ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
লা রোজার সামনে রূপকথার নায়ক! ১৫ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি পেছনে যুদ্ধ, সামনে বিশ্বকাপ মরুর সাহস, উরুগুয়ের ইতিহাস দুর্দান্ত বেলজিয়ামের সামনে সালাহর মিসর নেদারল্যান্ডসকে জিততে দিল না জাপান প্রথম ম্যাচে যে রেকর্ড ডাকছে মেসিকে কুরাসাওয়ের কোচের বিশ্বরেকর্ড প্রত্যাবর্তন জয়ে রাঙাতে চায় সুইডেন গোলশূন্য থেকে বিরতিতে জাপান-নেদারল্যান্ডস কুরাসাওকে ৭-১ গোলে হারিয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি কুরাসাওয়ের জালে ৭ গোল জার্মানির খুদে বিজ্ঞানীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান প্রথমার্ধে ইতিহাস গড়ল কুরাসাও, ৩ গোল দিল জার্মানি মমতার দলে সংকট আরও গভীর, বিদ্রোহী এমপি বেড়ে ২২ জোটার স্মরণে বিশ্বকাপে বিশেষ উদ্যোগ নিল পর্তুগাল হোম অব ক্রিকেটে লিটনের অন্য রকম প্রথম ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রামে চাঁদপুরের তিন প্রতিষ্ঠানের কৃতিত্ব চট্টগ্রামে মা-মেয়েকে হত্যা, নেপথ্যে অটোরিকশার চুক্তিপত্র নিয়ে বিরোধ বেরোবির রাজস্ব বাজেট ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন আজ ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টে গ্রেপ্তারের কথা শুনে চোখ খুলছেন না শিবির নেতা জিসান ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন মেনে না নিলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হতো: শফিকুর রহমান গাংনীতে কুকুরের কামড়ে শিশুসহ আহত ১৭ পাবনায় স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, অভিযুক্তের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ ফটিকছড়িতে বায়তুল ক্বোবা তৈয়্যবিয়া জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠার জন্য ভূমি হস্তান্তর শ্রমিক অবরোধে আড়াই ঘণ্টা স্থবির ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক বন্দরে বেতনের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ আইএইচএফ ট্রফিতে দুই বিভাগে রূপা জিতল বাংলাদেশ
Nagad desktop

আমরা বেঁচে থাকতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আপস নয়: নজরুল ইসলাম

প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৫, ০৪:০৬ পিএম
আপডেট: ১৯ মে ২০২৫, ০৪:২০ পিএম
আমরা বেঁচে থাকতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আপস নয়: নজরুল ইসলাম
নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র প্রতিহতকরণ ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের দাবিতে ১২ দলীয় জোটের সমাবেশ। ছবি: সংগৃহীত

বেঁচে থাকতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আপস নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

সোমবার (১৯ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র প্রতিহতকরণ ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করে ১২ দলীয় জোট।

তিনি বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন করছি বলে আলোচনা হচ্ছে! যেই দলটা সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত, দলের চেয়ারপারসনকে বিনা কারণে কারাগারে রেখেছে। তারেক রহমানকে নির্বাসনে রেখেছে। ছোট ভাই মালয়েশিয়ায় মারা গেছেন। বিএনপির মহাসচিবসহ এমন কোনো নেতা-কর্মী নেই যার বিরুদ্ধে মামলা দেন। আর আমরা আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন করছি! এটা কী সম্ভব? এসব ফাইজলামির শেষ হওয়া উচিত। আমরা বেঁচে থাকতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আপস হবে? কেউ করতে গেলেও আমরা বাধা দেব।’

