ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
টঙ্গীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার নেপালের সঙ্গে দ্রুত বাণিজ্য চুক্তি চায় বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গায় ট্রেন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২ সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান সেনাপ্রধানের উখিয়ায় আইওএমের গাড়ির চাপায় অজ্ঞাত শিশুর মৃত্যু ভার্চুয়াল জুয়ার ফাঁদে সমাজ এসএসএফকে জনগণের সঙ্গে সংযোগ অটুট রাখার নির্দেশ তারেক রহমানের গানেই লিজার ব্যস্ততা প্রয়াত বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের নামে আমন্ত্রণপত্র আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ আবার জ্বলে ওঠো জার্মানি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০০ জাতের আম নিয়ে মেলা শুরু পাহাড়, বন আর নীল জলের অপূর্ব মিলন ৪টি চলচ্চিত্র নিয়ে ‘সামার বাংলা হিট ফেস্ট’ তিন নাটকে প্রশংসিত হিমি পুশ-ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের প্রবাসী নিহত তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন সিনচিয়াংয়ে সংস্কৃতি ও পর্যটন উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন কানসাসের দাবদাহে ‘কুলিং ভেস্টে’ অনুশীলন আর্জেন্টিনার চীনের ছাংছুনে অপটিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির বিপ্লব বাংলাদেশের বাজারে এল টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো খোকসায় ২০ বছর ধরে অচল কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, ভোগান্তিতে কৃষক-খামারি কেইনই ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সেরা স্ট্রাইকার: লিনেকার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পুশইন, সংলাপের পরামর্শ জাতিসংঘের গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র নতুন অ্যান্ড্রয়েড ১৭ সংস্করণে গুগলের বড় চমক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সনদ পেল মার্কেন্টাইল ব্যাংক

স্বাস্থ্য খাতে যথাযথ পদক্ষেপ চাই

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
স্বাস্থ্য খাতে যথাযথ পদক্ষেপ চাই

গত ২৭ মে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে একই দিনে ছয়জন নবজাতকের মৃত্যু হয়। এটাকে অঘটন বলার কোনো সুযোগ নেই। অবশ্যই হাসপাতালের ত্রুটির জন্যই হয়েছে। কিন্তু এই ত্রুটি তো একদিনে হয়নি। ধীরে ধীরে ত্রুটি ছোট থেকে বড় হয়েছে। কিন্তু কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এটা অবশ্যই দায়িত্বের প্রতি অবহেলা ছিল। কিন্তু কেন? যেখানে মানুষের জীবন-মৃত্যুর লড়াই, সেখানে অবহেলা কেন? এর দায় যে শুধু হাসপাতালের, তা নয়। এর দায় রাষ্ট্রেরও। বাংলাদেশে ১৫ হাজার বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে মাত্র ৬ হাজারের কাছাকাছি নিবন্ধিত। এ ছাড়া এগুলোর বড় অংশরই লাইসেন্স নবায়ন নেই। তাহলে স্বাস্থ্য খাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কাজ কী? নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দায়িত্ব এসব তদারকি করা। কিন্তু লাইসেন্স প্রদান করাই যখন নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ, তখন এভাবে মানুষের মৃত্যু হওয়াটা স্বাভাবিক। দেশে বর্তমান বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। দেশে যত্রতত্র ক্লিনিক। এসব ক্লিনিকে কি আদৌ যথাযথ সেবা নিশ্চিত হয়? হয় না। এসব ক্লিনিকের রিপোর্টও যথাযথ হয় না। ফলে ভুল চিকিৎসা হওয়া স্বাভাবিক। এর শিকার দেশের অশিক্ষিত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী। সরকারের স্বাস্থ্যনিয়ন্ত্রক সংস্থার উচিত সরকারিসহ, বেসরকারি হাসপাতালের যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। সেই সঙ্গে দেশের ক্লিনিক ব্যবসার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া। যেখানে মানুষের বাঁচা-মরার লড়াই, অন্তত সেই জায়গায় উপযুক্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। 

