বিশ্বজুড়ে পাকিস্তান ক্রিকেটের বড় সমর্থকগোষ্ঠী আছে। সেই সমর্থকদের জন্য এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটা তেঁতো হয়ে ওঠার উপক্রম। বাবর আজমরা যে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় পথ তৈরি করে ফেলেছে!
স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হেরে আসর শুরু হয় ২০০৯ আসরের চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তানের। ‘এ’ গ্রুপে থাকা দলটি পরশু নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হেরেছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষেও। এতে করে দলটির সুপার এইটে খেলার সমীকরণ জটিল থেকেও জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন গ্রুপে বাকি থাকা দুই ম্যাচে তাদের শুধু জিতলেই হবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে অন্যদের দিকেও। বাকি থাকা সেই দুই ম্যাচের একটিতে আজ মঙ্গলবার কানাডার মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। নিউইয়র্কের নাসাউ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়।
এবারের বিশ্বকাপে ঠিক হট ফেভারিটের তালিকায় না থাকলেও পাকিস্তানকে হিসেবের বাইরেও রাখেনি কেউ। টি-টোয়েন্টি এই দলটা আসলে দুর্দান্তই। এই মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে ষষ্ঠ স্থানে থাকা দলটির বিশ্বকাপে পারফরম্যান্সও দারুণ। আগের ৮ আসরের মধ্যে তিনবার তারা ফাইনাল খেলে একবার চ্যাম্পিয়ন ও দুবার রানার্সআপ হয়েছে। এ ছাড়া সেমিফাইনাল খেলেছে আরও তিনবার। কিন্তু সেই দলটাই এবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হেরে যায় সুপার ওভারে গড়ানো ম্যাচে। ভারতের বিপক্ষে পরের ম্যাচে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা জাগিয়েও হেরেছে ব্যাটিং ব্যর্থতায়।
দুই ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের পয়েন্ট এখন পর্যন্ত শূন্য। টেবিলে পাঁচ দলের মধ্যে তাদের অবস্থান চতুর্থ। যে কানাডার মুখোমুখি হচ্ছে তারা, সেই দলটাও দুই ম্যাচে এক জয়ে তাদের ওপরে (তৃতীয় স্থানে) অবস্থান করছে।
এবারই প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে পা রেখেছে কানাডা। উদ্বোধনী ম্যাচে তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে বড় পুঁজি নিয়েও হেরে যায়। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে দেয়। এখন পর্যন্ত চলতি আসরে কানাডা ও পাকিস্তানের যে পারফরম্যান্স, তাতে এই দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে কানাডা জিতলেও নিশ্চিতভাবেই কেউ অবাক হবে না। টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত একবারই মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। ২০০৮ সালের সেই দেখায় অবশ্য জয় পাকিস্তানের।