জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এখনো শেখ পরিবারের তিনজন কাজ করছেন। তাদের নিয়োগের বিষয় পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি।
শনিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠকে এ দাবি তুলে ধরেন দলটির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
বৈঠক শেষে আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, গত ১৬ বছর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় জনগণের পক্ষে, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোয় জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। গণহত্যা নিয়ে জাতিসংঘের ১১৪ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে দেওয়া সুপারিশ বাস্তবায়নে সংস্থাটির সাহায্য প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি, জাতিসংঘের ৩টি প্রতিষ্ঠানে এখনো পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার তিনজন আত্মীয় কাজ করছেন। আমি জাতিসংঘের মহাসচিবকে বলেছি, ‘জাতিসংঘ যেহেতু মানবাধিকার চায়, ইনসাফ চায়, ইনসাফটা যেন শুরু হয় জাতিসংঘের নিজের অফিস থেকে। আমরা বলেছি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় শেখ হাসিনার মেয়ে কাজ করছেন, ইউএনডিপিতে সুশাসনের উপদেষ্টা হিসেবে শেখ রেহানার ছেলে ববি কাজ করছেন ও ববির স্ত্রী কাজ করছেন মাইগ্রেশন অর্গানাইজেশনে। আমরা এই নিয়োগগুলো পুনর্বিবেচনা করার জন্য বলেছি।’
ফুয়াদ বলেন, ‘বাংলাদেশে মানবাধিকার কমিশনের অস্থায়ী কার্যালয় খোলা যায় কি না, তাহলে গণহত্যা ও মানবাধিকারবিরোধী অপরাধের বিচার দেখাশোনা করা যেতে পারে। ভবিষ্যতে বিচার প্রক্রিয়ার আন্তর্জাতিক মান নিয়ে কোনো প্রশ্ন তৈরি না হয়, সেই মানটা রাখতে ২-৩ বছরের জন্য অফিস খোলার কথা বলেছি। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য জাতিসংঘ যে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সেটা যেন আরও বেগবান করা হয়- এসব বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবকে বলেছি।’
মাহফুজ/