স্পিনসহায়ক উইকেটে ভারতের বোলাররা পূর্ণ ফায়দা আদায় করে নিয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে। আগে ব্যাটিং করা নিউজিল্যান্ডও হিমশিম খেয়েছে ভারতের স্পিনারদের সামাল দিতে। ৭ উইকেট হারিয়ে তারা করতে পেরেছে ২৫১ রান। ৫০ ওভারের ৩৮ ওভারই করেছে ভারতের চার স্পিনার।
রবিবার (৯ মার্চ) দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং করতে নামা নিউজিল্যান্ড বার বার খাবি খেয়েছে ভারতের স্পিনারদের সামনে। ড্যারিল মিচেল সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেছেন কিউইদের এই দলীয় সংগ্রহে। যদিও তার ইনিংসটি ছিল ধীরগতির ১০১ বলের।
তবে শুরুটা ভালো ছিল মিচেল স্যান্টনারদের। ৫৭ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন রাচিন রবীন্দ্র ও উইল ইয়াং। বরুণ চক্রবর্তী সেই জুটি ভাঙেন ইয়াংকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে। স্পিনারদের দারুণ সামাল দিতে থাকা রাচিন রবীন্দ্র থামেন ৩৭ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে দলীয় ৬৯ রানে।
কিউইদের তৃতীয় উইকেটও তুলে নেন কুলদীপ। মাত্র ১১ রান করে কুলদীপকেই ক্যাচ দেন তিনি। একেবারে সহজ ক্যাচ লুফে নিতে কোনো সমস্যা হয়নি বোলারের। ৭৫ রানে ৩ উইকেট হারায় ব্ল্যাকক্যাপসরা।
থিতু হওয়ার চেষ্টা করা টম লাথামও স্পিনারের ফাঁদে পড়ে লেগ বিফোর হন। রবীন্দ্র জাদেজা তাকে আউট করেন ব্যক্তিগত ১৪ রানে। ১০৮ রানে ৪ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। ইনিংস মেরামতের লক্ষ্যে ৫৭ রানের জুটি গড়েন ড্যারিল মিচেল ও গ্লেন ফিলিপস। সেটিও ভাঙে স্পিনে, আরেকবার বরুণ চক্রবর্তী আঘাত হানেন।
পরের ৪৬ রানের জুটি মিচেল ও ব্রেসওয়েলের মধ্যে। এবার আউট হন একপ্রান্ত আগলে রেখে ধীরগতির ৬৩ রানের ইনিংস খেলা মিচেল।
দলকে ২৫০ রান পার করানোর ক্ষেত্রে পরের ভূমিকা পালন করেন মাইকেল ব্রেসওয়েল। অপরাজিত ছিলেন ৪০ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে। তাকে ট্রাইকে রাখার প্রচেষ্টায় মিচেল স্যান্টনার হন রানআউট ৮ রান করে। ২৩৯ রানে ৬ উইকেট হারানো নিউজিল্যান্ড ৫০ ওভার শেষে করতে সমর্থ হয় ২৫১ রান।
স্যান্টনারদের এই সংগ্রহে মোহাম্মদ শামি ৯ ওভারে খরচ করেন ৭৪ রান। হার্দিক পান্ডিয়া দিয়েছেন ৩ ওভারে ৩০। ভারতের সবচেয়ে খরুচে বোলার ছিলেন শামি। ৩৮ ওভার বোলিং করা স্পিনাররা সবাই দিয়েছেন ৫০ এর নীচে রান।
ভারতের হয়ে জোড়া উইকেট শিকার করেন বরুণ চক্রবর্তী ও কুলদীপ যাদব। ১টি করে উইকেট পান মোহাম্মদ শামি ও রবীন্দ্র জাদেজা।