ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রদ্রিকে নিয়ে সমালোচনা ‘অপমানজনক’ ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে স্পেন গোল দিয়ে শুরু মরক্কোর জয়ের খোঁজে নেদারল্যান্ডস ফুরফুরে মেজাজে ইংলিশরা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে জয় পেল যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বিধিনিষেধ ফিফার কাছে অভিযোগ করবে ইরান ২-০ গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র শুরুতেই আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচে অভিষেক হবে স্প্যানিশ হার্নান্দেজের সিরিজ হারের পর বাংলাদেশ শিবিরে দুসংবাদ হোর্হে মেসির গুজব ছড়ানোয় বরখাস্ত তিস্তা মহাপরিকল্পনা শিগগিরই একনেকে পাস হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী চাঁদপুরের সানজিদার বিশ্বজয়, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ কোটি টাকার পূর্ণাঙ্গ বৃত্তি জাবিতে শিক্ষামন্ত্রীর আগমনে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ ধর্ষণের অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি মরক্কোর অধিনায়ক হাকিমি গণপিটুনির শিকার চার ডিবি সদস্য গ্রেপ্তার, অপহরণ চেষ্টার মামলা শিশুস্বাস্থ্যে বড় উদ্যোগ, ৬ মাসে চালু ৫ বিশেষায়িত হাসপাতাল জামালপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ বিশ্বকাপে মরক্কোর নতুন বিস্ময় আয়ুব বুয়াদ্দি সংবাদ প্রকাশের জেরে বগুড়ার সাংবাদিক কারাগারে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের ২৬১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ব্রাজিল ম্যাচে থাকছে বিরল ৫০০ বছরের পুরোনো ফুটবল লেখক শিবিরের ১৭তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত ইসরাইল-হিজবুল্লাহ সংঘাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, স্বস্তির আশা ছারছীনা দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব স্মরণে মিশরে আন্তর্জাতিক সেমিনার হিলি স্থবন্দরের পাইকারি বাজারে বেড়েছে চালের দাম অস্ট্রেলিয়ার গতিময় কাউন্টার-অ্যাটাকে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র নোয়াখালীতে মোটরের তারে জড়িয়ে প্রাণ গেলো মা-ছেলের প্রতিবেশী দেশ মাদক ঢুকিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে চায়: প্রতিমন্ত্রী টুকু রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান

পরিবর্তন আসছে জাতীয় পার্টিতে

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৫, ০৮:১৩ এএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
পরিবর্তন আসছে জাতীয় পার্টিতে
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

নানা টানাপড়েন থাকলেও জাতীয় পার্টির (জাপা) খোলনলচে অনেকটা বদলে যাচ্ছে। দলটির মহাসচিব পরিবর্তনসহ শীর্ষ পদগুলোতে আসছে বড় ধরনের পরিবর্তন। 

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নুর বদলে আসতে পারেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর বিভাগের অতিরিক্ত মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। যদিও মহাসচিব পদে আরও বেশ কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে দলটির ঢাকা বিভাগীয় অতিরিক্ত মহাসচিব ও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা, প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়ার নামও শোনা যাচ্ছে। দলের মাঠপর্যায়ের নেতারা শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে পছন্দ করেন। জাপা চেয়ারম্যানও তাকে মনোনীত করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাঁচ বছর আগেই দলের তৃণমূল থেকে সর্বজনগ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে  মহাসচিব করার আবেদন আসে চেয়ারম্যানের কাছে। তবে কো-চেয়ারম্যানদের চাপে পড়ে তিনি মো. মুজিবুল হক চুন্নুকে দলের মহাসচিব পদে বহাল রাখেন। 

তৃণমূলের বেশ কয়েকজন নেতা খবরের কাগজকে বলেন, দলের অতিরিক্ত মহাসচিবদের মধ্যে শামীম হায়দার পাটোয়ারী তৃণমূলের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পৃক্ত রয়েছেন। দলের চেয়ারম্যান, মহাসচিবের পরে তৃণমূলের নানাসংকট সমাধানে শামীম হায়দার বেশি উদ্যোগী হয়েছেন। রাজনীতির বাইরে এসে তৃণমূল কর্মীদের ব্যক্তিগত নানাসংকটও দ্রুততম সময়ে তিনি সমাধান করেছেন বলে জানা গেছে। 