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘দীর্ঘ ১৬ বছরের বেশি সময় ধরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন করে যাচ্ছি। জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী  এই আন্দোলনে ১৭শ‘র বেশি মানুষ মারা গেছেন। জুলাই আন্দোলনে হাজারের বেশি মানুষ খুন হয়েছেন। লাখ লাখ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। এরপরও আন্দোলন করেছি। যার মূল লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা ও ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটানো। শেষ পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছেও। তবে জনগণের নির্বাচিত সরকার তথা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘শহিদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে দেশে জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সেজন্য কিছু মেরামত প্রয়োজন। ফলে সংস্কারের দাবি ওঠে। অবশ্য যখন কেউ সংস্কার নিয়ে কথা বলেনি তখন ২০১৭ সালে খালেদা ‘ভিশন-২০৩০ ঘোষণা দেন। এরপর ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই তারেক রহমান ২৭ দফা রূপরেখা ঘোষণা করেন। যেটি সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তীতে ৩১ দফা করা হয়েছে। আজ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার যে সংস্কার প্রস্তাব করছে সেগুলো আমাদের ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে। আমরা কখনও জনগণের ভোটে ক্ষমতায় গেলে সেই রূপরেখা বাস্তবায়ন করব ইনশাআল্লাহ।’ 

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা সংস্কার চাই। তবে সেটি অবশ্যই প্রয়োজন এবং সক্ষমতা অনুযায়ী হতে হবে। সংবিধান সংশোধনের জন্য পরবর্তী সংসদের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ঐকমত্য কমিশনে আমরা যারা ঐকমত্য পোষণ করেছি সেটার একটা তালিকা করে সনদ করা হোক। তাহলেই তো সমস্যা থাকার কথা না। ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে বাধা কেনো? নির্বাচন দেরি কেনো হবে তার ব্যাখ্যা তো আপনাদেরকে দিতে হবে। আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ ও সরকার চাই।’

বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন সেলিম বলেন, ‘তারেক রহমানকে দেশে ফেরার নিশ্চয়তা দিন। কিন্তু আপানারা কোনো কথা বলেননি। নির্বাচন নিয়ে আবারও দাবি জানাতে হবে সেটি ভাবিনি। আজকে ড. ইউনূসের চারপাশে মাফিয়া চক্র ঘিরে রেখেছে। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চক্রান্ত চলছে। যা দেশের জন্য বিপজ্জনক। প্রেস সচিবের পদত্যাগ দাবি করছি।’ 

বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, ‘আমরা চব্বিশের ৫ আগস্টের পর একটি স্বপ্ন বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু এখন প্রধান উপদেষ্টার মুখেই স্বৈরাচারের প্রতিধ্বনি শুনতে পাই। তলে তলে মানবিক করিডোর দিয়ে বাংলাদেশকে আরেকটি পূর্ব তিমুর বানানোর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তারা বাংলাদেশের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। সেটি হতে দেওয়া হবে না। অবিলম্বে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করুন।’

জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোট প্রধান মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব তমিজ উদ্দিন টিটুর সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, জোটের সমন্বয়ক বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, বাংলাদেশ এলডিপির অতিরিক্ত মহাসচিব আবুল বাশার, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি জাকির হোসাইন ও নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির মহাসচিব ইমরুল কায়েস প্রমুখ। 

শফিকুল ইসলাম/সুমন

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন মেনে না নিলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হতো: শফিকুর রহমান

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন মেনে না নিলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হতো: শফিকুর রহমান
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: খবরের কাগজ

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন মেনে না নিলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা ছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রবিবার (১৪ জুন)  রাত ৯টায় সিলেট সার্কিট হাউসে স্থানীয় ১১ দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

নির্বাচনের ফলাফলে কারসাজির অভিযোগ এনে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘আমরা সাড়ে ১৭ বছর একটা কঠিন অবস্থা অতিক্রম করেছি। সাড়ে ১৭ বছর পর এবার একটা অর্থবহ নির্বাচন জাতি আশা করেছিলো। আমার ব্যক্তিগত মত, নির্বাচন সুন্দর হয়েছে। কিন্তু ফলাফল সুন্দর হয়নি। ফলাফলে অনেককিছু করা হয়েছে। যেটা এখন অনেকে স্বীকার করছেন। আমরা দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছি। ফলাফল মেনে না নিলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা ছিলো। আর যেসব দেশে একবার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে তারা আর এর থেকে বের হতে পারেনি।’

সাবেক আউজি বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর বলেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড এলার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন। কিন্তু তিনি দুবাইর কারাগারে থাকবেন নাকি দেশে আনা হবে তা সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে।’

