ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বির লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসলো মোহামেডান। আবাহনীকে তারা হারিয়েছে ৩৯ রানের ব্যবধানে।
শনিবার (১২ এপ্রিল) মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মোহামেডানের দেওয়া ২৬৫ রানের জবাবে ২২৫ রানে অলআউট হয়েছে আবাহনী। ফলে তাওহিদ হৃদয়ের দল জয় পেয়েছে ২৫ রানে।
মোহামেডানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নড়বড়ে ছিল আবাহনী। ৫৯ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দলীয় ১৭ রানে প্রথম আঘাত হানেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার বলে জিসান আলম (৩) ক্যাচ দেন তাইজুল ইসলামকে।
দলের স্কোরবোর্ডে ১৪ রান যোগ হতেই পারভেজ হোসেন ইমন ইবাদত হোসেনের শিকারে পরিণত হয়। ৩১ রানে আবাহনী দ্বিতীয় উইকেট হারায় ইমন ১৬ রানে বিদায় নিলে। হতাশ করে মোহাম্মদ মিঠুনও। ১৯ রানে তিনি মিরাজের বলে বোল্ড হলে ৫৯ রানে পতন হয় তৃতীয় উইকেটের।
মুমিনুল ও তিনে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত কিছুটা ধকল সামাল দেন ৬৭ রানের জুটি গড়ে। সেই জুটি ভাঙেন ইবাদত হোসেন মুমিনুলকে ২৫ রানে ফিরিয়ে। মাত্র ১ রান করে আউট হন মাহফুজুর রাব্বি তাইজুলের বলে।
টিকেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। আরও একটি জুটি গড়েন তিনি। এবার হয় ৪৪ রানের জুটি, তাকে সঙ্গ দেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। এবারও আঘাত হানেন ইবাদত। সৈকত ২৪ রান করে আউট হলে ১৭৬ রানে পতন হয় ষষ্ঠ উইকেটের।
সবাই সাজঘরের পথ ধরলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে নাজমুল হোসেন শান্ত অর্ধশতক আদায়ের পর ছুটছিলেন শতকের কাছাকাছি। কিন্তু সাইফউদ্দিনের বলে বোল্ড হয়ে থামে তার ৮০ রানের ইনিংস। রানের খাতা না খুলেই দুই বল পর রানের খাতা না খুলেই আউট হন রাকিবুল হাসান। ১৯০ রানে ৮ উইকেট হারানো আবাহনী হারের দ্বারপ্রান্তে তখন।
মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর ২৪ ও রিপন মন্ডলের ১৩ কেবল কমিয়েছে হারের ব্যবধান। ২২৫ রানে অলআউট হয়ে আবাহনীর পরাজয় ৩৯ রানে। মোহামেডানের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন ইবাদত। জোড়া উইকেট শিকার করেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাইফউদ্দিন। একটি করে উইকেট শিকার করেন আবু হায়দার রনি ও তাইজুল ইসলাম।