হবিগঞ্জ জেলার চারটি সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীসহ ১৬ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১১ দলীয় জোট ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীও রয়েছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনে কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
হবিগঞ্জ-১ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে জাসদের (মোটরগাড়ি) প্রার্থী কাজী তোফায়েল আহমেদের। তিনি পেয়েছেন মোট ৬৪৪ ভোট। এ ছাড়া ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের (চেয়ার) প্রার্থী বদরুল রেজা পেয়েছেন ৫ হাজার ২৭২ ভোট। ফলে তার জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
হবিগঞ্জ-২ আসনে জাতীয় পার্টির (লাঙল) প্রার্থী আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী পেয়েছেন ৯৪১ ভোট। স্বতন্ত্র (ফুটবল) প্রার্থী আফছার আহমদ পেয়েছেন ১ হাজার ৮৪৩ ভোট এবং বাসদের (মই) প্রার্থী লুকমান আহমদ তালুকদার পেয়েছেন ৪৪৮ ভোট। তিনজনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
হবিগঞ্জ-৩ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের (মোমবাতি) প্রার্থী এস এম সরওয়ার পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৩৩ ভোট। জাতীয় পার্টির (লাঙল) প্রার্থী আব্দুল মুমিন চৌধুরী পেয়েছেন ১ হাজার ২৫৯ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের (হাতপাখা) প্রার্থী মহিব উদ্দিন সোহেল পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৪৩ ভোট এবং মুক্তিজোটের (ছড়ি) প্রার্থী শাহিনুর রহমান পেয়েছেন ১৩২ ভোট। এ আসনেও ৪ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
হবিগঞ্জ-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীও দিয়েছেন জামানত বাজেয়াপ্তের লজ্জা। খেলাফত মজলিসের (দেয়াল ঘড়ি) প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদের পেয়েছেন ২৬ হাজার ৪৬৬ ভোট। এ ছাড়া সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের (ছড়ি) মো. রাশেদুল ইসলাম খোকন ৪৮৪ ভোট, বাসদের (মই) মো. মুজিবুর রহমান ৩২৯ ভোট, স্বতন্ত্র (ঘোড়া) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী ৬৫২ ভোট, স্বতন্ত্র (ফুটবল) প্রার্থী সালেহ আহমদ সাজন ৬১৯ ভোট, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের (হারিকেন) শাহ মো. আল আমিন ৫৩৬ ভোট এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের (আপেল) মু. রেজাউল মোস্তফা পেয়েছেন ৪৮৪ ভোট। ফলে তাদের প্রাপ্ত ভোট প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ না হওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
কাজল/এসজি/