সীমান্তে অব্যাহত উত্তেজনা চলছে জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘ওপার থেকে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে। আমরা দুই দুইবার স্বাধীন হলাম, কিন্তু প্রকৃত স্বাধীনতা পেলাম কী? জাতির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে আমরা কোনো আপোষ করব।’ 

সংসদে নিজেদের ভূমিকা প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, ‘সংসদে বিরোধী দল চরমপন্থা ও গরমপন্থা অবলম্বন করবে না, মধ্যমপন্থা অবলম্বন করবে। সংসদকে আর আমরা মমতাজের সংসদ বানাতে চাই না।

সরকারি দল ইতোমধ্যে স্পষ্টভাবে জাতির সঙ্গে দেওয়া ওয়াদা লঙ্ঘন করেছে দাবি করে জামায়াত আমির বলেন, ‘জনগণের রায় ব্যর্থ হলে টেকসই গণতন্ত্র বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে লড়াই চলবে। তবে সরকার দায়িত্বশীল আচরণ করলে দেশ ভাল থাকবে। নির্বাচন ভালো হলেই শাসক ভাল হবে এর প্রমাণ নেই।’

প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘বাজেটে অনেককিছু ওয়েভার এসেছে। কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও মোটরসাইকেলের ওপর সরকার কর বসাবে কি না সেটা জানতে চান তিনি। দুর্নীতি বন্ধ আর দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে কি না এই দু'টি বিষয়ের স্পষ্ট উল্লেখ নাই বাজেটে।’

রিফাত/

বেরোবিতে শিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুমের নাটক’ অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
বেরোবিতে শিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুমের নাটক’ অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

ছাত্রশিবিরের এক কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ হত্যার মামলার সুষ্ঠু বিচার দাবি এবং ‘গুমের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শাখা ছাত্রদল।

রবিবার (১৪ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, গুম ও অপহরণের মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংঘবদ্ধভাবে মিথ্যা প্রচারণা চালানোর অভিযোগও তোলেন তারা। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা।

বেরোবি ছাত্রদলের সভাপতি রাফায়েল ইমতিয়াজ ইয়ামিন বলেন, ‘নারীরা আজ জামায়াত-শিবিরের কারণে অনিরাপদ। কেউ প্রতিবাদ করলে তারা চরিত্রহনন করে। এজন্য বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীরা তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে না। আমরা দেখেছি, নারীকে লাথি দিয়ে ফেলে দেওয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তারা ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিয়েছিল। 

এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা জামায়াত-শিবির প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই, জিসান মিয়া প্রধানের বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ হত্যার বিচার করতে হবে তাকে ফাঁসিতে ঝুলাতে হবে।জামায়াত-শিবিরকে বলতে চাই, এসব গুমের নাটক করবেন না। গুমের নাটক সাজিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবেন না।

এদিকে ছাত্রদলের এ কর্মসূচিকে ‘হাস্যকর’ আখ্যা দিয়েছে বেরোবি ছাত্রশিবির। সংগঠনটির নেতা আহমেদুল হক আলবির বলেন, এটি ছাত্রদলের দেউলিয়াত্বের প্রমাণ। জিসান মিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো অস্পষ্ট। প্রশাসন এখানে বাদী ও বিবাদী কাউকে সামনে আসতে দিচ্ছে না। আর ঘটনাটি এখনো প্রমাণিত হয়নি। অভিযোগ ওঠা আর প্রমাণিত হওয়া এক জিনিস নয়। তাই এ বিষয়ে আমাদের বক্তব্য দেওয়া সমীচীন হবে না।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর লাকসাম থেকে উদ্ধার হন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধান। পরে তার বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণ এবং জোরপূর্বক ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।

এ ঘটনায় কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জিসান মিয়া প্রধান অপহরণের শিকার হননি। পুলিশের দাবি, নিজের পরিচয় গোপন করে এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পর আইনি জটিলতা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান। জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আজম/রিফাত/

যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি দাসত্বের আদেশনামা, বাজেটে ঠাঁই হয়নি শ্রমিক-কৃষকের: ওয়ার্কার্স পার্টি

