প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নতুন সরকারের সমালোচনা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি ঋণখেলাপি ও হত্যা মামলার আসামিদের মন্ত্রী বানিয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এসেই গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করছে। সংসদ সদস্যদের বৈধ সুবিধা না নিয়ে সাধু সাজার চেষ্টা করছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকার নিয়ে প্রতিক্রিয়া ও সমসাময়িক রাজনৈতিক অবস্থান জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলা হচ্ছে জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা আশঙ্কা করছি যে এই নির্বাচনে ভারত, আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির মধ্যে একটা যোগসাজশ হয়েছে। আওয়ামী লীগের পুরো ভোটব্যাংককে বিএনপি নিজের দিকে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।’
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘তারা (বিএনপি) বলছে প্লট নেবে না, গাড়ি নেবে না। কিন্তু তারা ঋণখেলাপিদের সংসদে নিয়ে গেল। ঋণখেলাপিদের মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়েছে। ফলে বৈধ সুবিধাকে অস্বীকার করে জনগণের সামনে সাধু সাজা হচ্ছে। অন্যদিকে ঋণখেলাপি-দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বড় বড় বাজেটের মন্ত্রণালয় দেওয়া হয়েছে, যাতে সেই সব মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি করার সুযোগ তারা পায়।’
নাহিদ ইসলাম জানান, তাদের আশা ছিল নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হবে। দুর্নীতিমুক্ত ও আধিপত্যবাদমুক্ত সুশাসনের বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে যাওয়া যাবে। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম সংসদ অধিবেশন ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘যদি গণভোট বাতিল হয়ে যায়, এই সময় সরকারেরও বৈধতা থাকবে না।’
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।