ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু হাইতির বিপক্ষে নামার আগে ব্রাজিলকে সুখবর দিল ফিফা ওয়ালটন পিসিবিএ'র রপ্তানি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ কনফারেন্স ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, গণপিটুনির শিকার তিন পুলিশ বিশ্বকাপে ৩ ম্যাচ নিষিদ্ধ দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার সময় টিভির সাবেক এমডি জোবায়ের কারাগারে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় ইইউর ১.৪ কোটি ইউরো অনুদান বিশ্বকাপে বড় ধাক্কা খেল আইভরি কোস্ট, কানাডার ভিসা পেলেন না ওয়াহি মাগুরায় নবজাতককে বিক্রি করলেন বাবা পরীমনিকাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর এসএসসি ফল ঘোষণা ২০ জুলাই, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী কুড়িগ্রামে ১২ ঘণ্টা পর রেলযোগাযোগ স্বাভাবিক চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে জাবির কর্মচারীদের অবস্থান মানিকগঞ্জে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষ, নিহত ২ সিলেটে ৩৬ ঘণ্টায় ১২২.৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড সংসদে মামুনুল হক প্রসঙ্গে দেওয়া বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার টঙ্গীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার নেপালের সঙ্গে দ্রুত বাণিজ্য চুক্তি চায় বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গায় ট্রেন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২ সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান সেনাপ্রধানের উখিয়ায় আইওএমের গাড়ির চাপায় অজ্ঞাত শিশুর মৃত্যু ভার্চুয়াল জুয়ার ফাঁদে সমাজ এসএসএফকে জনগণের সঙ্গে সংযোগ অটুট রাখার নির্দেশ তারেক রহমানের গানেই লিজার ব্যস্ততা প্রয়াত বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের নামে আমন্ত্রণপত্র আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ আবার জ্বলে ওঠো জার্মানি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০০ জাতের আম নিয়ে মেলা শুরু পাহাড়, বন আর নীল জলের অপূর্ব মিলন

গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ৯৮ শতাংশের নাম কেউ জানে না: মঞ্জু

প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৫, ০৪:১৩ পিএম
গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ৯৮ শতাংশের নাম কেউ জানে না: মঞ্জু
বক্তব্য রাখছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। ছবি: সংগৃহীত

গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ৯৮ ভাগ মানুষের নাম কেউ জানে না বলে মন্তব্য করেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।

তিনি বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থান সফল না হলে এবং হাসিনা পালিয়ে না গেলে আজ হাজার হাজার শহিদ পরিবার ও আহতদের জঙ্গি তকমা দিয়ে নির্মম নির্যাতন করা হতো। বিপন্ন হতো আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতাসহ আমাদের অনেকের জীবন। গণহত‍্যা চালানো আওয়ামী পুলিশ ও ছাত্রলীগ ক‍্যাডারেরা পেতেন ‘বীরের খেতাব’। গণ-অভ্যুত্থান কখনও একক কারও চিন্তা বা অবদানে সফল হয় না।’

শনিবার (১৯ জুলাই) সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে ‘গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও দেশের গণতান্ত্রিক উত্তোরণের পথ’ শীর্ষক আলোচনাসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ ছাড়াও সভায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের অ‍্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, জেএসডির তানিয়া রবসহ গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মজিবুর রহমান মঞ্জু ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল গণতন্ত্র মঞ্চ ও এবি পার্টির যৌথ বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের নৃশংস হামলার স্মৃতিচারণ করেন। 

তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া প্রতিটি মানুষের স্মৃতি ও গল্প আছে। কিন্তু আমরা ঘুরে ফিরে অল্প কিছু মানুষের স্মৃতি ও গল্পই কেবল শুনছি। অভ‍্যুত্থানে অংশ নেওয়া ৯৮ ভাগ মানুষের কথা আমরা অনেকে শুনতে পারিনি। এবি পার্টির পক্ষ থেকে একটি জন-গণ-শুনানির দাবি জানানো হয়েছিল যার মাধ‍্যমে সবাই নিজ নিজ স্মৃতি ও নির্যাতন ভোগের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করবেন, কিন্তু সরকার সেরকম কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

তিনি বলেন, অভ‍্যুত্থানের আগে চরম নির্যাতনে যারা ধৈর্য্য, ঐক্য ও ত‍্যাগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন তারা আজ সব পেয়ে দিশাহারা হয়ে গেছেন। এই বেশি পাওয়ার অপব্যবহার করলে তার প্রতিফলও একদিন ভোগ করতে হবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

