ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাজেটের আগে স্বর্ণের দামে বড় পতন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষাই হবে প্রধান চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী টিভিতে আজকের খেলা মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা শেরপুরে মেসির প্রতিকৃতি আর আর্জেন্টিনার রঙে সেজেছে বাস চট্টগ্রামে ট্রেন দুর্ঘটনায় ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে আরও ২১ শিশু ভর্তি যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সামার ২০২৬ শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত এনআইএলএস এআইইউবি চ্যাপ্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে নামবেন হাতিয়ার লক্ষাধিক জেলে প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে এলো অত্যাধুনিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম ২৮ ঘণ্টা পর মেঘনায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার ইতালির স্বপ্নে লিবিয়ায় নিখোঁজ টাঙ্গাইলের শহিদুল চট্টগ্রামে পিডিবি প্রকৌশলী লাঞ্ছিত সর্বত্র রাজস্ব জাল বিছানো হয়েছে খেলোয়াড়ের চেয়ে কম বয়সী কোচ নিয়ে বিশ্বকাপ চ্যালেঞ্জ জার্মানির ফেনীতে গ্যাসবোঝাই ট্রাক-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষ, নিহত ২ চট্টগ্রামে ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল স্বাস্থ্যকর্মীর পুলিশি অভিযানে পণ্ড আ.লীগ নেতা-কর্মীদের খিচুড়ি পার্টি, আটক ২ স্বপ্ন, উন্মাদনা আর বিশ্বজয়ের লড়াই, বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ ৯ লাখ লোকের স্বপ্নের  ‘বামনী ক্লোজার’ এখন দৃশ্যমান মেহেরপুরে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু দেশের পোশাক খাতের নগদ প্রণোদনার ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ওয়ানডে আজ ভৈরবে প্রায় ৬ লাখ টাকার ইয়াবাসহ দুই দম্পতি আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুশইন ঠেকাতে রাতেও বিজিবির মাইকিং সেরা করদাতাদের সম্মাননা দেওয়া হবে ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা
Nagad desktop

ইতিহাস ভুলে গেলে জাতির অস্তিত্ব টেকে না: সংস্কৃতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম
ইতিহাস ভুলে গেলে জাতির অস্তিত্ব টেকে না: সংস্কৃতিমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

স্বাধীনতার ইতিহাস সংরক্ষণকে জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষার পূর্বশর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ‘যে জাতি তার ইতিহাস ভুলে যায়, সে জাতির অস্তিত্ব টিকে থাকতে পারে না।’ 

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) চট্টগ্রামের কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি সর্বজনীন জনযুদ্ধ, যার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জন করে। এই স্বাধীনতার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতা। ছিল ভাষা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ৭০-এর নির্বাচন। এসব ঘটনার সম্মিলিত পরিণতিই স্বাধীনতা অর্জনের পথ প্রশস্ত করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যার পর সারা দেশে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এতে মুক্তিযুদ্ধে নতুন গতি আসে এবং জনগণের মধ্যে সাহস জাগে।’

কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র ও জিয়াউর রহমানের স্মৃতি সংরক্ষণে নানা পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট জাদুঘরকে সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় আনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এখানে আধুনিক স্মৃতি জাদুঘর স্থাপন, প্রয়োজনে ভাস্কর্য নির্মাণ এবং ঐতিহাসিক সম্প্রচারের সরঞ্জাম সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দর্শনার্থীদের জন্য সমন্বিত পরিদর্শন পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। 

পরিকল্পনা অনুযায়ী, দর্শনার্থীরা প্রথমে বেতারকেন্দ্র পরিদর্শন করে পরে জাদুঘরে যেতে পারবেন।

সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড যেমন বেদনাদায়ক অধ্যায়, তেমনি মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান জাতির গৌরবের অংশ। এই দুই দিকই যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও উপস্থাপনে কাজ করছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।

এ সময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জয়ন্ত সাহা/অমিয়/

বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষাই হবে প্রধান চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৫৩ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৫৯ এএম
বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষাই হবে প্রধান চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন এবং জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করতে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বিনিয়োগের কোনো বিকল্প নেই বলে জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক।

বুধবার (১০ জুন) রাতে রাজধানীর মিরপুরে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-এর শহীদ ইয়ামিন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গ্র্যাজুয়েশন ডিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা খাতের জন্য চলতি অর্থবছরে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গত অর্থবছরের ৮৮ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। আমরা ধাপে ধাপে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ আরও বাড়াবো।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশ এত বিশাল সম্পদের দেশ, এত সুন্দর দেশ। আমরা কেন পিছিয়ে থাকবো? একটি ক্ষেত্রেই আমরা পিছিয়ে আছি, সেটি শিক্ষা খাত। শিক্ষা খাতে উন্নয়ন ঘটাতে পারলে বিশ্ব প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ অবশ্যই এগিয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, দেশের তরুণ সমাজই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। জনসংখ্যাকে অভিশাপ নয়, আশীর্বাদ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপও করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার আঞ্চলিক কেন্দ্র বা ‘ক্রস-বর্ডার এডুকেশন হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন উচ্চমানের বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনায় আগ্রহী।

