প্রতি বছর ২১ নভেম্বর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বাংলাদেশে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদ্যাপন করা হয়। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী এবং সর্বস্তরের জনসাধারণের সম্মিলিত প্রয়াসে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জিত হয়, জন্ম হয় আমাদের প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র। সেই অর্জনকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে, নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে স্বাধীনতার গৌরবগাথার আবহে ঐতিহাসিক এই দিন উদ্যাপন করা হয়। এর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ত্যাগ ও অর্জনকে মহিমান্বিত করতে ১৯৮২ সাল থেকে সম্মিলিতভাবে ২১ নভেম্বরকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর আগে সেনাবাহিনী ২৫ মার্চ, নৌবাহিনী ১০ ডিসেম্বর এবং বিমানবাহিনী ২৮ সেপ্টেম্বর নিজস্ব বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করত। সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে সামরিক বাহিনীর অবদানকে দেশের সর্বস্তরের জনগণের আত্মত্যাগের সঙ্গে একীভূত করে দেখা হয়। সশস্ত্র বাহিনী দিবসে ঢাকাসহ বিভিন্ন সেনানিবাস, নৌবাহিনী ঘাঁটি ও বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জ সরকারপ্রধান, মুক্তিযোদ্ধা, সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। আমন্ত্রিত অতিথি ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের এ মিলনমেলা আন্তরিকতা ও ঐক্যের বন্ধন সুদৃঢ় করে। ১৯৭১ সালে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী দেশের সর্বস্তরের জনসাধারণের সঙ্গে এক হয়ে যেভাবে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল, সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তগুলো আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। এ দিবসের ঐতিহাসিক অর্জন দল-মত, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবার জন্য দেশপ্রেম ও জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টিতে অবদান রেখে চলছে।
সশস্ত্র বাহিনী দিবস, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। এ দিনটি পালন করার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেওয়া দেশপ্রেমিক অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান স্মরণ করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নৃশংসতা শুরু হলে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের পাঁচটি ইউনিট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস, পুলিশ, আনসার, মুজাহিদ ও অন্য অনেক বাঙালি সদস্য সশস্ত্র বিদ্রোহ ঘোষণা করে। পরে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে কর্মরত বাঙালি নাবিক ও নৌ অফিসার, সেনা ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য অর্জনে নেতৃত্ব দিতে এগিয়ে আসেন কিংবদন্তির সমরনায়ক কর্নেল মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী। কর্নেল ওসমানীকে (পরে জেনারেল) মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি হিসেবে মনোনীত করা হয় এবং সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে একজন সুশিক্ষিত সুপ্রশিক্ষিত পেশাদার সেনা কর্মকর্তাকে প্রতিটি সেক্টরের নেতৃত্ব দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি সর্বস্তরের হাজার হাজার কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, যুবক যোগ দিয়ে মুক্তিবাহিনীকে শক্তিশালী করে, শুরু হয় স্বাধীনতার সংগ্রাম। দীর্ঘ আট মাস সুপরিকল্পিতভাবে যুদ্ধ করার পর হানাদার বাহিনী যখন পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে, তখন চূড়ান্ত বিজয়ের লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর চূড়ান্তভাবে সম্মিলিত আক্রমণের পরিকল্পনা গৃহীত হয়। ২১ নভেম্বর স্থল, নৌ ও আকাশপথে শুরু হয় ত্রিমুখী আক্রমণ। মিত্রবাহিনীর সহযোগে ঘোষিত হয় সার্বিক যুদ্ধ। মুক্তিবাহিনী পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে জলে, স্থলে ও অন্তরীক্ষে বিজয় ছিনিয়ে আনতে থাকে। ১৬ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্যদিয়ে অর্জিত হয় আমাদের প্রাণপ্রিয় স্বাধীনতা। আমরা পাই স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে বেঁচে থাকার অধিকার। ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বরের সম্মিলিত আক্রমণ এ বিজয়কে ত্বরান্বিত করে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে জায়গা করে নেয়।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দেশ গড়ার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সেসময় স্বল্প জনবল ও সীমিত সুযোগ থাকার পরও সশস্ত্র বাহিনী আন্তরিকতা ও বিপুল উদ্দীপনা নিয়ে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে থাকে। দশকের পর দশক ধরে এ বাহিনী তাদের দক্ষতা, পেশাদারত্ব ও শৃঙ্খলা প্রদর্শনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মনে নিজেদের জায়গা করে নেয়। দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও পেশাদার এ সশস্ত্র বাহিনী দেশের জনগণের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তাদের অবস্থান সুসংহত করেছে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন ও পেশাদারি মনোভাবের কারণে সারা বিশ্বের মানুষ এ সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে বাংলাদেশকে আজ চিনতে পেরেছে। ১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাক শান্তি মিশনে যোগদানের মধ্যদিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যাত্রা শুরু হয়। ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে যোগ দেয়। বাংলাদেশ পুলিশ ১৯৮৯ সালে নামিবিয়া মিশনে যোগদানের মধ্যদিয়ে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন শুরু করে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাতিসংঘের বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। সংঘাতপূর্ণ ও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা আর্তমানবতার সেবা করে চলেছে। শান্তিরক্ষা মিশনে যোগ দিয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দেশের জন্য মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও সহায়তা করেছে।
আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সুশিক্ষিত, পেশাদার ও শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর কোনো বিকল্প নেই। শুধু স্বাধীনতাযুদ্ধ ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমই নয়, সশস্ত্র বাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা নিশ্চিত করে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে, এই দায়িত্ব পালনকালে সশস্ত্র বাহিনীকে ত্যাগ স্বীকারের পাশাপাশি অনেক রক্ত দিতে হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী আজ জাতির আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলেছে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও জাতি গঠনমূলক কাজে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিশ্ব শান্তিরক্ষায় আজ বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অসামান্য অবদান সর্বজনবিদিত। দেশের যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায়, বিভিন্ন সংকটে-বিপদে সশস্ত্র বাহিনী সবসময় এ দেশের মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি কোর ও সার্ভিসে সংযোজিত হয়েছে অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র, সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি। বাংলাদেশ নৌবাহিনী একটি পেশাদার ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। বিমান বাহিনীতে সংযোজিত হয়েছে একাধিক বিমান ঘাঁটি, ইউনিট, অত্যাধুনিক যুদ্ধ ও পরিবহন বিমান, হেলিকপ্টার ও যুগোপযোগী সামরিক সরঞ্জাম। সশস্ত্র বাহিনীতে প্রশিক্ষণের মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিকমানের উচ্চশিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে দীর্ঘমেয়াদি এক পরিকল্পনার মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন চলছে। বেশকিছু অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র ও প্রযুক্তির সংযোগ বাহিনীর আধুনিকায়নে অবদান রাখছে। বাংলাদেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রেখে, কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ না করে সম্পূর্ণ পেশাদারত্বের মাধ্যমে বিকশিত করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য নিরাপত্তা ও সামরিক খাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পরিবর্তন আনার সুযোগ রয়েছে।
দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আজ অনস্বীকার্য। জাতির প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে যেকোনো কঠিন দায়িত্ব পালনে সদা প্রস্তুত রয়েছে। দেশের ভেতরের যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনী এখন জনগণের আস্থা ও ভরসাস্থল। ঘূর্ণিঝড়, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে উদ্ধার, ত্রাণ তৎপরতা ও পুনর্বাসনে সশস্ত্র বাহিনী সদস্যরা সামনে থেকে সংকট সমাধানে অবদান রাখছেন। পদ্মা সেতু, জাতীয় মহাসড়ক, ফ্লাইওভার, হাতিরঝিল, মেট্রোরেল, এলিভেটেট এক্সপ্রেসসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্থাপনাসমূহ তৈরিতে সশস্ত্র বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছে। সশস্ত্র বাহিনী নানা ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ড অত্যন্ত সফলভাবে মোকাবিলা করে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় পূর্বক লকডাউন কার্যকর, ত্রাণসহায়তা, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবাসহ বিভিন্ন মানবিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় দেশকে চরম বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আবারও সশস্ত্র বাহিনী এগিয়ে এসেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, সরকার পতনের পর বাংলাদেশের সর্বত্র ছাত্র-জনতা যেভাবে সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রতি ভালোবাসা, সম্মান দেখিয়েছে ও তাদের আপন করে নিয়েছে তা অভূতপূর্ব। আগামী দিনগুলোতেও সশস্ত্র বাহিনীকে জনগণের এই আবেগ, ভালোবাসা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। গণ-অভ্যুত্থানকালে সেনাবাহিনীর প্রশংসনীয় অবদান সশস্ত্র বাহিনী দিবসকে নতুন মাত্রা ও মর্যাদা দিয়েছে। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে আজ পর্যন্ত দেশের নানা ধরনের সংকটে সশস্ত্র বাহিনী দেশপ্রেমের সুমহান ব্রত নিয়ে দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে অবিচলভাবে দায়িত্ব পালন করে চলছে। বাংলাদেশের যেকোনো ধরনের সংকটে সশস্ত্র বাহিনী প্রথমেই দেশের জনগণের পাশে এসে দাঁড়ায়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার জন্য শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম। সশস্ত্র বাহিনী দিবস আমাদের অতীত ও ভবিষ্যতের মধ্যে সেতুবন্ধ এবং আমাদের জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে একতা, ভ্রাতৃত্ব ও একাত্মতার মূর্তপ্রতীক। মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর মতো, আগামী দিনেও প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখা এবং জাতীয় যেকোনো প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সদাপ্রস্তুত থাকবে। এ সংগঠিত বাহিনী দেশমাতৃকার সেবায় সর্বদা নিয়োজিত এবং এদের পাশে পেলে দেশের আপামর জনতা যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেদের নিরাপদ মনে করে। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বাংলার সাধারণ জনগণের কাছে একটা আস্থা ও বিশ্বাসের উৎস। জনগণ যেভাবে এ বাহিনীকে ভালোবাসে ঠিক তেমনি বাহিনীর সব সদস্য দেশের ও মানুষের নিরাপত্তা ও সংকটে সব বাধা তুচ্ছ করে সংকট মোকাবিলায় নিঃস্বার্থভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস সশস্ত্র বাহিনীকে কর্মোদ্দিপনা ও কর্তব্যবোধে সদা অবিচল ও সুদৃঢ় রেখেছে। স্বাধীনতার পর থেকে শৃঙ্খলা, আদর্শ ও উচ্চ মনোবলসম্পন্ন এ বাহিনী বাংলাদেশের আপামর জনগণের বন্ধু এবং ভরসাস্থল। এ বছরের সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি সদস্য দেশ ও জনগণের আস্থাকে সম্মান জানিয়ে আগামী দিনগুলোতে দেশের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় গঠনমূলক ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে, এটাই প্রত্যাশা।
লেখক: মায়ানমার ও রোহিঙ্গাবিষয়ক গবেষক