মোজাহিদ হোসেন  
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন

গ্রীষ্মের তাপদাহ এবার বেশ প্রচণ্ডভাবেই অনুভূত হচ্ছে। তীব্র তাপপ্রবাহে মানুষ তো বটেই, রাস্তায় থাকা পশুপ্রাণীরাও বিপর্যস্ত। তীব্র গরমে রাস্তার কুকুর, বিড়াল, গরু কিংবা পাখিরা পানির অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছে, এমনকি মৃত্যুবরণও করছে। মানুষের মতো এসব অবলা প্রাণী নিজেদের কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না। অথচ এই পৃথিবী শুধু মানুষের নয়, পশুপাখিরাও প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের একটুখানি মানবিক উদ্যোগ তাদের জীবন রক্ষা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাড়ির বারান্দা, ছাদ, উঠান কিংবা রাস্তার পাশে পাত্রে পরিষ্কার পানি রাখা যেতে পারে। সম্ভব হলে কিছু খাবারের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলে পশুপাখিরা আশ্রয় ও ছায়া পাবে। ফলে পরিবেশের জীববৈচিত্র্যও বজায় থাকবে। আমাদের সামান্য একটু সদয় আচরণ সহানুভূতিই পারে প্রকৃতির এই সুন্দর প্রাণগুলোকে সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাঁচিয়ে রাখতে।

প্রজ্ঞা দাস
শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, ইডেন মহিলা কলেজ
[email protected]

সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন

প্রতিবারের মতো এবারও সারা বিশ্ব ভুগছে বিশ্বকাপ জ্বরে। এই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে আমাদের দেশেও। শহর থেকে মফস্বল কিংবা গ্রাম প্রায় প্রতিটি ঘরেই ছড়িয়েছে এ উন্মাদনা। প্রিয় দলের সমর্থনে পতাকা ওড়ানো, জার্সি কেনা আর প্রীতি ম্যাচগুলোর আয়োজনই জানিয়ে দিচ্ছে বাঙালিদের ফুটবলপ্রীতি। তবে এরই মধ্যে বিচ্ছিন্নভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফুটবলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাগুলো চোখে পড়ছে সংবাদমাধ্যমের বদৌলতে। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, গত ৩ জুন বুধবার হবিগঞ্জ জেলায় আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল সমর্থকদের আয়োজিত প্রীতি ম্যাচে কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় দলের সমর্থকরা। এতে প্রায় অর্ধ শত মানুষ আহত হয়। এ ছাড়া চট্টগ্রামের লোহাগড়ায় প্রীতি ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আমাদের সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। খেলাধুলাকে শুধু বিনোদনের উৎস হিসেবে বিবেচনা করে অতি আবেগী না হয়ে পারস্পরিক সমঝোতাই পারে এরূপ সংঘর্ষ এড়াতে। এ আসরের আটচল্লিশটি পতাকার রঙের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা পৌঁছে যাক বিশ্বের প্রতিটি মানুষের কাছে।

মারিয়া হাসান
শিক্ষার্থী, প্রথম বর্ষ, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

আর কতকাল এ বৈষম্যের খেলা?

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
আর কতকাল এ বৈষম্যের খেলা?

কত আর বৈষম্য? সন্তানের চাকরি না পাওয়ার হাহাকার ও আমাদের প্রাপ্তি কী? চারদিকে এত মানুষের চাকরি হচ্ছে, সরকারি-বেসরকারি নানা নিয়োগের খবর আসছে; অথচ বিবিএ এবং এমবিএ পাস করার পরও আমার সন্তানের কপালে একটি চাকরি জুটছে না। একজন উচ্চশিক্ষিত তরুণের এই বেকারত্ব মেনে নেওয়া কতটা কঠিন, তা কেবল একজন ভুক্তভোগী মা-বাবাই জানেন। প্রশ্ন জাগে–এ বৈষম্যের শেষ কোথায়? আর কতকাল আমাদের এ যন্ত্রণা দেখতে হবে?

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন, মেধা আন্দোলন ও কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নেমেছিল দেশের তরুণ সমাজ। তখন বুকভরা আশা নিয়ে তাকিয়েছিলাম, হয়তো এবার সব ধরনের বৈষম্যের অবসান ঘটবে। কিন্তু আজ যখন আমার মেধাবী সন্তান দ্বারে দ্বারে ঘুরেও চাকরি পায় না, তখন নিজেকে বড় অসহায় মনে হয়। আজ হতাশ হয়ে নিজেকেই প্রশ্ন করতে ইচ্ছে হয়–তাহলে কি ২০২৪ সালের জুলাইয়ের সেই আন্দোলনগুলো মিথ্যা ছিল? মেধার মূল্যায়নের কথা বলে কি তবে একটি সরকারকে হটিয়ে আরেকটা সরকার বসানোর খেলা চলছিল? যদি আমার সন্তানের মতো যোগ্য ও শিক্ষিত তরুণরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিতই থাকে, তবে সেই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন বা জুলাই বিপ্লবকে আমরা কী বলব? এটা কি শুধুই কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল? আমরা আর কোনো আশ্বাস শুনতে চাই না। আমরা চাই প্রত্যেক তরুণের মেধার সঠিক মূল্যায়ন হোক। বৈষম্যের এই বেড়াজাল ভেঙে প্রত্যেক শিক্ষিত তরুণ যেন নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের সুযোগ পায়–এটাই আমাদের একমাত্র দাবি। আর কতকাল রক্ত ঝরিয়ে ও আন্দোলন করে অধিকার আদায় করতে হবে? এ দেশের মেধাবীরা আর কোনো বৈষম্য দেখতে চায় না।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