অনুষ্ঠানে মোট ৫৪৯ জন স্নাতকোত্তীর্ণ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। যাদের মধ্যে ১৫৫ জন সামরিক শিক্ষার্থী এবং ৩৯৪ জন বেসামরিক শিক্ষার্থী ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমআইএসটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গ্র্যাজুয়েট এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।

আমান/

সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৯:০৯ এএম
ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল জাতীয় সংসদেবাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। ছবি: খবরের কাগজ

নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচি, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কর্মপরিকল্পনা এবং আগামী পাঁচ বছরের একটি সমন্বিত মেগা কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানে গতি আনা, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রশাসনিক দক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং দেশের সব অঞ্চলে সমান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন উদ্যোগ হিসেবে বিদেশ থেকে বিনিয়োগ আনতে পারলে ১ দশমিক ৫ শতাংশ ইনসেনটিভ দেওয়া হবে।

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ১৮০ দিন, আগামী অর্থবছর এবং পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। ইতোমধ্যে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’–এই দর্শনের আলোকে পরিবারের প্রধান নারী সদস্যকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে মাসিক আড়াই হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৬০ হাজারের বেশি পরিবার এ সুবিধার আওতায় এসেছে। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু করা হয়েছে এবং প্রায় ১৩ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফে ১ হাজার ৫৬৭ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতে পাঁচ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ধর্মীয় উপাসনালয়ের ইমাম, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদ্রিদের সম্মানী ভাতা সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।

মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেট ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়েই প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা যাতে নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারেন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বিনিয়োগ-প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।’ 

প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রকৃত ও ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ৯ শতাংশ সুদে ৬ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করেছে। 
সংসদে সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি কিংবা বিদেশি নাগরিক যদি দেশে বিনিয়োগ নিয়ে আসতে পারেন, তাহলে আনা বিনিয়োগের ওপর ১ দশমিক ৫ শতাংশ ইনসেনটিভ বা কমিশন দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু বিদেশি বিনিয়োগ নয়, দেশীয় বিনিয়োগও উৎসাহিত করতে চাই। ডিরেগুলেশন বা নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা হবে।’ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মুনাফা নিজ দেশে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাও আইনি সংস্কারের মাধ্যমে দূর করা হবে বলে জানান সরকারপ্রধান।

বিরোধী দলের এলাকাতেও সমান উন্নয়ন
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি নিয়ে বিরোধীদলীয় সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেমের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারী সংসদ সদস্যদের সংবিধান বা আইনে নির্দিষ্ট কোনো ভৌগোলিক আসন না থাকলেও রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কাঠামোর ভিত্তিতে তাদের কাজের ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মতো নারী সংসদ সদস্যদেরও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কাজ করার অধিকার রয়েছে। পরে অন্য এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের সুষম উন্নয়নে বিশ্বাস করে। সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের মতো বিরোধী দলের সদস্যদের এলাকাতেও সমানভাবে উন্নয়ন সহযোগিতা দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী ও জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার। গঠনমূলক সমালোচনা থাকলে অবশ্যই তা গ্রহণ করা হবে।’ 
তিনি জানান, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরনগরী চট্টগ্রামকে আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক নগরীতে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রশাসনের সব স্তরে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এদিকে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই, ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি, পেপ্যাল চালুর উদ্যোগ, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যের কথাও সংসদকে অবহিত করেন প্রধানমন্ত্রী।

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদপ্তরের আশ্বাস স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৫১ এএম
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদপ্তরের আশ্বাস স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন। ছবি: সংগৃহীত

দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব এবং সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পৃথক একটি অধিদপ্তর গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (১০ জুন)  রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশাবাদের কথা জানান। সভায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের বিভিন্ন পর্যায়ে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। শুধু ভোট প্রদানের মধ্যেই তাদের অবদান সীমাবদ্ধ ছিল না; নির্বাচনী প্রচারণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমেও তারা বিএনপির পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে। এজন্য তিনি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের অধিকার ও স্বার্থরক্ষায় সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করতে চায়। ইতোমধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের মাধ্যমে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে সংসদের উচ্চ কক্ষেও তাদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা থাকবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ধারায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত না করলে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে তাদের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্বল্প সুদে ঋণপ্রাপ্তির ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, “ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণে সরকার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছে। তাদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে পৃথক একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।”

সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য বিজন কান্তি সরকার বলেন, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে সরকারের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই। শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতেও তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীদের নার্সিংসহ স্বাস্থ্যসেবা খাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বিজন কান্তি সরকার বলেন, এ খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান বাড়বে, অন্যদিকে সমাজেও তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন দাবি, প্রত্যাশা ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তারা শিক্ষা বৃত্তি বৃদ্ধি, সরকারি চাকরিতে অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, ভূমি-সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান এবং স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অধিক সম্পৃক্ততার দাবি জানান।

