গত ২১ নভেম্বর সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে নরসিংদীর মাধবদীকেন্দ্রিক যে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছিল, তা কেবল কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল। কিন্তু সেই সংক্ষিপ্ত মুহূর্তেই ঢাকার রেলিং, দেওয়াল ও কার্নিশ থেকে ইট-পলেস্তারা খসে পড়ে তিনজন পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। রূপগঞ্জে ধসে পড়া দেওয়ালের নিচে প্রাণ হারিয়েছে ১০ মাস বয়সী এক শিশু। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। ২ শতাধিক মানুষ নানাবিধ আঘাত নিয়ে হাসপাতালে ছুটেছেন। এ পর্যন্ত কমপক্ষে ১০ জনের মৃত্যু ও ৫ শতাধিক আহতের খবর পাওয়া গেছে, ভবন ও সম্পদের ক্ষতি ছাড়াই। এ ঘটনা আমাদের সামনে একটি নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরেছে যে, ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা কতটা অপ্রস্তুত।
এ ভূমিকম্পটিকে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এযাবৎকালের মধ্যে সর্বাধিক তীব্র ঝাঁকুনি বলে বিবেচনা করা হয়। বাংলাদেশ ইন্দো-বার্মা টেকটোনিক প্লেটের অন্তর্গত একটি অঞ্চল, যেখানে ভূ-অভ্যন্তরে ক্রমাগত চাপ সঞ্চিত হতে থাকে এবং সেই চাপ নিঃসরণ ঘটে ভূকম্পনের মাধ্যমে। অতএব, ২১ নভেম্বরের ঘটনা কোনো আকস্মিক বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চিত এক ভূ-তাত্ত্বিক শক্তির অবশ্যম্ভাবী প্রকাশ। ২১ তারিখের ভূমিকম্পকে অনেক বিশেষজ্ঞ ফোর শক হিসেবেও বিবেচনা করছেন। উল্লেখ্য, ২১ তারিখের পরদিন ২২ তারিখ আবারও তিনবার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বহুদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন যে, বাংলাদেশ একটি ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ, কিন্তু আমরা সেই সতর্কবার্তা কতটা গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছি, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে যায়।
ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, এ ভূখণ্ড অতীতেও বহুবার ভয়াবহ ভূমিকম্পের শিকার হয়েছে। ১৭৬২ সালের গ্রেট আরাকান আর্থকোয়েক, যার মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৮ দশমিক ৫, চট্টগ্রাম, ফেনী ও কুমিল্লা পর্যন্ত বিপর্যস্ত করেছিল। ১৮৯৭ সালের আসাম ভূমিকম্প, যার মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৭, সমগ্র পূর্ববঙ্গকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল। ১৯১৮ এবং ১৯৩০ সালে সংঘটিত ৭ মাত্রার ওপরে ভূমিকম্পগুলো এ অঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল। ভূ-বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় মাত্রার ভূমিকম্পগুলো প্রায় দেড় শ বছর পরপর ফিরে আসার আশঙ্কা থাকে। সর্বশেষ বড় ভূমিকম্প থেকে ইতোমধ্যে যথেষ্ট সময় অতিবাহিত হয়েছে, যা ইঙ্গিত করে যে আবারও একটি বড় মাত্রার ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কোনো কোনো ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ গতকালের ভূকম্পনটিকে সেই বৃহত্তর বিপর্যয়ের পূর্বাভাস বলে মনে করছেন। এটি প্রকৃতির পক্ষ থেকে একটি সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এ সতর্কবার্তার পর আমরা কি পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিতে পারব? ঢাকা শহরে বর্তমানে ২১ লাখ ভবন রয়েছে, যার মধ্যে ৬ লাখ ভবন ছয় তলার ওপরে নির্মিত। এ উচ্চ ভবনগুলোর একটি বড় অংশেই বিল্ডিং কোড যথাযথভাবে মেনে চলা হয়নি। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, পুরান ঢাকার প্রায় ৯০ শতাংশ ভবন কোডবহির্ভূত এবং ভূমিকম্প-অসহনশীল। এ পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
একদিকে টেকটোনিক প্লেটে চাপ ক্রমাগত সঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে হাজার হাজার ভবন দাঁড়িয়ে আছে মৃত্যুফাঁদের মতো। এ দুই দিকের চাপ যখন একসঙ্গে মিলিত হবে, তখন যে ব্যাপক মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হবে, গত ২১ তারিখের সকালের সেই কয়েক সেকেন্ডের ঘটনা তারই একটি ছোট পূর্বাভাস মাত্র। বাংলাদেশে ভবন নির্মাণের নীতি এবং বাস্তবতার মধ্যে একটি বিশাল ব্যবধান রয়েছে। কাগজে-কলমে যতই নিয়মকানুন থাকুক না কেন, বাস্তবে সেগুলোর প্রয়োগ অত্যন্ত দুর্বল। অনেক ভবন মালিক খরচ বাঁচানোর জন্য বিল্ডিং কোড মানেন না এবং দুর্বল তদারকি ব্যবস্থার কারণে তারা সহজেই তা করতে পারেন।