চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় এক বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের ৬৮ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তাররা সাম্প্রতিক সময়ে মিছিলে অংশগ্রহণ, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত ছিলেন।
সিএমপি সূত্রে জানা যায়, নগরীর ১৫টি থানা এলাকায় একযোগে এই অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তার হয়েছে খুলশী, বায়েজিদ বোস্তামী ও কোতোয়ালী থানা এলাকায়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ৬৮ জনের মধ্যে খুলশী থানায় ১৩ জন, বায়েজিদ বোস্তামী থানায় ১২ জন, কোতোয়ালী থানায় ১২ জন, পাঁচলাইশ থানায় ১০ জন, ডবলমুরিং থানায় ৭ জন, ইপিজেড থানায় ৩ জন, বাকলিয়া থানায় ২ জন, কর্ণফুলী থানায় ২ জন, চকবাজার, চান্দগাঁও, হালিশহর, পাহাড়তলী, আকবরশাহ, বন্দর ও পতেঙ্গা থানায় ১ জন করে রয়েছেন।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে বেশ কয়েকজন পদধারী ও সক্রিয় নেতা-কর্মীও রয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- খুলশী থানা এলাকা থেকে গুইমারা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি রনি মজুমদার (২৪), ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সদস্যসচিব মো. হামিদ (২৩), এবং ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য মো. শাহাদাত (২৪) ও অমিত কান্তি দে (২২)।
বাকলিয়া থানা এলাকা থেকে বাঁশখালী সাধনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রহিম (৩৯) এবং স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী সোলাইমান বাদশার ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত মো. মাসুদ। চান্দগাঁও থানা ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য মাহির আল ফয়সাল (২৬), পাঁচলাইশ থানা এলাকা থেকে নাশকতার ঘটনায় আসামি মো. আলমগীর হোসেন (৪২)।
সিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার মিডিয়া আমিনুল রশিদ বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা কিংবা পূর্ববর্তী মামলায় জড়িত থাকার অপরাধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নগরীতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা রোধে সিএমপির এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
তামান্না রুপা/