ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রাজবাড়ীতে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ইমাম গ্রেপ্তার সাকলায়েন ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার: পরীমনি ঈশ্বরদীতে ব্রাজিল সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা মৌসুমি ফল আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগকবলিত উপকূলের সুরক্ষায় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি শেষের বিবর্ণতায় সিরিজ হার বাংলাদেশের নাগরপুরে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ সহায়তা ও চাল বিতরণ আত্মপরিচয়ের খোঁজে বিপন্ন ব্রহ্মপুত্র পুলিশের ওপর হামলার মামলায় ১০ জন আটক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি’ আয়োজনের ঘোষণা ইয়াংজির বুনো পরিবেশেই হচ্ছে স্টার্জন মাছের প্রজনন শেরপুরে শ্বশুর-জামাই দ্বন্দ্ব, গাছে বেঁধে জামাইকে মারধরের অভিযোগ রাজশাহীতে বিদ্যুতের খুঁটিতে যুবকের মৃত্যু ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা তদন্তের সময় বাড়ল চারদিন সুপার ফাইবার উৎপাদনে চীনের সাফল্য এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে কর্মী ফুটবল যখন ক্যারিয়ার ও স্বপ্ন পালকযুক্ত নতুন ডাইনোসরের ফসিল আবিষ্কার সিলেটে শাহজালাল (রহ.) মাজার নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ শিশুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে খেলাঘর আসর বরিশাল জেলা সম্মেলন তরুণদের সবচেয়ে বড় উৎসব ফুটবল বিশ্বকাপ তিস্তা রক্ষায় পরিকল্পিত ড্রেজিং, নির্মিত হবে টেকসই বাঁধ: পানিসম্পদমন্ত্রী পূবাইলে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে এক শিশুর মৃত্যু হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু এনড্রিককে নিয়ে তাড়াহুড়ো নয় : আনচেলত্তি না ফেরার দেশে কবি আল মুজাহিদী জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই বাংলাদেশকে ১৯৭ রানের লক্ষ্য দিল অস্ট্রেলিয়া

গল টেস্ট শান্ত-মুশফিকের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের ঝলমলে দিন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৫, ০৬:০৬ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৫, ০৬:১০ পিএম
শান্ত-মুশফিকের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের ঝলমলে দিন
ছবি : সংগৃহীত

ইনিংসের ৮৬তম ওভারে আসিথা ফার্নান্দোর ডিফেন্সটা ঠিকঠাক করতে পারেননি ৯৯ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিকুর রহিম। বল পেছনে চলে যাওয়ায় তৈরি হয়েছিল বোল্ড হওয়ার ঝুঁকি। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়ায় বেঁচে যান। সুযোগ পেয়ে প্রান্ত বদল করে আদায় করে নেন ক্যারিয়ারের ১২তম টেস্ট সেঞ্চুরি। 

এই গলেই ২০১৩ সালে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে করেছিলেন ডাবল সেঞ্চুরি। সেই মাঠেই খারাপ সময় কাটিয়ে পেলেন শতকের দেখা। পাকিস্তানের মাটিতে ১৯১ রানের দুর্দান্ত ইনিংসের পর আরও ১৩ ইনিংস ব্যাটিং করেও ছিলেন পুরোপুরি ব্যর্থ। অবশেষে গলে পাওয়া অর্ধশতককে রূপান্তর করলেন শতকে। 

ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি কেবল ৫টি চারে। নেই কোনো ছয়। নার্ভাস নাইন্টিতে দীর্ঘক্ষণ সময় নিয়েছেন ম্যাজিকাল ফিগার স্পর্শ করার আগে। মুশফিক যখন মাঠে আসেন তখন ৪৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে দেখেশুনে খেলে দলের ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন।