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) বিশ্বব্যাংক ভূমিকম্প-সহনশীল উন্নয়নের জন্য ১৮ কোটি ডলার দিয়ে সহায়তা করেছিল। কিন্তু সক্ষমতার অভাব এবং দুর্বল প্রশাসনিক কাঠামোর কারণে এ বিপুল অর্থের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, গতকালের ভূমিকম্পে বাঁশখালী এবং বিবিয়ানা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। এটি একটি বৃহত্তর সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করে যে আমাদের মৌলিক অবকাঠামো এমনকি মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্পও সহ্য করার মতো শক্তিশালী নয়। যে দেশে একটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন, ভবন এবং জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে, সেই দেশে প্রকৃত প্রস্তুতি এখনো শুরুই হয়নি।
রানা প্লাজা ধসের পর গার্মেন্টস ভবনগুলো পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং বিল্ডিং কোড মেনে চলা ও না চলা ভবনগুলোর তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছিল। কিন্তু সেই তালিকার কী হলো? কতগুলো ভবন সংস্কার করা হয়েছে, কতগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে, বা কতগুলো শক্তিশালী করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য নেই। একটি বড় দুর্ঘটনার পর আমরা সাময়িকভাবে সচেতন হই, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সচেতনতা ম্লান হয়ে যায়। এ প্রবণতা অত্যন্ত বিপজ্জনক। ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি এবং ধারাবাহিক প্রস্তুতির প্রয়োজন, যা আমাদের দেশে এখনো গড়ে ওঠেনি।
শিক্ষা ও সচেতনতা প্রসার এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে আতঙ্কে লাফিয়ে যে শিক্ষার্থীরা গুরুতর আহত হলেন, তা শুধু আতঙ্কের প্রমাণ নয়, বরং অজ্ঞতারও প্রমাণ। ভূমিকম্পের সময় কী করতে হবে এবং কী করা উচিত নয়, এ বিষয়গুলো সর্বজনীন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শেখানো অত্যন্ত জরুরি। জাপান বা তুরস্কের মতো ভূমিকম্প-প্রবণ দেশগুলোতে শিশুরা স্কুল থেকেই ভূমিকম্পের সময় করণীয় শেখে। সেখানে নিয়মিত ভূমিকম্প-মহড়া অনুষ্ঠিত হয়, ফলে মানুষ দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকে। বাংলাদেশেও এখন সময় এসেছে সারা দেশে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে ভূমিকম্প-মহড়া বাধ্যতামূলক করার।
ভবন নির্মাণ ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় কঠোর তদারকি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বিল্ডিং কোড লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। পুরান ঢাকা এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার ভবনগুলোর একটি সম্পূর্ণ জরিপ পরিচালনা করে সেগুলো শক্তিশালী করার বা প্রয়োজনে ভেঙে ফেলার পদক্ষেপ নিতে হবে। এ কাজগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ, কিন্তু একটি বড় ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির তুলনায় এ বিনিয়োগ অত্যন্ত ক্ষুদ্র। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সর্বদা প্রতিকারমূলক ব্যবস্থার চেয়ে সাশ্রয়ী এবং কার্যকর।
সরকারি পর্যায়ে একটি সমন্বিত ভূমিকম্প প্রস্তুতি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা জরুরি। এ পরিকল্পনায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস্থা এবং স্থানীয় সরকারের সমন্বিত ভূমিকা থাকতে হবে। দুর্যোগব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরকে আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। প্রতিটি উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রশিক্ষিত দুর্যোগ সাড়াদান দল থাকা প্রয়োজন। হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে ভূমিকম্প-সহনশীল করতে হবে এবং দুর্যোগকালীন চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য প্রস্তুত রাখতে হবে।
গণমাধ্যমের ভূমিকাও এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টেলিভিশন, রেডিও, সংবাদপত্র এবং সামাজিক মাধ্যমগুলো ভূমিকম্প-সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে। নিয়মিত সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান প্রচার এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত তুলে ধরার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করা সম্ভব। মসজিদ, মন্দির, গির্জা এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও এ সচেতনতা প্রসারে ভূমিকা রাখতে পারে। সম্প্রদায়ভিত্তিক সংগঠনগুলো স্থানীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও মহড়ার আয়োজন করতে পারে।
