পৃথিবীর আলো দেখার বয়স মাত্র সাত মাস হয়েছিল। যে বয়সে মায়ের কোলে খেলার কথা, সেই বয়সে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেল ছোট্ট হিরা মণি। কক্সবাজারে হামের প্রকোপে অকালে ঝরে যাওয়া শিশুদের তালিকায় যুক্ত হলো তার নাম।
বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে শিশুটি।
হিরা মণি মহেশখালী উপজেলার সরওয়ার আলমের মেয়ে। গত ৩০ মার্চ যখন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, তখন কেবল হাম নয়, তার শরীরে বাসা বেঁধেছিল নিউমোনিয়াও। মুখে ঘা থাকায় স্বাভাবিকভাবে খাবারটুকুও গিলতে পারছিল না সাত মাসের এই শিশুটি। নলের মাধ্যমে তাকে বাঁচিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন চিকিৎসকরা, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. শহিদুল আলম জানান, চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টার পরও অবস্থার অবনতি হওয়ায় শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। হিরা মণির মৃত্যুতে জেলায় হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়াল ২-এ।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে গতকাল আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু হলো।
কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে গতকাল।
দেশজুড়ে হামে আক্রান্ত রোগীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। সিভিল সার্জনরা বলছেন, অধিকাংশ রোগীর বয়স শূন্য থেকে ৫ বছরের মধ্যে। যথাসময়ে হাম-রুবেলা টিকা না পাওয়ায় এই রোগীদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়েছে। কারণ হাম-আক্রান্ত রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত ওষুধও নেই বলে খবরের কাগজকে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।
এমন প্রেক্ষাপটে সরকারের পক্ষ থেকে আগামী রবিবার থেকে হাম-রুবেলার টিকা প্রদান কর্মসূচি শুরুর কথা জানানো হয়েছে।
আইসিডিডিআরবির পক্ষ থেকে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ভাবনী ও সাশ্রয়ী ‘বাবল সিপ্যাপ’ প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা শিশুদের শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা কমাতে অত্যন্ত কার্যকর বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
১৫ জনের মৃত্যুর তথ্য দিল মন্ত্রণালয়
গতকাল বুধবার সকালে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত রাজশাহীসহ বিভিন্ন এলাকায় শুধু হামে আক্রান্ত হয়ে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সহায়তায় ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা ৩৩টি নমুনার মধ্যে ১৫ জনের মৃত্যুর সঙ্গে হামের সংক্রমণের সরাসরি সম্পর্ক পাওয়া গেছে। এসব মৃত্যুর ঘটনা রাজশাহী অঞ্চলে বেশি হওয়ায় সেখানে বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে
জামালপুরের সরিষাবাড়ীর পোগলদীঘা গ্রামের রনি মিয়ার ছয় মাস বয়সী যমজ দুই সন্তান রাফান ও রায়ান। তারা দুজনেই হামে আক্রান্ত হয়েছে। গত ২৭ মার্চ রাতে রাফানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বাবা-মা ছুটেছেন ঢাকার পথে। তবে বাড়িতে দাদির কাছে রেখে যাওয়া ছোট্ট রায়ানও রেহাই পায়নি এই সংক্রামক ব্যাধি থেকে।
গতকাল দুপুরে জামালপুর জেলা হাসপাতালের বেডে একা নাতিকে আগলে বসে আছেন ৫০ বছর বয়সী দাদি মিনা। এক নাতি ঢাকায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে, অন্যজন তার কোলে ধুঁকছে। বৃদ্ধার চোখে জল। তিনি বলেন, ‘বড় নাতিরে নিয়া বাপ-মা ঢাকা গেছে, আর এই ছোটটারে নিয়া আমি হাসপাতালে পইড়া আছি। আল্লাহ যেন দুইডারে সুস্থ কইরা দেয়।’
একই চিত্র শেরপুর থেকে আসা সোহেল বা শাহিন আলমের সন্তানদের ক্ষেত্রেও। মাত্র ৩ থেকে ৫ মাস বয়সী এই শিশুদের শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দিয়েছে। সেই সঙ্গে আকাশ-পাতাল জ্বর।
খুলনা বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ভারপ্রাপ্ত মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, গত তিন মাসে যেসব শিশু আক্রান্ত হয়েছে খুলনা বিভাগে, তাদের অধিকাংশই হামের টিকা পায়নি। তাই জ্বর ও শরীরে লালচে দানা লক্ষণযুক্ত সব রোগীকে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, মারাও যাচ্ছে শিশুরা
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে গতকাল আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু হলো। বর্তমানে এই উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালটিতে ১১৭ জন শিশু চিকিৎসাধীন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, গতকাল একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার শরীরে হাম রোগের উপসর্গ ছিল।
কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর জানিয়েছেন, জেলার মহেশখালী, হোয়াইক্যং, রামুসহ শহরের বেশ কিছু এলাকায় সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে পাহাড়ি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে আক্রান্তের হার বেশি।
গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) নতুন করে আরও ২৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। হামে আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতালের তিনটি আইসোলেশন কেন্দ্রে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে এখানে মোট ৫২ জন রোগী চিকিৎসাধীন। হাম আক্রান্তদের মধ্যে ৫৬ জনকে জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন কক্ষে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নাটোরের সিভিল সার্জন কামাল উদ্দীন ভূঁইয়া জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি ৪২ শিশুর মধ্যে নমুনা পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ৫ জন।
