তৃতীয় দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত অপরাজিত ছিলেন ৬০ রানে। তার ব্যাটেই স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ। কিন্তু তিনি হতাশ করলেন চতুর্থ দিনের শুরুতেই। দ্বিতীয় বলেই কোনো রান করেই ফিরলেন সাজঘরে।
শান্তদের বিদায়ের পর দ্রুত ফিরেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। প্রায় ১০ ওভার ব্যাটিং করেছিলেন হাসান মাহমুদ। তবে করতে পেরেছেন মাত্র ১২ রান। জাকের আলি টিকে থেকে অর্ধশতক আদায় করে নেন। শেষ পর্যন্ত ২৫৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ আর জিম্বাবুয়ে লক্ষ্য পায় ১৭৪ রানের। সহজ এই লক্ষ্য তাড়া করে জিম্বাবুয়ে ম্যাচটি জিতে গেছে ৩ উইকেটে।
অধিনায়ক শান্ত মনে করেন তার আউটেই পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরে গেছে। তাই হারের দায়টাও নিজের ওপর নিয়েছেন তিনি, ‘আজকের ম্যাচ নিয়ে যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন, ম্যাচটা আমি একা হারিয়ে দিয়েছি, সত্যি কথা। সকালে ওই আউটটাতে আমার মনে হয় পুরো খেলাটা নষ্ট হয়ে গেছে। ওখানে যদি একটা ৫০-৬০ রানের জুটি হতো, তাহলে হয়তো ২২০ বা এর বেশি রান হলে কিন্তু আমরা ভালো অবস্থানে থাকতাম। (হারের) পুরো দায়ভার আমি নিতে চাই। খুব বাজে সময়ে আউট হয়েছি।’
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬০ রান এসেছে শান্তর ব্যাট থেকেই। দুই ইনিংস মিলিয়েও এটি সর্বোচ্চ। ব্যাটারদের আউট হওয়ার ধরন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন অধিনায়কের কণ্ঠেও, ‘ব্যাটিং দেখেন, খুবই সফট ডিসমিসাল সবগুলোতে। আমার মনে হয় না আমরা খুব ভালো বলে উইকেট দিয়ে এসেছি। স্কিলের থেকে মেন্টালি অনেক ব্যর্থতাা থাকতে পারে। ব্যাটসম্যানদের আরও দায়িত্ববোধ বাড়ানো উচিত। বিশেষ করে যারা সেট হয়ে আউট হচ্ছে।’
মুমিনুল হক, জাকের আলি অনিক ও নাজমুল হোসেন শান্ত ছাড়া কেউই অর্ধশতকের দেখা পাননি এই টেস্টে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবো এমনটাই প্রত্যাশা সমর্থকদের। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ২৮ এপ্রিল শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।