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৮ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি দাসত্বের আদেশনামা, বাজেটে ঠাঁই হয়নি শ্রমিক-কৃষকের: ওয়ার্কার্স পার্টি
ছবি: খবরের কাগজ

বিএনপি সরকারের ঘোষিত ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ বাজেটকে আমজনতার ওপর বাড়তি চাপ হিসেবে আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি ও ভারতের সীমান্ত নীতির তীব্র সমালোচনা করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি।

দলটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ‘অন্যায়’ বাণিজ্য চুক্তি বহাল থাকলে বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বা বাণিজ্যিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে পারবে না। এটি মূলত বাংলাদেশের ওপর এক ধরনের ‘আদেশনামা’।

রবিবার (১৪ জুন) সকালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পার্টির ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

বিএনপি সরকারের চার মাসের কার্যক্রমের মূল্যায়ন করতে গিয়ে সাইফুল হক বলেন, ‘সরকারের কথিত অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেটে দেশের প্রধান উৎপাদক শ্রেণী শ্রমিক-কৃষকদের বিশেষ কোনো জায়গা হয়নি। সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন স্কেল হলেও শ্রমিকদের জন্য জাতীয় ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের কোনো খবর নেই। কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তিও নিশ্চিত করা হয়নি।’

এই ঘাটতি বাজেটের পুরো চাপ শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপরেই বর্তাবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরতে না পারলে প্রবৃদ্ধির কোনো হিসাবই জনগণের কাজে আসবে না।’ চলমান সংসদ অধিবেশনেই আলোচনা করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা ‘জাতীয় স্বার্থবিরোধী’ চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বন্ধুত্বের বার্তাকে স্বাগত জানিয়ে সাইফুল হক বলেন, ‘এই বার্তা যদি আন্তরিক হয়, তবে অবিলম্বে ভারতকে বিএসএফ কর্তৃক সীমান্তে পুশ-ইন ও হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হবে। ভারত এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সৎ প্রতিবেশীর পরিচয় দিতে পারেনি। সমতা, ন্যায্যতা ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সমাধানে ভারতকে এগিয়ে আসার তাগিদ দেন তিনি।’

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক ধারায় দেশকে এগিয়ে নেওয়ার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কোনোভাবেই নষ্ট করা যাবে না উল্লেখ করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক। 

সাইফুল হক  বলেন, ‘জনপ্রত্যাশা পূরণে সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সরকার যেটুকু এগিয়েছে, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সেই অগ্রগতি দেখাতে পারছে না। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি সরকারের ভালো কাজের যেমন প্রশংসা করবে, তেমনি দেশ ও জনস্বার্থবিরোধী পদক্ষেপের কড়া বিরোধিতা করবে।’

কেন্দ্রীয় নেতা আকবর খানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী ও আবু হাসান টিপু, মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, মাহমুদ হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য স্নিগ্ধা সুলতানা ইভা, সাইফুল ইসলাম এবং অরবিন্দু বেপারী বিন্দুসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন নেতা-কর্মীরা। পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, তোপখানা রোড ও বিজয়নগর প্রদক্ষিণ করে সেগুনবাগিচায় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/

জাহাঙ্গীরনগরে শিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:২০ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:২২ পিএম
জাহাঙ্গীরনগরে শিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

ছাত্রশিবির কর্তৃক গুমের নাটক সাজিয়ে প্রকৃত গুমের শিকারদের অবমাননা, অনলাইনে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং নারী ধর্ষণসহ নারী নির্যাতনের অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

রবিবার (১৪ জুন) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। 

মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহিদ মিনার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে ‘বাহ শফিক চমৎকার, ধর্ষকদের পাহারাদার’, ‘ধর্ষণ করে গুমের নাটক, চলবে না চলবে না’, ‘গুমের নাটক করে যারা, দেশবিরোধী শত্রু তারা’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

মিছিল শেষে শহিদ মিনার এলাকায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়। সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ওয়াসিম আহমেদ অনিক বলেন, ‘গুম একটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধ। হাসিনা সরকারকে হালকাভাবে দেখানোর জন্য বিরোধী দল এ ধরনের নাটক সাজিয়ে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এটি দেশের বিরুদ্ধে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র কি না তা সরকারকে খতিয়ে দেখতে হবে।’