নড়াইলের সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রশিদ জানান, জেলার লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন এবং জেলা হাসপাতালে ২ জন রোগী ভর্তি রয়েছে।
সিরাজগঞ্জে তিন দিনে ২১ জন শিশুর দেহে হাম শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জন শিশুই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।
শয্যা অপ্রতুল, মেঝেতেও চিকিৎসা নিচ্ছে অনেক শিশু
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে শয্যাসংখ্যা ২০। অথচ সেই ওয়ার্ডে এখন ভর্তি রোগীর সংখ্যা শতাধিক; ওয়ার্ডের মেঝেতেও রোগীকে ঠাঁই দিতে হয়েছে। দোতলার ওয়ার্ডেও শয্যাসংকট। কয়েকটি বিছানায় দুজন করে শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। তাই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা শিশু রোগীদের নিয়ে বারান্দায় ঠাঁই নিয়েছেন অনেক অভিভাবক।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শয্যাসংখ্যা মাত্র ২০টি। অথচ সেখানে ভর্তি রয়েছে ধারণক্ষমতার চেয়ে চার গুণ বেশি রোগী। শয্যা না পেয়ে আক্রান্ত শিশুদের হাসপাতালের মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতালের কিডনি ডায়ালাইসিস ওয়ার্ডকে অস্থায়ী আইসোলেশন ওয়ার্ডে রূপান্তর করা হয়েছে। সেখানেও গাদাগাদি করে রোগীদের রাখা হয়েছে। এমনকি আশঙ্কাজনক রোগীদের জন্য হাসপাতালে কোনো নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) নেই।
ওষুধের সংকট
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে কথা হয় মিতু খাতুনের সঙ্গে। তিনি এসেছেন জেলার সদর উপজেলার ঝাউদিয়া গ্রাম থেকে; তার তিন মাস বয়সী মেয়ে ফারিয়া খাতুন হামে আক্রান্ত হয়েছে।
মিতু খাতুনের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে কোনো ওষুধ দেওয়া হচ্ছে না। সব ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। জ্বরের সিরাপও হাসপাতাল থেকে দেয় না। প্রতিদিন ১০০০-১২০০ টাকা খরচ হচ্ছে। প্রতিদিন বেলা ১১টায় একজন ডাক্তার এসে দেখে যাচ্ছেন।
কুমারখালী থেকে ছেলে আয়ানকে ভর্তি করিয়েছেন মা অন্তরা খাতুন। তিনি বলেন, একটা সিরিঞ্জও দেয় না। সব ওষুধ বাইরে থেকে কেনা লাগছে। ফার্মেসিতেও অনেক সময় ওষুধ পাওয়া যায় না।
ওয়ার্ডে দায়িত্বরত নার্স কামরুন্নাহার বলেন, ‘ওষুধের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই। স্টোর কক্ষের কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। কোনো কিছু পাওয়া যাচ্ছে না।’
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম বলেন, হাসপাতালে অক্সিজেন সাপোর্ট সিস্টেম রয়েছে। তবে কোনো ভেন্টিলেশন সাপোর্ট নেই। তিনজন রোগী গুরুতর অবস্থায় রয়েছে।
ময়মনসিংহ জেলার সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ফয়সল আহমেদ জানান, বর্তমানে হাম ও বিসিজি ছাড়া আর কোনো টিকা নেই। বাকি কোনো টিকাও মজুত নেই। আমরা সেগুলোর চাহিদা পাঠিয়েছি। উপজেলায় কোনো টিকা আছে, কোনো টিকা নেই- এমন অবস্থা চলছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর চিকিৎসকরা
হাসপাতালগুলোর কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি সামাল দিতে সচেষ্ট। বিভিন্ন হাসপাতালে ইতোমধ্যে আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। পর্যাপ্ত ওষুধ আনতেও তৎপরতা বাড়িয়েছে কর্তৃপক্ষ।
জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান সোহান জানান, হাসপাতালের চতুর্থ তলায় খোলা হয়েছে বিশেষ ‘হাম কর্নার’। হামের উপসর্গ নিয়ে আসা শিশুদের জন্য ১০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। সার্বক্ষণিক নার্স ও মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। রোগীদের নমুনা ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে এবং রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
রাঙামাটি স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, জেলায় ১৭ হাজার টিকা মজুত রয়েছে। ফেনীর সিভিল সার্জন মো. রুবাইয়াত বিন করিম, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান, মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. জহিরুল ইসলাম ফিরোজ জানিয়েছেন, হাসপাতালগুলোতে পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। আলাদা মেডিকেল টিম গঠন করে চিকিৎসা চলছে।
রবিবার থেকে বিশেষ টিকাদান শুরু, কর্মীদের ছুটি বাতিল
পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী রবিবার থেকে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই কর্মসূচি সফল করতে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের বৃহস্পতিবার থেকেই সব ছুটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ ঘোষণা দেন।
৯০ লাখ ডোজ হামের টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তার ভাষ্য, বুধ ও বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিরিঞ্জ সংগ্রহ করে যেসব উপজেলায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত সেগুলোসহ প্রত্যেকটা উপজেলায় এসব টিকা পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
হামের প্রাদুর্ভাব ও এর আনুষঙ্গিক নিউমোনিয়াজনিত শিশুমৃত্যু রোধে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আইসিডিডিআরবি যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বর্তমানে হাম আক্রান্তদের মধ্যে ৬ মাস থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া হাম আক্রান্তদের প্রায় ৩০ শতাংশ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এ সংকট উত্তরণে আইসিডিডিআরবির নিজস্ব উদ্ভাবন ‘বাবল সিপ্যাপ’ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
[এই প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন আমাদের চট্টগ্রাম ব্যুরো, রাজশাহী ব্যুরো এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কক্সবাজার, ফেনী, জামালপুর, ময়মনসিংহ, নাটোর, নড়াইল, সিরাজগঞ্জ, মাদারীপুর, রাঙামাটির প্রতিনিধিরা]