বাংলাদেশের দুর্বল শিক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তন চাই

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম
বাংলাদেশের দুর্বল শিক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তন চাই

বর্তমান বিশ্ব এক নবউন্নতির যুগে প্রতিযোগিতা করছে। উন্নত বিশ্বের উন্নত চিন্তাধারা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে শিক্ষাপদ্ধতির ভিন্ন ধারা। উন্নত বিশ্বের অধিকাংশ শিক্ষা হলো প্র্যাকটিক্যাল। নতুন নতুন উদ্ভাবনীতে রাখছে অকল্পনীয় অবদান। কিন্তু আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়েও আবিষ্কার কিংবা কোনো উদ্ভাবনীতে রাখতে পারছে না নিজস্ব অবদান। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা মনীষীদের জীবনবৃত্তান্ত নিয়ে ব্যস্ত। প্র্যাকটিক্যাল বলতে কিছুই নেই। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং কম্পিউটার সাবজেক্ট আছে; কিন্তু প্র্যাকটিক্যালের জন্য নেই কোনো উন্নত ডিভাইস ও প্রজেক্টর। বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রি থাকলেও ডিগ্রিধারীরা রাখতে পারছে না কোনো উদ্ভাবনে অবদান। পর্যাপ্ত পরিমাণ ইলেমেন্টস ও উপযুক্ত প্রশিক্ষণের নেই কোনো ব্যবস্থা। অপরদিকে এসএসসি পর্যন্ত অতিরিক্ত সাবজেক্ট উঠিয়ে মৌলিক সাবজেক্টগুলোর প্রতি বেশি ফোকাস করা অত্যন্ত জরুরি। সর্বোপরি শিক্ষাব্যবস্থায় অপূর্ণতাকে পূর্ণতা দিতে যথেষ্ট কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে আরজি প্রকাশ করছি।

আবদুর রশীদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
[email protected]

ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনার সময়

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:৩২ পিএম
ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনার সময়

একটি দেশের ব্যাংকিং খাত জনগণের আস্থার ওপর নির্ভরশীল। তবে ব্যাংকিং খাতের কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। তাছাড়া এ আস্থা অনাস্থায় পরিণত হচ্ছে কিছু গুজবের মাধ্যমে। ফলে গ্রাহকদের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে ভীতি। গ্রাহকরা হুড়োহুড়ি করছে নিজের জমাকৃত টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করার জন্য। কিন্তু একটি বিষয় জনগণকে মাথায় রাখতে হবে, ব্যাংক কোনো টাকার গুদাম নয়। ব্যাংক বিভিন্ন খাতে (কৃষি, পরিবহন, শিক্ষা ইত্যাদি) ঋণ দিয়ে দেশের অর্থনীতি সচল রাখে। তাই ব্যাংকগুলো সব গ্রাহকের সব টাকা নগদ রাখে না। যখন আতঙ্কিত হয়ে সব গ্রাহক টাকা উত্তোলনের প্রতিযোগিতায় নামে তখন ব্যাংক চাপের মুখে পড়ে এবং দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। একটি ব্যাংক শুধু একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়। এটি অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের জায়গা। তাই একটি ব্যাংক দেউলিয়া হওয়া শুধু প্রতিষ্ঠানটির ক্ষতি নয়; ব্যাংকের সঙ্গে জড়িত সব ব্যক্তির ক্ষতি। ব্যাংক দেউলিয়া হলে এসব মানুষ হারাবে তাদের কর্মসংস্থান, বৃদ্ধি পাবে বেকারত্ব।

তাই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সচল এবং ঠিকিয়ে রাখতে হলে জনগণকে উপরোক্ত বিষয় মাথায় রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্মকর্তা, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালনায় কর্মরত সব ব্যক্তি এবং সরকারেরও উচিত জনগণকে আস্থায় নেওয়া। একটি ব্যাংক দেউলিয়া হওয়া মানে দেশের অর্থনীতিতে একটি বড় আঘাত। তাই এ ধরনের সমস্যা এড়াতে গুজব রোধ করতে হবে এবং জনগণকে সঠিক তথ্য প্রদানের মাধ্যমে সজাগ করতে হবে।

তামিম নূরানী প্রেমা 
শিক্ষার্থী, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]