লিয়াকত হোসেন খোকা সম্প্রতি জি এম কাদেরের ঘনিষ্ঠ হলেও আগে রওশন এরশাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ রয়েছে। তাকে দলের তৃণমূলের একাংশ পছন্দ করলেও অধিকাংশ নেতা-কর্মী তার ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছেন। রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, তিনি দলের চেয়ারম্যানকে ভুল তথ্য সরবরাহ করেন। এ ছাড়া বিগত সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, উপনির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে (সরাইল-আশুগঞ্জ) প্রভাব খাটিয়ে নির্ধারিত প্রার্থীকে সরিয়ে নিজে প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচনের আগে দলের হয়ে কোনো প্রচার তিনি করেননি। প্রতিটি নির্বাচনে জামানত হারিয়ে দলকে ডুবিয়েছেন বলে তার বিস্তর সমালোচনা হয়েছে। জাপার প্রেসিডিয়ামে তার অন্তর্ভুক্তি নিয়েও প্রশ্ন আছে তৃণমূলের।  

এদিকে জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া তিন নেতাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। তারা হলেন, দলের সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কো-চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার ও মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু। দলের প্রেসিডিয়াম থেকে আরও বেশ কয়েকজন নেতাকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন সোলায়মান আলম শেঠ, নাজমা আকতার, নাসির মাহমুদ, জহিরুল ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া ও আরিফ খান।  

তবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের এ প্রশ্নে কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তবে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এ প্রসঙ্গে খবরের কাগজকে বলেন, ‘কোনো নোটিশ না দিয়ে হুট করে কাউকে দল থেকে বাদ দেওয়া একেবারেই অগণতান্ত্রিক, গঠনতন্ত্রের নিয়মবিরোধী। সাতজন প্রেসিডিয়াম সদস্যকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে দলের প্রেসিডিয়াম সভাতেও কোনো কথা হয়নি। আমি ওয়েবসাইটে ঢুকে দেখি সাতজন নেতার বদলে অন্য সাতজন আনকোড়া লোককে দলের প্রেসিডিয়ামে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আমরা আর চেয়ারম্যানের সঙ্গে কোনো আলোচনা করতে চাই না।’

কাউন্সিল অধিবেশন ডাকার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ও জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে ক্ষমতা চ্যালেঞ্জ করার উদ্যোগে দলের তৃণমূল নেতারা জি এম কাদেরের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দলের জন্য যারা ক্ষতিকর ও নেতিবাচক তাদের দল থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি তুলেছেন তারা। সম্প্রতি প্রেসিডিয়াম সভায় এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জি এম কাদের তার বিরোধীদের বিপক্ষে শক্ত অবস্থান গ্রহণ করেছেন বলে খবরের কাগজ নিশ্চিত হয়েছে। 

জি এম কাদের-ঘনিষ্ঠ একজন নেতা খবরের কাগজকে জানিয়েছেন, আলোচিত এই তিন নেতাসহ অনেকে বিগত সময়ে জি এম কাদেরকে চাপে রাখার জন্য শেখ হাসিনা সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে চলেন। এ জন্য আওয়ামী লীগ নেতারা বিভিন্ন সময়ে জি এম কাদেরকে চাপে রাখতেন। একপর্যায়ে তাকে নির্বাচনে যেতে বাধ্য করেছেন। ওই একই নেতারা এখন সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে জি এম কাদেরকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছেন। এর মধ্যে জাতীয় পার্টিকে ভাঙারও উদ্যোগ রয়েছে। এতে সরকারের ছোট্ট একটি মহলের ইন্ধন রয়েছে বলে জি এম কাদেরের কাছে খবর এসেছে। ফলে জি এম কাদেরের রাজনৈতিক অবস্থান যাই হোক না কেন তিনি এই নেতাদের সঙ্গে আর কোনো আপস করতে রাজি নন। এ কারণে তিনি দলের খোলনলচে বদলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 

জাপার দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম বলেন, ‘অতীতে যারা পতিত সরকারের সঙ্গে আপস করে চলেছে, যারা দল ভাঙতে চেয়েছে তাদের নিয়ে বরাবরই তৃণমূলের নেতাদের আপত্তি ছিল। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান যতবার স্বতন্ত্র রাজনীতি করতে চেয়েছেন, ততবার তারা বাধাবিঘ্ন সৃষ্টি করেছেন। এখন পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে আমরা যখন নিজস্ব ধারায় রাজনীতি করতে চলেছি, তখন তারা চেয়ারম্যানের ক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন। তাদের নিয়ে তৃণমূল নেতাদের যে ওজর-আপত্তি, এবার চেয়ারম্যান তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন।’

দলের মহাসচিব পদে পরিবর্তন নিয়ে এখন মুখ খুলতে নারাজ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী ও লিয়াকত হোসেন খোকা। তবে তারা দুজনেই তৃণমূলের নেতাদের মতামতকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন। 

