রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে লেকশোর হোটেলে এই ইফতারের আয়োজন করে দলটি। এতে বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় নাগরিক পার্টি, এনডিএম, ১২ দলীয় জোটসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে কেন্দ্রীয় নেতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এদিন ইফতার পূর্ববর্তী সময়ে মিলনমেলায় পরিণত হয় লেকশোর হোটেল।
এসময় একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশকে নতুন করে পুনর্গঠনের জন্য সব রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐকমত্যে পৌঁছানোর উদাত্ত আহ্বান জানান এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেন, আমরা যারা এতদিন নীপিড়িত ও ফ্যাসিবাদের অত্যাচারে জর্জরিত ছিলাম, তাদের অনৈক্য ও সংঘাতে ফ্যাসিবাদের পুণরুত্থান ঘটলে তা হবে খুবই দুঃখজনক। হাজারো মানুষের রক্তের সঙ্গে তা হবে সুস্পষ্ট বিশ্বাসভঙ্গ। অন্তর্বর্তী সরকার, সব রাজনৈতিক দল, বিবেকবান নাগরিক এবং বিপ্লবী ছাত্রসমাজকে তাদের প্রাজ্ঞ ভূমিকা পালন করে সংস্কারের মহৎ উদ্যোগগুলোকে ত্বরান্বিত করতে হবে।
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আওয়াল মিন্টু, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ১২ দলীয় জোটপ্রধান ও জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আকতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনীম জারা, মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান, এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়ক আবুল হাসান রুবেল, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, এলডিপি মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাঈল জবিউল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান প্রমুখ।
কুটনীতিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত এইচই রেটো রেংগলী, কোরিয়ান রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়াং-সিক, পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত এইচ ই সায়েদ মারুফ, মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল ইউনিটের প্রধান ম্যাথিউ বেহ, পলিটিক্যাল অফিসার জেমস স্টুয়ার্ট, যুক্তরাজ্য দূতাবাসের ফার্স্ট পলিটিক্যাল সেক্রেটারি ভেনেসা বিউমন্ট, হেড অব পলিটিক্যাল অ্যান্ড গভর্নেন্স দোয়িন এডেল, জার্মান দূতাবাসের সিল্কে শ্মিয়ার, ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ ওয়াসিফ, পলিটিক্যাল অফিসার কামরান দাঙ্গাল, জাতিসংঘ দূতাবাসের পিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসার নাদিম ফরহাদ, কানাডিয়ান দূতাবাসের পলিটিক্যাল অফিসার সিওভান কের, নেদারল্যান্ড দূতাবাসের পলিটিক্যাল এ্যান্ড কালচারাল অফিসার নামিয়া আক্তার, চীনের ডেপুটি হাইকমিশনার লিউ ইউন, পলিটিক্যাল অফিসার লিউ হোংরে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পলিটিকাল অফিসার সেবাস্তিয়ান রিগার ব্রাউন, মালয়েশিয়ার ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ আসজুয়ান, অষ্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ক্লিন্টন পবকে প্রমুখ।
বু্দ্ধিজীবী ও বিশিষ্ট নাগরিকদের মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. দিলারা চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ড. মামুন আহমেদ, পটুয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আব্দুল লতিফ মাসুম, বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মোজাহেরুল হক, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক কবি আব্দুল হাই শিকদার, দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দীন, কালবেলা সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মাহবুবুল আলম গোরা, খবরের কাগজের নির্বাহী সম্পাদক এনাম আবেদীন, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম আব্দুল্লাহ, ডিইউজের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা হাতেম আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম, সাবেক রাষ্ট্রদূত সাকিব আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) ইমামুজ্জামান বীর বিক্রম, সাবেক চিফ অব স্টাফ জেনারেল লে. জেনারেল (অব.) নাজিম উদ্দিন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল্লাহিল আমান আজমী, লে. জেনারেল হাসান নাসির প্রমুখ।
শফিকুল ইসলাম/এমএ/