এই শতকের পথে অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে। দিনশেষে বাংলাদেশের বোর্ডে রান যোগ হয়েছে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৯২। জোড়া শতক হাঁকানো নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের অবিচ্ছিন্ন জুটির রান রয়েছে ২৪৭। যা কিনা চতুর্থ উইকেটে গলে সর্বোচ্চ। মুশফিকুর রহিম অপরাজিত আছেন ১০৫ রানে। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট শতক হাঁকানোর পর মারমুখি ভঙ্গিমায় খেলতে থাকতে শান্তর ব্যাটে এসেছে আরও ৩৬ রান। অপরাজিত আছেন তিনি ১৩৬ রানে।

তবে বাংলাদেশের দিনের শুরুটা মোটেও ভালো ছিল না। মাত্র ৪৫ রানের মধ্যেই এনামুল হক বিজয়, সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হকের উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে সফরকারীরা। সেখান থেকেই দলকে টেনে তোলেন এই দুই ব্যাটার। গেল অনেকমাস ধরেই শান্ত ও মুমিনুলের পারফরম্যান্স নিয়ে হচ্ছিল সমালোচনা। আজ তাদের দৃঢ়তায় গল টেস্টের প্রথম দিনের প্রথম সেশনের বিপর্যয়ের পরও দিনটা বাংলাদেশের দখলে।

শ্রীলঙ্কার হয়ে বাংলাদেশের ইনিংসে আঘাত হানেন আসিথা ফার্নান্দো এনামুল হক বিজয়কে ০ রানে ফিরিয়ে। বাকি দুই উইকেট নেন থারিন্দু রথনায়েক ১৪ রান করা সাদমান ইসলাম ও ২৯ রান করে আউট হন মুমিনুল হক।

শেষের বিবর্ণতায় সিরিজ হার বাংলাদেশের

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম
শেষের বিবর্ণতায় সিরিজ হার বাংলাদেশের
ছবি: খবরের কাগজ

বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা যেমন হওয়া দরকার, বাংলাদেশের শুরুটা ছিল তেমনেই। এরপরও তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে হারই সঙ্গী হয়েছে টাইগারদের। কারণ শুরুর ওই ধারাটা শেষ পর্যন্ত টানতে ব্যর্থ ছিলেন স্বাগতিক ব্যাটাররা।

শুক্রবার (১৯ জুন) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৭ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। টানা দুই হারে সিরিজও হাতছাড়া হলো স্বাগতিকদের।

সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৪ উইকেটে জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। আগামী রবিবার তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে দুই দল। যে ম্যাচ এখন কেবলই আনুষ্ঠানিকতার।

দুই দল মিলিয়ে এ ম্যাচে রান হয়ে ৩৮৫। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যেকার লড়াইয়ে এতো রান আগে কখনো হয়নি। বাংলাদেশের সামনে ছিল ১৯৭ রানের লক্ষ্যে। তা তাড়ায় ৬ উইকেটে ১৮৯ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। 

যদিও দুই ওপেনার তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান দারুণ শুরু এনে দিয়েছিলেন দলকে। ১০ ওভারে ১০৩ রান তুলে ফেলেছিল স্বাগতিকরা। অর্থাৎ শেষ ১০ ওভারে ৯৪ রানের সমীকরণ মেলাতে হতো। ৬ উইকেট হাতে রেখে শেষ ৪ ওভারে দরকার ছিল ৪৪ রান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই সমীকরণ মিলাতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ।

মূলত ১৭তম ওভারে ১ উইকেট হারানোর বিপরীতে স্কোরবোর্ডে মাত্র ২ রান যোগ করার মাশুল গুনতে হয় দলকে। উইকেটে তখন ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন। ১৮তম ওভারে সাকলাইনের একটি বাউন্ডারিতে আসে ৮ রান। ১৯তম ওভারে সাকলাইনের একটি বাউন্ডারি ও হৃদয়ের একটি ওভার বাউন্ডারিতে আসে ১১ রান। তাতে শেষ ওভারে ২৩ রানের সমীকরণ দাঁড়ায় বাংলাদেশের সামনে। হৃদয়ের একটি করে চার ও ছক্কায় শেষ ওভারটিতে ১৫ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ। ফলে ৭ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় দলকে।

