নিতে কিন্তু বাধ্যও না। ওটা একটা প্রিভিলেজ, আমি আমার জায়গা থেকে এটা নিতে পারি। কিন্তু এটা আমাকে নিতেই হবে, এমন কোনো কথা নেই এবং কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন যে পাসপোর্ট কারণ ছিল। পাসপোর্ট কারণ ছিল না। অন্য কারণ ছিল। এগুলো ইন্ডিয়ান মিডিয়াতেও কম-বেশি এসেছে।’

ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘কী হয়েছিল, আমি যা দেখেছি, আমার কথাটুকু খুব অল্প দুটো-তিনটা বাক্যে বলি...। আমি একটা ডেলিগেটকে লিড করেছি। আমার সঙ্গে আরও মানুষজন ছিলেন। তারা তাদের ইমিগ্রেশন পার করে চলে গেলেন। আমার ইমিগ্রেশন যখন শুরু হলো, আমি মুহূর্তেই বুঝতে পারলাম তারা দেরি করছেন। তাদের সময় লাগছে। তারপর তারা নানাজনের সঙ্গে কথাবার্তা বলছেন। আমাদের হাইকমিশনার প্রথম থেকে আমার সঙ্গে ওখানে ছিলেন। এটা সবচেয়ে জরুরি কথা। আমাদের হাইকমিশনার সম্পর্কে অনেক কথাবার্তা বলা হয় যে, তার দুর্বলতা-গাফিলতি কিছু ছিল কি না। আমি এখানে স্পষ্টভাবে বলছি, ওখানে ল্যান্ড করার পর থেকে শেষে আমি ইন্ডিয়ান টাইম রাত সাড়ে ৮টায় একটা ফ্লাইটে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফিরেছি। কারণ আমি চাইনি ভারতের ইমিগ্রেশন ক্রস করতে। সেজন্য আমারও বেশ কিছু ঝুট-ঝামেলা হয়েছে। পুরো সময়টা হাইকমিশনার পাশে ছিলেন। তিনি তার জায়গা থেকে সলভ করার চেষ্টা করেছেন বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে।’