আমাদের মনে রাখতে হবে যে, ভূমিকম্প প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, কিন্তু এর ক্ষয়ক্ষতি কমানো অবশ্যই সম্ভব। জাপান, চিলি বা নিউজিল্যান্ডের মতো দেশগুলো নিয়মিত বড় মাত্রার ভূমিকম্প অনুভব করে, কিন্তু তাদের প্রস্তুতির কারণে প্রাণহানি এবং সম্পদের ক্ষতি তুলনামূলকভাবে কম হয়। আমাদেরও তাদের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের প্রস্তুতি জোরদার করতে হবে। ভূমিকম্প-সহনশীল ভবন নির্মাণের প্রযুক্তি এখন সহজলভ্য। প্রয়োজন শুধু সদিচ্ছা এবং কার্যকর বাস্তবায়ন।
রিখটার স্কেলে পাঁচ মাত্রার ভূমিকম্প যখন এত ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে, তখন সাত মাত্রার ভূমিকম্পে আমাদের পরিস্থিতি কেমন হতে পারে, সেই ভয়াবহ অঙ্কটি আমাদের রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা বিভাগকে এখনই কষে ফেলতে হবে। ২১ নভেম্বরের পর ভূমিকম্পকে অনেক বিশেষজ্ঞ ফোর শক হিসেবেও বিবেচনা করছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৬ থেকে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের অর্ধেকের বেশি ভবন সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অসংখ্য হতাহতের ঘটনার আশঙ্কা প্রবল। কিন্তু অতীত অভিজ্ঞতা বলে প্রতিবারই আতঙ্কের রেশ কাটতে কাটতেই তা হাওয়ায় মিশে যায়, সরকারি কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয় না।
ঢাকা শহরের মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরে সাত মাত্রার ভূমিকম্প হলে লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারে, অসংখ্য ভবন ধসে পড়তে পারে, এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে কয়েক ট্রিলিয়ন টাকা। এ বিপর্যয় থেকে পুনরুদ্ধার হতে কয়েক দশক লেগে যেতে পারে। তাই এখনই প্রস্তুতি নেওয়া শুধু বুদ্ধিমানের কাজ নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।
আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত এবং নেপালেও ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে এবং তারা এ বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা একে অপরের অভিজ্ঞতা থেকে উপকৃত হতে পারি। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের আদান-প্রদান, যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং সর্বোত্তম চর্চা ভাগাভাগির মাধ্যমে আমরা আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারি। জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও দুর্যোগঝুঁকি হ্রাসের ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করে থাকে, যা আমরা কাজে লাগাতে পারি।
বস্তুত, গতকালের ভূমিকম্প আমাদের সমগ্র জাতিকে একটি নির্মম প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে যে আমরা কি সত্যিই প্রস্তুত? নাকি ১৭৬২ বা ১৮৯৭ সালের মতো একটি বড় বিপর্যয় ঘটার আগে পর্যন্ত আমরা নিষ্ক্রিয় থাকব? প্রকৃতি আমাদের সতর্ক করে, কিন্তু প্রস্তুতির দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে আমাদের নিজেদের। আমরা যদি এখনই সক্রিয় না হই, তাহলে আগামীতে যে বিপর্যয় আসবে, তার দায়ভার কাউকে দিয়ে এড়ানো যাবে না। সময় এখনো আছে, কিন্তু খুব বেশি নয়। এখনই প্রস্তুতি শুরু করতে হবে, নইলে পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ।
২১ নভেম্বরের ভূমিকম্প একটি জাগরণী বার্তা। এ বার্তা যদি আমরা গ্রহণ করি এবং তৎক্ষণাৎ কার্যকর পদক্ষেপ নিই, তাহলে আগামী দিনের সম্ভাব্য বড় ভূমিকম্প থেকে আমরা নিজেদের এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে পারব। কিন্তু যদি আমরা আবারও এ সতর্কবার্তা উপেক্ষা করি, তাহলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না। ভূমিকম্পের মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকা শুধু সরকারের নয়, প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। আসুন, আমরা সবাই মিলে এ দায়িত্ব পালন করি এবং একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি।
লেখক: অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