অমিয়/

সংসদে মামুনুল হক প্রসঙ্গে দেওয়া বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
সংসদে মামুনুল হক প্রসঙ্গে দেওয়া বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির মাওলানা মামুনুল হকের পরকীয়া ও মুতা বিয়ে ঘটনা প্রসঙ্গে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাকের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরে সরকারি ও বিরোধী দলের অনুরোধে বক্তব্যের একটি অংশ কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ করার নির্দেশ দেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “কোন রাজনৈতিক নেতার জীবনের অন্ধকার দিক সংসদে আলোচনার বিষয় নয়।”

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের দশম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে খোন্দকার আবু আশফাক বিষয়টি উত্থাপন করেন।

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সংসদে দীর্ঘ আলোচনা প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “মাওলানা মামুনুল হক অনেক বড় বড় কথা বলেন। বাজেট নিয়ে সরকারের পতন ঘটানোর কথাও বলেন। কিন্তু গাজীপুরে নারীসহ ধরা পড়ার ঘটনাটি আসলে কী ছিল, সেটি নিয়েও প্রশ্ন আছে।” বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি ‘মুতা বিয়ে’ প্রসঙ্গ টেনে আনেন এবং বলেন, “মুতা বিয়ে কী জিনিস আমি জানতে চাই।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছিল এবং বিএনপিকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না।

তার বক্তব্যের পরপরই স্পিকার হস্তক্ষেপ করে বলেন, “অপ্রাসঙ্গিক কোনো বিষয় সংসদে না আনাই ভালো। যার এখানে এসে জবাব দেওয়ার সুযোগ নেই, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা সমীচীন নয়।” মুতা বিয়ে প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, “আমাকে এসব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মনে হয়? এগুলো নিয়ে সংসদে আলোচনা না করাই ভালো।”

পরে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, মামুনুল হককে নিয়ে দেওয়া তথ্য সঠিক নয়। তিনি দাবি করেন, “উনি কোনো মুতা বিয়ে করেননি। তাকে হ্যারাস করা হয়েছিল।” বক্তব্যটি কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলামও বক্তব্যটিকে অসংসদীয় আখ্যা দিয়ে এক্সপাঞ্জ করার অনুরোধ জানান। পরে স্পিকার বলেন, “মাওলানা মামুনুল হকের এ বিষয়টি সংসদের কার্যবিবরণীতে আসার কোনো প্রয়োজন নেই। একজন রাজনৈতিক নেতার জীবনের অন্ধকার অংশ এখানে আলোচিত হোক, তা চাই না।”

এ সময় জামায়াতের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানও প্রসঙ্গটি থামানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “মুতা বিয়ে একসময় ছিল, এখন তা নিষিদ্ধ ও হারাম।” শেষ পর্যন্ত স্পিকার বিতর্কিত অংশ কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

এলিস/আমান

প্রয়াত বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের নামে আমন্ত্রণপত্র

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৭:০২ পিএম
প্রয়াত বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের নামে আমন্ত্রণপত্র
ছবি: খবরের কাগজ

বিএনপির সিনিয়র নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান এর নামে একটি রাষ্ট্রীয় টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্বের আমন্ত্রণপত্র পাঠানোকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সময় তিনি প্রায় দেড় বছর আগে মৃত্যুবরণ করলেও তার নাম ব্যবহার করে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আগামী ২০ জুন ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য একটি রাষ্ট্রীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আসরের জন্য এই আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়। ১৭ জুন জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানের ডেস্কে চিঠিটি পৌঁছালে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান ছেলে সাঈদ আল নোমান। তিনি লেখেন, সংসদ এখনো তার প্রয়াত পিতার নামকে সম্মান ও স্মৃতিতে ধারণ করছে—এমন অনুভূতি তার মনে গভীর আবেগ সৃষ্টি করেছে।

তিনি লিখেন, আজ ১৭ই জুন ২০২৬ আমার জীবনের বিশাল এক বিমূর্ত প্রাপ্তির দিন। অধিবেশন চলাকালীন এ মুহূর্তটি আমার আবেগের জগতকে দারুণভাবে আন্দোলিত করেছে। আমার ডেস্ক-এ একটি দাওয়াতপত্র পৌঁছলো, যেখানে “আবদুল্লাহ আল নোমান” নামটি লেখা।

হয়তো এটি কেবল একটি প্রশাসনিক ভুল। কিন্তু অনুভূতির জগতে এর অর্থ একেবারেই অন্যরকম। আমার মনে হলো, জাতীয় সংসদ এখনও বিশ্বাস করে—“আবদুল্লাহ আল নোমান” সংসদে উপস্থিত আছেন; তিনি এখনও বেঁচে আছেন মানুষের অনুভূতিতে, তাঁদের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায়। তাই প্রশ্ন জাগে মনে — “মৃত নোমান কি জীবিত নোমানের চেয়েও শক্তিশালী?” উত্তর নিঃসন্দেহে ‘হ্যাঁ’!