ডা. জাহেদ বলেন, ‘সমস্যা কী হয়েছে, আমি নিজের মুখে বলছি না। এটা পত্রপত্রিকা, বিশেষ করে ইন্ডিয়ান মিডিয়াতে যথেষ্টই এসেছে। তারা তাদের সোর্স থেকে তাদের খবর-টবর দিয়েছেন। কিন্তু দুই ঘণ্টার মাথায় আমি ডিসাইড করেছি, ইটস টু মাচ। আমি আসলে আর ঢুকবো না। আমি এই রাষ্ট্রের, আমি আবারও বলছি আমি ব্যক্তি না, আমি এই রাষ্ট্রের একটা পদে আছি; সেই পদের প্রতি যে সৌজন্য, সেটা ল্যাগ করেছে বলে আমার মনে হয়েছে। সে কারণে আমি এই সিদ্ধান্তটা নিয়েছি এবং সেটা কেন কী হয়েছে, সেটার কারণ আপনারা সম্ভবত ইন্ডিয়ান মিডিয়াতে বা বাংলাদেশের অনেক মিডিয়াতেও এসেছে- সেটা পাবেন, আমি আসলে আর খুব বিস্তারিত বলছি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি যা দেখেছি, ডিসিশন কেন নিয়েছি; সেটা আপনাদের জানালাম। আমার মনে হয়েছে ওখানে দুই ঘণ্টা যখন হয়ে গেলো তখন আসলে এটা টু মাচ। আমি আর অপেক্ষা করবো না। আমি ব্যাক করবো। তারপর আমি পাসপোর্ট ফেরত চাইলাম। যখন আমি পাসপোর্ট ফেরত চাইলাম, তখন তাদের দিক থেকে খুবই আন্তরিকতাপূর্ণভাবে তারা আমাকে রিকোয়েস্ট করেছেন। কিন্তু আমার মনে হলো হোয়াট হ্যাপেনড, এটার একটা প্রতিবাদ রেজিস্টার থাকা দরকার আছে। তারা একটা সময় চেয়েছেন, এটা ফ্যাক্ট। এটা দেখবেন যে বিভিন্ন মিডিয়াতে ওভাবেই এসেছে। কারণ ওখানে অনেক মানুষ প্রেজেন্ট ছিলেন। তারা একটা পর্যায়ে চেয়েছে কিন্তু আমার মনে হয়েছে, যা হয়েছে তার একটা প্রতিবাদ রেজিস্টার থাকুক। আবারও বলছি, এটা কোনো শত্রুতার বিষয় না। এটা হচ্ছে একটা মেসেজ, আমার জায়গা থেকে মনে হয়েছে দেয়া উচিত যে, আমি ম্যাল ট্রিটেড হয়েছি। আমার সঙ্গে সঠিক বিহেভ করা হয়নি। কারণ আমি যাব, এই তথ্য জানানো হয়েছিল। আমাকে নিয়ে যদি কোনো সমস্যা থেকে থাকে, তাহলে সেই সমস্যা তারা সমাধান করা অথবা অবজেকশন আগেই দিলে বা এরকম কিছু হলেই হয়তো হতো। কিন্তু না! যেটা ঘটলো, সে কারণেই এটা ওভাবেই করা হয়েছে। আমি যা দেখেছি, আমার দিক থেকে আমি ভেতরে কী হচ্ছে, কেন হচ্ছে, এগুলো তো আর আমি বুঝতে পারছি না। আমি যেটা দেখেছি আমাকে দেরি করানো হচ্ছে। আমাকে যেভাবে রাখা হয়েছে, বসানো হয়েছে, সেটা আমার কাছে সঠিক মনে হয়নি। আমাদের হাইকমিশনারকে আমি দেখেছি, তিনি বিভিন্ন পর্যায়ে যথেষ্ট চেষ্টা করছেন। এমন না যে দুই ঘণ্টা আমি এমনি বসে আছি তারা চেষ্টা করছেন। আমাদের হাইকমিশনারও যখন চেষ্টা করছেন এবং এটা যখন সলভ হচ্ছিল না; তখন আমার মনে হলো ইটস বেটার টু রিটার্ন।’

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘হাইকমিশনার আমাকে বোর্ডিং ব্রিজের; মানে গোড়া থেকেই নিয়ে এসেছেন। তিনি তার পরিচয় দিয়েছেন, আমার পরিচয় দিয়েছেন। তারা প্রথম থেকেই জানেন; মানে ওখানে যারা অফিসিয়াল ছিলেন, আমি কে। হাইকমিশনার আমাকে কলম্বোর প্লেনে তুলে দিয়ে বাড়িতে গেছেন। ওখানে আরেকজন অফিসিয়াল ছিলেন। হাইকমিশনারকে আমি বলছি যে, আপনি চলে যান। উনি আমাকে তুলে দিলেই হবে। কিন্তু না করেছেন। শুধু সেটা নয়, আমি যখন শ্রীলঙ্কায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ছিলাম, আমি বারণ করেছি কিন্তু আমাদের শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনারও এয়ারপোর্টে প্রেজেন্ট ছিলেন। আমি আমাদের অফিসিয়ালদের আন্তরিকতা, বিশেষ করে দিল্লির হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানাই।’

তিনি বলেন, ‘আমি চাইনি ইমিগ্রেশনের সিলটা নিতে যে, আমি ওখানে প্রবেশ করিনি। এটার একটা সাইন থাকা দরকার। এ কারণে আমার কিন্তু ফেরাটা জটিল হয়েছে। না হলে এটা সহজ হতে পারতো। কিন্তু আমি ডিসাইড করেছি যে আমি এই সিলটা এবার নেব না। মানে আমি নেওয়া মানেই তো হচ্ছে আমি ইমিগ্রেশন ক্রস করেছি; এন্টারড ইন্ডিয়া এবং ডিসাইড করেছি। এ কারণে যাবতীয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা শেষ পর্যন্ত ইনফ্যাক্ট হাইকমিশনারই করেছেন। আর আমাকে খুব বেশি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। আসলে ডিল করছিলেন হাইকমিশনার। আমাকে একটা জায়গায় বসতে দেওয়া হয়েছে, যে বসতে দেওয়াটাও আমি মনে করি এই রাষ্ট্রের একজন প্রতিনিধি হিসেবে ওয়াজ নট সুইটেবল ফর মি। খুব বেশি কিছু জানানো হচ্ছিল না। প্রচুর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ব্যাপারগুলো এরকম কিছু ছিল না এবং নানা কথাবার্তা যেমন কোনো একটা রুমে নিয়ে আটকে রাখা হয়েছে- একদম ভুল কথা এগুলো।’

সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে: ডা. জাহেদ

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম
সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে: ডা. জাহেদ
ডা. জাহেদ উর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি; তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে সচিবালয়ে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার কথা বললেই কারও কারও মনে হয় আমরা দেশ বিকিয়ে দিতে যাচ্ছি। বাংলাদেশ বিকিয়ে দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এই সরকার কখনও করবে না। সবার আগে বাংলাদেশ। তবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যে অবস্থানে ছিলাম, সেখান থেকে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুই দেশের সম্পর্ক যথেষ্ট খারাপ পর্যায়ে গিয়েছিল। সেসব পেছনে রেখে আমরা আবারও সম্পৃক্ত হতে চাই। ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে চাই। দুই দেশের মধ্যে নানা ধরনের বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে।’

গঙ্গার পানি চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই বছরের ডিসেম্বরে গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এটি নবায়ন নিয়ে আমাদের কথা বলতে হবে। তিস্তা চুক্তি নিয়েও আলোচনা প্রয়োজন। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মোট ৫৩টি অভিন্ন নদী রয়েছে। এসব নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আমাদের অধিকার। সে কারণে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পৃক্ত থাকতে হবে।’

দিল্লির বিমানবন্দরের ঘটনা প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ বলেন, ‘আমার সঙ্গে যে আচরণ হয়েছে, সেটার প্রতিক্রিয়ায় আমি তাৎক্ষণিকভাবে যা করেছি। বিষয়টি আমি ব্যক্তিগতভাবে দেখিনি। আমি দেখেছি, একটি রাষ্ট্রের সরকারের একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারত বহুবার বলেছে, তারা জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত একটি গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায়। আমি আশা করি তারা সেই অবস্থানেই থাকবে। ভবিষ্যতে যদি কোনোভাবে ভূমিকা রাখার সুযোগ পাই বা আমন্ত্রণ আসে, তাহলে অবশ্যই ভারতে যাব।’

এ সময় তিনি জানান, দিল্লিতে বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্তে ‘পুশইন’ ইস্যুতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

অন্তরা/অমিয়/

তেজগাঁও সড়ক ছাড়লেন পোশাক শ্রমিকেরা, যান চলাচল স্বাভাবিক

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ০২:৩২ পিএম
তেজগাঁও সড়ক ছাড়লেন পোশাক শ্রমিকেরা, যান চলাচল স্বাভাবিক
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বকেয়া বেতনের দাবিতে আন্দোলনরত পোশাক শ্রমিকরা প্রায় দুই ঘণ্টা পর সড়ক ছেড়েছেন। তবে শ্রমিকরা সড়ক থেকে সরে গেলেও ওই এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শ্রমিকরা মূল সড়ক ছেড়ে দিয়েছেন। তবে দীর্ঘক্ষণ সড়ক বন্ধ থাকায় যানবাহনের চাপ রয়েছে। স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকরা লাভ রোড সংলগ্ন মূল সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে সংশ্লিষ্ট সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ জানায়, পোশাক শ্রমিকরা লাভ রোড সংলগ্ন প্রধান সড়কে নেমে আসেন। তারা সড়কের ওপর অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে সংশ্লিষ্ট সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আশপাশের সড়কেও যানজট ছড়িয়ে পড়ে। অবরোধের কারণে মূল সড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।