ওদিকে জি এম কাদেরবিরোধী শিবিরকে চাঙা করতে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, রুহুল আমিন হাওলাদার রওশন-শিবির থেকে কাজী ফিরোজ রশীদ, গোলাম মসীহ্, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সুনীল শুভ রায়দের দলে টানার চেষ্টা করছেন। বাদ পড়া সাত প্রেসিডিয়াম সদস্যের সঙ্গেও তারা যোগাযোগ করছেন। তাদের মধ্যে সোলায়মান আলম শেঠ বলেন, ‘চেয়ারম্যান আমাকে হুট করে প্রেসিডিয়াম থেকে বের করে দিয়েছেন। তিনি কেন তা করেছেন, তা আমি জানি না। এখন আমি রাজনীতি করব কি না, তা ভাবছি। যে পরিস্থিতি এখন নিজের ব্যবসার দিকেই মনোযোগ দেব।’ 

জহিরুল ইসলাম জহিরও আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি বলেন, ‘মরহুম হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে দল করেছি। তার আদর্শেই রাজনীতি করি। আমি এর বাইরে গিয়ে কোনো কিছু করতে চাই না।’

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ খবরের কাগজকে জানিয়েছেন, তারা খুব শিগগির ঢাকায় জাপার দশম জাতীয় কাউন্সিল আয়োজন করবেন। এ কাউন্সিলের অনুমোদন নিতে তারা জাপার মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নুর স্বাক্ষরে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছেন। তবে চেয়ারম্যানের অনুমোদন ছাড়া তারা এ চিঠি ইসিতে দিতে পারেন কি না, জানতে চাইলে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘এ ক্ষমতা মহাসচিবের রয়েছে।’ 

বিরোধী শিবিরের এমন উদ্যোগে  মহাসচিব পরিবর্তনের তোড়জোড় শুরু হয়েছে কি না, জানতে চাইলে জাতীয় পার্টির দায়িত্বশীল নেতারা কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি। জাপার বর্তমান মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নুকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি সাড়া দেননি। 

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের ২৬১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:৫১ পিএম
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের ২৬১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার ২৬১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন।​

১৮ জুন কমিটি অনুমোদন দিলেও প্রকাশ হয়েছে শুক্রবার (১৯ জুন)। 

​ঘোষিত কমিটিতে তকিবুল হাসান চৌধুরী তকি-কে সভাপতি, গিয়াস উদ্দীন-কে সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং সরোয়ার হোসেন রুবেল-কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়া মিনহাজ উদ্দিন টিটু সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সুজাউদ্দৌলা সজিব সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মোট ৮৯ জন এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ৫২ জনকে মনোনীত করা হয়েছে।​ কমিটিতে অন্যান্য শীর্ষ পদের মধ্যে ৪৫ জন সহ-সভাপতি, ৫৭ জন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, ১ জন দপ্তর সম্পাদক ও ৩ জন সহ-দপ্তর সম্পাদক, ১ জন প্রচার সম্পাদক ও ৩ জন সহ-প্রচার সম্পাদক পদ পেয়েছেন।

 এছাড়াও বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে ৪৪ জন এবং কার্যকরী সদস্য হিসেবে ৫৪ জনকে অন্তর্ভুক্ত করে এই বিশাল আকৃতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি সাজানো হয়েছে।​কেন্দ্রীয় সংসদের নির্দেশনা অনুযায়ী, নবগঠিত এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি চট্টগ্রামের উত্তর জনপদে দলের ছাত্র রাজনীতিকে আরও গতিশীল ও বেগবান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।

এসএন/

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে কর্মী

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম
এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে কর্মী
এনসিপি কর্মীর সংবাদ সম্মেলন। ছবি: খবরের কাগজ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস. এম. সুজা উদ্দীনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন দলটির কর্মী সানজিদা সুলতানা ইভা। 

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নগরের কাজীর দেউড়ি এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সস্মেলন করেন ভুক্তভোগী। 