সভায় বক্তারা বলেন, দেশের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, সরকারের ঘোষিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং মূলধারার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ আরও বৃদ্ধি পাবে।

এসএন/

ব্যক্তিগতভাবে আমি মৃত্যুদণ্ড বিরোধী: আইনমন্ত্রী

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
ব্যক্তিগতভাবে আমি মৃত্যুদণ্ড বিরোধী: আইনমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে মৃত্যুদণ্ড বিরোধী হিসেবে উল্লেখ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সামাজিক বাস্তবতায় মৃত্যুদণ্ড রদ করতে চাইলে সেটা আমাদের জন্য একটা সোশ্যাল ব্যাকফায়ার করতে পারে, বলে শঙ্কা আইনমন্ত্রীর।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘লিগ্যাল রিপ্রেজেন্টেশন ইন ডেথ পেনাল্টি কেসেস ইন বাংলাদেশ: অ্যান এমপিরিক্যাল অ্যান্ড কনসেপচুয়াল অ্যানালাইসিস’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব উঠে আসে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি মৃত্যুদণ্ড বিরোধী। এটা আমার মানবাধিকারের প্রতি একটি অঙ্গীকার। এই ক্যাম্পেইনের আমি একজন অংশীদার। তারপরেও কিছু কথা থেকে যায়। প্রতিটি সাধারণ নিয়মেরই ব্যতিক্রম থাকে। যখন দেখি ৮ বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণ করার পরে হত্যা করা হয়েছে, আলামত নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে, তখন এই সমাজের একজন অংশ হিসেবে, মানুষ হিসেবে আমারও মনে হয় এদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া প্রয়োজন।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘৮ বছরের শিশুকে যেভাবে হত্যা করা হয়, এই সামাজিক বাস্তবতায় আমরা যদি মৃত্যুদণ্ড রদ করতে চাই, সেটা আমাদের জন্য একটা সোশ্যাল ব্যাকফায়ার করতে পারে।’

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রত্যেক আসামিরই আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। সেই লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই আমরা গত মাসে আইনগত সহায়তা দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছি। প্রতিটি জেলায় লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করেছি। সেখানে জেলা জজের তত্ত্বাবধানে লিগ্যাল এইড কমিটি কার্যক্রম শুরু করবে। মানুষের দোরগোড়ায় লিগ্যাল এইড পৌঁছে দেওয়া আমাদের অঙ্গীকার। আমরা চাই লিগ্যাল এইড অফিস উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখুক। তাহলে মামলার জট এবং হয়রানি কমবে। আমরা একটি বাধ্যতামূলক লিগ্যাল এইড দেওয়ার জন্য বিধান করতে চাচ্ছি।’

এসময় সেন্টার ফর এডভান্সড লিগ্যাল স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহনাজ হুদার সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ডেথ পেনাল্টি প্রজেক্ট (ডিপিপি)’র উপ-নির্বাহী পরিচালক সল লরফ্রেন্ড বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেনসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া ওই সেমিনারে ডেথ পেনাল্টি প্রজেক্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার কনি পার্কার ধীনাকরণ গবেষণার পরিচিতি তুলে ধরেন।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন

বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় প্রশংসা সৌদি হজমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ পিএম
বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় প্রশংসা সৌদি হজমন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এর সাথে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার (১০ জুন) সকালে সৌদি আরবের রিয়াদে দ্য পিলগ্রিমস এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশের এ বছরের হজ ব্যবস্থাপনার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী। তিনি ২০২৬ সালের হজের সার্বিক ব্যবস্হাপনায় সাফল্যে বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ধর্মমন্ত্রীকে আন্তরিক নেতৃত্বের মাধ্যমে সেবা প্রদানের  জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি ধর্মমন্ত্রীর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী বাংলাদেশের এ বছরের হজ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা ও সুশৃঙ্খলতার ভূয়সী প্রশংসা করে আগামীতে সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশের সহায়তা কামনা করেন। এছাড়া, আগামি ২০২৭ সালের হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সৌদি সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি।

এদিকে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ সামগ্রিক হজ ব্যবস্থাপনার অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি এবারের হজ ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের নিরাপত্তা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ভীড় ব্যবস্থাপনা, তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার, মাশায়েরে হাজী সেবা প্রভৃতির মাধ্যমে হজ পালনের সহায়ক পরিবেশ তৈরির জন্য সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ, ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। আল্লাহর মেহমানদের সেবায় হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশ সৌদি সরকারের পাশে থাকবে বলে আশ্বাস দেন ধর্মমন্ত্রী।

এ বৈঠকে সৌদিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন ও কাউন্সিলর (হজ) মোঃ কামরুল ইসলামসহ উভয় মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন। 

এসএন/প্রেস বিজ্ঞপ্তি