এসএন/

পুশ-ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম
পুশ-ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান
ছবি: সংগৃহীত

সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, নির্মমতার মধ্য দিয়ে পুশ ইনের মুখোমুখি হয়েছে ছাত্র নামধারী রাজাকারদের সমর্থকগোষ্ঠীর উল্টা-পাল্টা কথা আর আচরণের কারণে।

একথাও সত্য প্রমাণিত হয়েছে- বাংলাদেশের মানুষের সাথে প্রতারণা করে যে জুলাইয়ের জন্ম দিয়েছে ছাত্র নামধারী যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থকগোষ্ঠী, সেই জুলাইয়ের কারণে আজ যুদ্ধাপরাধীরা সংসদ সদস্য হতে পেরেছে, জাতীয় সংসদ সদস্য হয়েছে ছাত্র নামধারী বিশ্ববাটপার গোষ্ঠীর সমন্বয়করা। যারা ৫ আগস্টের আগে যারা স্লোগান দিয়েছে ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যেও ঠাঁই নাই; তারাই পরে স্লোগান দিলো ‘দিল্লি না ঢাকা; এখন আর আবার সেই দিল্লিতেই চিকিৎসার জন্য বাপ-দাদা চৌদ্দ গোষ্ঠীকে নিয়ে যায়।

সমাবেশে প্রেসিডিয়াম মেম্বার কাজী মুন্নি আলম, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক হরি দাস সরকারসহ সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মন্ডল, হাশেম মোল্লা, নতুনধারার মিডিয়া সেল সদস্য সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি, জাতীয় শ্রমিকধারার আহ্বায়ক বাবুল মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ আহমেদ ফারুক, গীতিকার রুবেল, রাব্বি হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সংহতি প্রকাশ করেন সংবাদযোদ্ধা গাজী তুষার আহমেদ ও মানবাধিকারকর্মী নূরে আলম আকন্দ। সমাবেশ শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন নতুনধারার নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে লেখা হয়- নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি গত ১৩ বছর ধরে অন্যায়-অপরাধ, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, দুর্নীতি, খুন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে রাজপথে কথা বলার পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা বন্ধ, মাদকদ্রব্যসহ সব চোরা চালান বন্ধের দাবিতে সোচ্চার ছিলো, এখানো আছে, আগামীতেও থাকার প্রত্যয়ে ঐক্যবদ্ধ আছে। সেই পথচলায় আজকের এই স্মারকলিপি প্রদান করছি। যাতে করে সীমান্তে বিএসএফ সদস্য ও ভারতীয় নাগরিকদের দ্বারা প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার পরিহার করা হয়, কঠোর নজরদারির মাধ্যমে মাদকদ্রব্যসহ কোনো প্রকার চোরাচালান যেন না করতে পারে সে জন্য নিরবিচ্ছিন্ন তদারকি দুই দেশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।

সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও স্বাভাবিক অবস্থা নিশ্চিত করতে জবাবদিহিতা বৃদ্ধিরও দাবি জানাচ্ছি ছাত্র-যুব-জনতার রাজনৈতিক মেলবন্ধন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির পক্ষ থেকে। পরিশেষে আশা করবো যে, আন্তরিক, সৎ ও সমন্বিত প্রচেষ্টা, প্রচলিত আইন অনুসরণ এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে মানুষের জীবনের কথা ভেবে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার, যৌথ টহল বৃদ্ধি, নজরদারি বাড়ানো এবং অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য নিবেদিত থাকবেন ও রাখবেন।