তিনি বিরোধী দলকে গঠনমূলক রাজনীতি করার আহ্বান জানিয়ে প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। শিবিরের ভণ্ডামির তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি প্রকাশ্য ও প্রতিযোগিতামূলক রাজনীতির পক্ষে মত দেন।

শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির হিরণ বলেন, ‘শিবির নেতা একজন বোনকে ধর্ষণ করে ভ্রূণ হত্যা করেছে এবং নিজে অপহরণের নাটক সাজিয়েছে।’

তিনি জামায়াত-শিবিরকে ‘অপরাধ জগতের সংগঠন’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ‘এতে ঢোকা সহজ কিন্তু বের হওয়া কঠিন। গুপ্তভাবে ক্যাম্পাসে তাদের কমিটি চালানোর সমালোচনা করেন তিনি।’

জাবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ রুবেল বলেন, ‘কুমিল্লায় একজন ছাত্রশিবির নেতা ধর্ষণ করে ‘গুমের নাটক’ সাজিয়ে সরকারের ওপর দায় চাপানোর অপচেষ্টা করেছিল, যেখানে জামায়াত-শিবিরের উচ্চপর্যায়ও জড়িত। এর মাধ্যমে তারা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করেছে। ধর্ষণ করে গুমের নাটক করা প্রকৃত গুমের শিকার পরিবারগুলোর বেদনাকে অবমাননা করার শামিল। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করছি।’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমাপনী বক্তব্যে সংগঠনের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানের পর শান্তিপূর্ণ রাজনীতির সুযোগ ছিল। কিন্তু ইসলামী ছাত্রশিবির বিএনপি ও ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিবিরের এক নেতা নারী ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যায় জড়িত থাকার পর গুমের নাটক সাজিয়ে প্রকৃত গুমের শিকারদের অবমাননা করেছে এবং সরকারকে মিথ্যা দোষারোপ করেছে।’ 

শিবিরকে সুষ্ঠু রাজনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অন্যথায় প্রতিহত করা হবে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সমাবেশে ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের অর্ধশত নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আমানউল্লাহ খান/রিফাত/ 

নিজের বিরুদ্ধেও অনিয়ম-দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের আহ্বান এমপি মুশফিকুর রহমানের

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:৪২ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:১৬ এএম
নিজের বিরুদ্ধেও অনিয়ম-দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের আহ্বান এমপি মুশফিকুর রহমানের
ছবি: খবরের কাগজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান সাংবাদিকদের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিরপেক্ষভাবে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, 'এলাকার উন্নয়ন, সমস্যা কিংবা কোনো অনিয়মের তথ্য থাকলে তা তুলে ধরতে হবে। প্রয়োজনে নিজের বিরুদ্ধেও সংবাদ প্রকাশ করতে সাংবাদিকদের আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান বলেন, 'আমি চাই, এলাকার কোথায় কী হচ্ছে, কী হচ্ছে না, উন্নয়ন হচ্ছে কি না-এসব বিষয় নিয়ে আপনারা লিখুন। কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির তথ্য থাকলে সেটিও তুলে ধরুন। আমার বিরুদ্ধেও যদি কিছু থাকে, তাও লিখবেন'।

সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, 'সাংবাদিকদের জন্য একটি ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান'।

মতবিনিময় সভায় আখাউড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. মানিক মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুন্নবী ভূঁইয়া সংসদ সদস্যের হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন।

এর আগে উপজেলা পরিষদ মাঠে কুটিরশিল্প পণ্যের একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুশফিকুর রহমান। পরে তিনি সেখানে একটি বৃক্ষরোপণ করেন। সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন।

দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া, বিএনপি নেতা খন্দকার মো. বিল্লাল হোসেন, নাছির উদ্দিন হাজারী, আবুল মুনসুর মিশন, মো. বাহার মিয়া ও শওকত হোসেন খান সোহাগসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিরা।

জুটন বনিক/থিও