সংবাদ সস্মেলনে তিনি বলেন, গত ১৪ জুন সন্ধ্যা ৬টার দিকে জাতীয় নারী শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক এবং এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সদস্য সচিব সাদিয়া আফরিন আমাকে একাধিকবার ফোনকল ও বার্তা পাঠিয়ে জানায়, জাতীয় নারী শক্তির কমিটি গঠন ও সাংগঠনিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা রয়েছে। তাই তিনি আমাকে নগরের জিইসি মোড়স্থ হোটেল পেনিনসুলার টপ ফ্লোরে অবস্থিত বারে যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে দেখি এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস. এম. সুজা উদ্দীন, সাদিয়া আফরিন এবং আরও দুইজন অজ্ঞাতপরিচয় পুরুষ অবস্থান করছিলেন। নারী শক্তির কমিটি গঠনসংক্রান্ত বৈঠক বলা হলেও সাদিয়া আফরিন ছাড়া আর কোনো নারী সদস্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন না৷ তাই শুরু থেকেই বৈঠকের প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমার সন্দেহের সৃষ্টি হয়। বৈঠকের উদ্দেশ্য সাংগঠনিক আলোচনা বলে উল্লেখ করা হলেও সেখানে কোনো সাংগঠনিক বিষয়, কমিটি গঠন, কর্মপরিকল্পনা বা রাজনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয়নি। বরং আমার ব্যক্তিগত পরিচয়, পারিবারিক পটভূমি, শিক্ষাগত যোগ্যতা ইত্যাদি বিষয়ে আলাপ করা হয় এবং পরবর্তীতে আমাকে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখানো হয়। এরমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদ প্রদানের আশ্বাস, ব্যবসা পরিচালনার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত ছিল। 

তিনি বলেন, বৈঠকস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিরা ধূমপান করছিলেন এবং আমাকে ধূমপানে উৎসাহিত করার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে আমাকে মদ্যপানেও উৎসাহিত করা হয়। আমি এসবে অনাগ্রহ প্রকাশ করলে সাদিয়া আফরিন বারবার আমাকে সুজা উদ্দীনের কথামতো চলতে চাপ দেয়। একপর্যায়ে সাদিয়া আফরিন চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট থাকার অজুহাত দেখিয়ে বৈঠকের স্থান ত্যাগ করেন এবং আমাকে দুইজন পুরুষের উপস্থিতিতে একা রেখে যান। একজন নারী নেত্রী হিসেবে তার এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন, অস্বাভাবিক এবং সন্দেহজনক। পরে পারি, তিনি সেখানে আশপাশে অবস্থান করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন।

যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে সানজিদা বলেন, সাদিয়া আফরিন চলে যাওয়ার পর সুজা উদ্দীন আমার প্রতি অশোভন দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করেন এবং একাধিকবার অশালীন ও যৌন হয়রানিমূলক ইঙ্গিত দেন। তিনি বিভিন্নভাবে আমাকে ব্যক্তিগত সম্পর্কে জড়ানোর ইঙ্গিত ও অনৈতিক প্রস্তাব দেন। আমি তার প্রস্তাবে কোনো ধরনের ইতিবাচক সাড়া না দিলে তিনি বারবার ‘ডিল অর ডেথ’ বাক্যটি উচ্চারণ করতে থাকেন এবং তার প্রস্তাবে সম্মতি না দিলে নেতিবাচক পরিণতির ইঙ্গিত দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক সুবিধা, পদ-পদবি এবং আর্থিক সহযোগিতার লোভ দেখিয়ে আমাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন। পরিস্থিতি অস্বস্তিকর ও অনিরাপদ হয়ে উঠলে আমি বৈঠকের স্থান ত্যাগ করি। নিচে নেমে এসে সাদিয়া আফরিনকে প্রশ্ন করলে তিনি আমাকে বলেন, ‘রাজনীতি করতে হলে বড় পদ-পদবিধারীদের এভাবে পার্সোনাল সময় দিতে হয়, এটাই রাজনৈতিক কালচার।’

তিনি বলেন, আমরা নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার যে স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে কাজ করছি, দলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের মাধ্যমে এ ধরনের আচরণ সেই আদর্শের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। 

সংবাদ সম্মেলন শেষে এনসিপি কর্মী সানজিদা সুলতানা ইভা বলেন, আমি একটি ধর্মীয় ও মুল্যবোধসম্পন্ন পরিবারে বেড়ে উঠেছি। রাজনীতিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমি দেশ ও সমাজের জন্য ইতিবাচক কিছু করার স্বপ্ন দেখেছি। কিন্তু সাংগঠনিক বৈঠকের কথা বলে আমাকে একটি আবাসিক হোটেলের বারে ডেকে নিয়ে এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি করা আমার জন্য অত্যন্ত অপমানজনক, বেদনাদায়ক এবং রাজনৈতিকভাবে হতাশাজনক। আমি কোনো ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে এখানে আসিনি। আমি ন্যায়বিচার চাই। আমি চাই, আমার অভিযোগের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত হোক। যদি আমার অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ভবিষ্যতে কোনো নারী কর্মী যেন এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার না হন এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নারীদের জন্য নিরাপদ, সম্মানজনক ও জবাবদিহিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। আমি ইতোমধ্যে বিষয়টি দলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে লিখিতভাবে জানিয়েছি।