গার্মেন্টস শ্রমিকরা জানিয়েছেন, নাসা নিট লিমিটেড, নাসা অ্যাপারেলস লিমিটেড ও ওয়েস্টার্ন ড্রেসেস লিমিটেডের হেলপার থেকে ফ্যাক্টরি ম্যানেজার পর্যন্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের মে মাসের বেতন পরিশোধ করতে হবে, ২০২৫ সালের ছুটির টাকা দিতে হবে, ২০২৫ সালের ডিম্বেরের এরিয়া বিলের টাকা পরিশোধিত করতে হবে, নোটিশ পে-বিল পরিশোধ করতে হবে।

তারা আরও জানান, ওপরের দাবিগুলো আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে পূরণ করতে হবে। সরকারের শ্রম আইন অনুযায়ী পরবর্তী ৪ মাস তথা ১২০ দিনের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে হবে।

এছাড়াও শ্রম আইন অনুসারে সব শ্রমিক-কর্মচারীর সার্ভিস বেনিফিট ১০০ শতাংশ পরিশোধ করতে হবে। শ্রমিক-কর্মচারীদের প্রাপ্য পরিশোধের ক্ষেত্রে কোনো হ্যারাসমেন্ট (পুলিশি মামলা, হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, শারীরিক মানসিক অত্যাচার) করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

অন্তরা/

একনেক সভায় ৫ প্রকল্প অনুমোদন

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০২:০১ পিএম
আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ০২:২৩ পিএম
একনেক সভায় ৫ প্রকল্প অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৭ হাজার ৩ কোটি টাকার পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি নতুন প্রকল্প এবং দুটি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ২ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুমোদিত পাঁচটি প্রকল্প হলো-
১) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চায়না ইকোনমিক জোন অবকাঠামো প্রকল্প
২) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ফেনী জেলার মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)
৩) করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প
৪) পদ্মা নদীর ভাঙন থেকে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া ও কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের কোমরকান্দি এলাকা রক্ষা (১ম সংশোধিত) প্রকল্প
৫) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১০০টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন (৩য় সংশোধিত) প্রকল্প

এছাড়া পরিকল্পনামন্ত্রী সভায় ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের যে চারটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছিলেন, তা একনেক সভায় অবহিত করা হয়।

সেগুলো হলো-
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারে বিমানসেনা ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প, নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ সাভার স্থাপন প্রকল্প, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী স্টেশন শমসেরনগরে বিদ্যমান বিএএফ শাহীন কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প এবং প্যাগোডাভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক ও ক্রিপিটক শিক্ষা কার্যক্রম (৪র্থ পর্যায়) প্রকল্প।

জাহাঙ্গীর আলম/রিফাত/

শিক্ষার ৪ স্তম্ভে আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম
শিক্ষার ৪ স্তম্ভে আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ছবি: খবরের কাগজ

শিক্ষাব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কারিকুলাম, শিক্ষক ও অবকাঠামোসহ শিক্ষার ৪টি মূল স্তম্ভ এবং একটি নতুন উপাদানে আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকার র‍্যাডিসন ব্লু হোটেলে ‘কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন’  আয়োজিত ‘কেমব্রিজ প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।

প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে কারিকুলামের আধুনিকায়ন, শিক্ষকদের মানোন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ, বিভিন্ন শিক্ষা ধারার সমন্বয় এবং প্রযুক্তি তথা এআই ও ফিউচার জবসের সংযোজনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মধ্যেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সুস্পষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি ভিশন নির্ধারণ করেছে। এই ভিশনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং শিক্ষাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলা।’ 

শিক্ষা ধারার বৈচিত্র্য ও সমতার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশে ২৭টিরও বেশি ধরনের শিক্ষা ধারা বিদ্যমান। এসব ধারার শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি।’ 

তিনি বলেন, ‘মাদরাসা, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম কিংবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমমানের সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।’ 

শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকাকে অগ্রগণ্য উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘চাকা ছাড়া যেমন গাড়ি চলতে পারে না, তেমনি শিক্ষক ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থা চলতে পারে না।’ 

দেশের বিপুলসংখ্যক শিক্ষকের জন্য বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে কেমব্রিজের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/