 চলমান পুশ-ইনের শিকার ব্যক্তিদের অনেকেই চরম দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ক্ষুধা ও রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি যেমন রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন নারী, শিশু ও জরুরি চিকিৎসাসেবার প্রয়োজন এমন প্রবীণ মানুষও। কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে যাচাই করা হলে প্রচলিত দ্বিপাক্ষিক প্রত্যাবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে তাকে দ্রুত গ্রহণ করা আর বাংলাদেশি না হলে সসম্মানে ভারতে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করত চলমান সমস্যা সমাধানেরও বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।’ এর দুপুর দেড়টায় বাংলাদেশস্থ ভারতীয় হাই কমিশনে হাই কমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর বরাবর পুশ ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করতে গেলে কমিশন থেকে জানানো হয়- আপাতত পুশ ইন সংক্রান্ত কোনো স্মারকলিপি গ্রহণ করা হবে না। এ বিষয়ে নতুনধারার চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেন, ইমেইলে স্মারকলিপি পাঠানো হবে, তাদের উত্তরের পর আমরা গণমাধ্যমের সাথে এ বিষয়ে কথা বলবো।

এসএন/

কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি
ছবি: খবরের কাগজ গ্রাফিকস

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় উপজেলায় একই স্থানে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে ঘিরে সংঘাতের আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুর ২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের কুটি দক্ষিণবাজার ও আশপাশ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকবে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন৷ এজন্য বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় কুটি দক্ষিণবাজারে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ ডাকে তার কর্মী-সমর্থকরা। কুটি ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে এ আয়োজনের নেতৃত্বে আছেন কুটি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান উজ্জল মিয়া।

অন্যদিকে, একই সময় ও স্থানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে কুটি ইউনিয়ন বিএনপির একাংশ ৷ কুটি ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতি মাহবুবুল ইসলাম শাহীনকে সংবর্ধনা দিতে এ কর্মসূচির ডাক দেয় ইউনিয়ন বিএনপি। দুই পক্ষের এ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ ঘটনায় সংঘাত এড়াতে দুপুর ২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করে উপজেলা প্রশাসন।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা জানান, ১৪৪ ধারার জারিকৃত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। কেউ বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছামিউল ইসলাম জানান, দুইপক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির কারণে সংঘাত এড়াতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে৷ রাত ১২টা পর্যন্ত ওই এলাকায় সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আজিজুল সঞ্চয়/এসএন

জামায়াতের সংসদ সদস্যকে মাইক্রোওভেন দিতে চাইলেন পার্থ

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম
জামায়াতের সংসদ সদস্যকে মাইক্রোওভেন দিতে চাইলেন পার্থ
সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ/ ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের আলোচনার সময় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যের জন্য মাইক্রোওভেন দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ। একই সঙ্গে তিনি সংসদ সদস্যের উত্থাপিত ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওভেন ও পর্দা সংক্রান্ত দাবিকে ঘিরে সংসদের আলোচনার শিষ্টাচার ও মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের দশম দিনের আলোচনা শুরুর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পার্থ বলেন, “জামায়াতের এমপির এই ডিমান্ড—ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ, অ্যান্ড কার্টিনস—এটা আমাকে অনেক লজ্জা দেয়।” তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে এখানে জনগণের সমস্যা ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরবেন, ব্যক্তিগত সুবিধা নয়।

তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যরা শুধু সংসদের ভেতরে নয়, দেশের বাইরে গিয়েও সংসদকে প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই সংসদে দেওয়া বক্তব্যের প্রভাব আন্তর্জাতিক ও সামাজিকভাবে পড়ে। “একজন এমপি যখন ওয়াশিং মেশিন বা মাইক্রোওভেনের দাবি নিয়ে কথা বলেন, তখন তা সংসদের মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে,” বলেন তিনি।

গত সংসদে গণতন্ত্র ও সংসদীয় সংস্কৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে পার্থ বলেন, নতুন সংসদে সেই মানদণ্ড বজায় রাখা জরুরি। তিনি আরও বলেন, “আমরা গাড়ি বা প্লট নেব না—এ ধরনের ঘোষণার পরও যদি সংসদে এমন ব্যক্তিগত চাহিদা নিয়ে আলোচনা হয়, তা দুঃখজনক।”

এ সময় তিনি বিষয়টি নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে কাউকে বিব্রত করতে চান না বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “যদি উনার এসব প্রয়োজন থাকে, আমি ব্যক্তিগতভাবে মাইক্রোওভেন দিতে প্রস্তুত।”

তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের দাবি বিবেচনার অনুরোধ জানান এবং সংসদে আলোচনার মান বজায় রাখার আহ্বান জানান।

এর আগে বুধবার (১৭ জুন) বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান সংসদ সদস্যদের জন্য বরাদ্দ ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন এবং দরজা-জানালায় পর্দা দেওয়ার দাবি জানান।

সংসদ/এলিস/আমান