এসএন/

আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতা বাদশা

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১১:৫২ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ পিএম
আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতা বাদশা
খন্দকার জামাল উদ্দিন বাদশা। ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার দাওগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চেয়ারম্যান খন্দকার জামাল উদ্দিন বাদশাকে কারাগারে পাঠিয়ে আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগেও তিনি একাধিক মামলায় দীর্ঘদিন কারা ভোগ করেছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক মামলার আসামি খন্দকার জামাল উদ্দিন বাদশা। মে মাসে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নিম্ন আদালতে (ময়মনসিংহ দায়রা ও জজ আদালত) আত্মসমর্পণ করেন। এসময় বিচারকের নির্দেশে পুলিশ তাকে কারাগারে পাঠায়।

আসামিকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহের আদালত পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান।

কামরুজ্জামান মিন্টু/এসএন

সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম
সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই
হারুণ অর রশীদ। ছবি: সংগৃহীত

কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বর্ষীয়ান এ রাজনীতিক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

হারুন অর রশীদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতিও ছিলেন। তার মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রাজনীতির পাশাপাশি আইন পেশায়ও নিয়োজিত ছিলেন হারুন অর রশীদ। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই ইউনিয়নে।

রাষ্ট্র পরিচালনায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন হারুন অর রশীদ। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

তার মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহমুদ শ্যামল এমপি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা প্রশাসক আলহাজ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা বিএনপির সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহসভাপতি মো. মহসীন মোল্লাসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

আজিজুল সঞ্চয়/এসএন

সংসদে মামুনুল হক প্রসঙ্গে দেওয়া বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
সংসদে মামুনুল হক প্রসঙ্গে দেওয়া বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির মাওলানা মামুনুল হকের পরকীয়া ও মুতা বিয়ে ঘটনা প্রসঙ্গে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাকের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরে সরকারি ও বিরোধী দলের অনুরোধে বক্তব্যের একটি অংশ কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ করার নির্দেশ দেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “কোন রাজনৈতিক নেতার জীবনের অন্ধকার দিক সংসদে আলোচনার বিষয় নয়।”

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের দশম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে খোন্দকার আবু আশফাক বিষয়টি উত্থাপন করেন।

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সংসদে দীর্ঘ আলোচনা প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “মাওলানা মামুনুল হক অনেক বড় বড় কথা বলেন। বাজেট নিয়ে সরকারের পতন ঘটানোর কথাও বলেন। কিন্তু গাজীপুরে নারীসহ ধরা পড়ার ঘটনাটি আসলে কী ছিল, সেটি নিয়েও প্রশ্ন আছে।” বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি ‘মুতা বিয়ে’ প্রসঙ্গ টেনে আনেন এবং বলেন, “মুতা বিয়ে কী জিনিস আমি জানতে চাই।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছিল এবং বিএনপিকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না।

তার বক্তব্যের পরপরই স্পিকার হস্তক্ষেপ করে বলেন, “অপ্রাসঙ্গিক কোনো বিষয় সংসদে না আনাই ভালো। যার এখানে এসে জবাব দেওয়ার সুযোগ নেই, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা সমীচীন নয়।” মুতা বিয়ে প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, “আমাকে এসব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মনে হয়? এগুলো নিয়ে সংসদে আলোচনা না করাই ভালো।”

পরে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, মামুনুল হককে নিয়ে দেওয়া তথ্য সঠিক নয়। তিনি দাবি করেন, “উনি কোনো মুতা বিয়ে করেননি। তাকে হ্যারাস করা হয়েছিল।” বক্তব্যটি কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলামও বক্তব্যটিকে অসংসদীয় আখ্যা দিয়ে এক্সপাঞ্জ করার অনুরোধ জানান। পরে স্পিকার বলেন, “মাওলানা মামুনুল হকের এ বিষয়টি সংসদের কার্যবিবরণীতে আসার কোনো প্রয়োজন নেই। একজন রাজনৈতিক নেতার জীবনের অন্ধকার অংশ এখানে আলোচিত হোক, তা চাই না।”

এ সময় জামায়াতের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানও প্রসঙ্গটি থামানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “মুতা বিয়ে একসময় ছিল, এখন তা নিষিদ্ধ ও হারাম।” শেষ পর্যন্ত স্পিকার বিতর্কিত অংশ কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

এলিস/আমান