ইনিংসের শেষ বলে বাউন্ডারি লাইনে ধরা পড়া হৃদয় ২২ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ রান করেন। সাকলাইন অপরাজিত ছিলেন ১৩ রানে। সর্বোচ্চ ৩৩ বলে ৪২ রান করেন ওপনার সাইফ হাসান। আরেক ওপেনার তানজিদ ১৫ বলে ৩০ রান করেন। চারে নামা পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাট থেকে এসেছে ২২ বলে ৩৬ রান। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বাধিক ২ উইকেট নেন অ্যারন হার্ডি।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ম্যাট রেনশর দাপুটে ব্যাটিংয়ে ৫ উইকেটে ১৯৬ রানের পুঁজি গড়ে অজিরা। রেনশ ৫২ বলে ৪ চার ও ৫ ছক্কায় ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। চতুর্থ উইকেটে টিম ডেভিডের সঙ্গে ৯৭ রানের জুটি উপহার দেন তিনি। টিম ডেভিড ২৬ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৫ রান করেন।

ডেভিড ফিরে যাওয়ার পর ষষ্ঠ উইকেটে জোয়েল ডেভিসের সঙ্গে আরেকটি দারুণ জুটি উপহার দেন রেনশ। অবিচ্ছিন্ন এই জুটিতে আসে ২৪ বলে ৪২ রান। ডেভিস ৮ বলে ১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।

বাংলাদেশের বোলারদের পক্ষে নাসুম আহমেদ ২৭ রান খরচায় সর্বাধিক ২ শিকার ধরেন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন আব্দুল গাফফার সাকলায়েন, নাহিদ রানা ও মোস্তাফিজুর রহমান।

ব্যাট হাতে আলো কাড়ার পর বল হাতে ১ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন রেনশ।

তোফায়েল/এসএন

এনড্রিককে নিয়ে তাড়াহুড়ো নয় : আনচেলত্তি

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৫:১০ পিএম
এনড্রিককে নিয়ে তাড়াহুড়ো নয় : আনচেলত্তি
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাজিল স্ট্রাইকার এনড্রিককে শুরুর একাদশে রাখার দাবিতে চারদিক থেকে চাপ বাড়লেও নিজের সিদ্ধান্তে অবিচল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ১৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডকে আরও বেশি খেলার সুযোগ দেওয়ার জোরালো দাবি উঠলেও ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন মাস্টারমাইন্ড আনচেলত্তি।

তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন, চলমান বিশ্বকাপেই সঠিক সময়ে মাঠে নামার সুযোগ পাবেন ব্রাজিলের এই উদীয়মান তারকা। আনচেলত্তি বলেন, ‘আমি এনড্রিককে একদম সঠিক সময়ে মাঠে নামাবো। আমাদের আরও একটু অপেক্ষা করতে হবে এবং সে দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।’

এনড্রিকের প্রতিভার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ব্রাজিল কোচ। দলের অন্যান্য আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের তুলনায় তাকে সম্পূর্ণ আলাদা ধরনের ফুটবলার হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি।

আনচেলত্তি বলেন, ‘মাথেউস কুনিয়া মূলত একজন টিম প্লেয়ার, যার মধ্যে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের বৈশিষ্ট্য বেশি। অন্যদিকে ইগর থিয়াগো দ্বৈরথে শক্তিশালী এবং বল পুনরুদ্ধারে খুবই আগ্রাসী। কিন্তু এনড্রিক এই দুজনের মতো নয়। ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে মনে হয়, ও সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার একজন খেলোয়াড় এবং এক অসাধারণ প্রতিভা।’

তিনি আরও বলেন, ‘ব্রাজিল এই বিশ্বকাপ ও আগামী বিশ্বকাপেও ওর প্রতিভার পূর্ণ সুবিধা পাবে। কেননা সে অত্যন্ত ধৈর্যশীল, কোনো তাড়াহুড়ো নেই এবং এই বয়সেই দারুণ পরিপক্ব। পরিবারের সমর্থনও ওর বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।’

এদিকে মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই একাদশে জায়গা পাওয়ার দাবি এনড্রিকের।

বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে জয়সূচক গোলটি করেছিলেন তিনি। তবে মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে পুরো সময় বেঞ্চে বসে থাকতে হয় এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে।

পাপ্পু/আমান

বাংলাদেশকে ১৯৭ রানের লক্ষ্য দিল অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
বাংলাদেশকে ১৯৭ রানের লক্ষ্য দিল অস্ট্রেলিয়া
ছবি: সংগৃহীত

তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে বড় লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে জয়ের হাসি হাসতে স্বাগতিকদের করতে হবে ১৯৭ রান।

শুক্রবার (১৯ জুন) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে অজিরা। ম্যাট রেনশর দাপুটে ফিফটিতে ব্যাটিংয়ে ভর করে ৫ উইকেটে ১৯৬ রানের পুঁজি গড়ে দলটি।

রেনশ ৫২ বলে ৪ চার ও ৫ ছক্কায় ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। চতুর্থ উইকেটে টিম ডেভিডের সঙ্গে ৯৭ রানের জুটি উপহার দেন তিনি। টিম ডেভিড ২৬ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৫ রান করেন।

ডেভিড ফিরে যাওয়ার পর ষষ্ঠ উইকেটে জোয়েল ডেভিসের সঙ্গে আরেকটি দারুণ জুটি উপহার দেন রেনশ। অবিচ্ছিন্ন এই জুটিতে আসে ২৪ বলে ৪২ রান। ডেভিস ৮ বলে ১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।

বাংলাদেশের বোলারদের পক্ষে নাসুম আহমেদ ২৭ রান খরচায় সর্বাধিক ২ শিকার ধরেন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন আব্দুল গাফফার সাকলায়েন, নাহিদ রানা ও মোস্তাফিজুর রহমান।

সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৪ উইকেটে জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া।

নাইম/আমান

সমালোচনার জবাব দিতে হয় পারফরম্যান্সে: রদ্রিগো

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
সমালোচনার জবাব দিতে হয় পারফরম্যান্সে: রদ্রিগো
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের চাপ, সমর্থকদের প্রত্যাশা এবং সোশ্যাল মিডিয়ার সমালোচনা- সবকিছুর মধ্যেই খেলোয়াড়দের নিজেদের খেলার প্রতি মনোযোগী থাকতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা রদ্রিগো। তার মতে, খেলোয়াড়রাও মানুষ; তাই নেতিবাচক মন্তব্য তাদের কাছেও পৌঁছায়, তবে শেষ পর্যন্ত জবাব দিতে হয় মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই।

চোটের কারণে ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলতে না পারলেও টুর্নামেন্টকে কাছ থেকে দেখছেন রদ্রিগো। নিউ ইয়র্কে একাধিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি ফুটবল কিংবদন্তি মার্সেলো, কাকা, পল পগবা ও জিনেদিন জিদানের সঙ্গে সময় কাটানোর অভিজ্ঞতাকে স্মরণীয় বলে উল্লেখ করেন।

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শুরুর ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ড্র নিয়ে রদ্রিগো জানান, টুর্নামেন্টের শুরুতে এমন ফল হতাশাজনক হলেও এটিই শেষ কথা নয়। তার ভাষায়, ‘বিশ্বকাপ এমন একটি প্রতিযোগিতা যেখানে প্রতিটি ম্যাচ নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে। একটি ম্যাচ খারাপ গেলেই পুরো টুর্নামেন্ট খারাপ যাবে, এমন নয়।’

সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব প্রসঙ্গে রদ্রিগো বলেন, ‘খেলোয়াড়রা আলোচনার বাইরে নন। নেতিবাচক মন্তব্য বা সমালোচনা বিভিন্নভাবে আমাদের কাছেও পৌঁছে যায়। কারণ দিনশেষে আমরাও মানুষ। তবে আবেগ নয়, মাঠের পারফরম্যান্সই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

ব্রাজিলের জার্সি গায়ে খেলার চাপকে স্বাভাবিক বলেও উল্লেখ করেন তিনি। রদ্রিগোর মতে, পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের হয়ে খেললে প্রত্যাশা অনেক বেশি থাকে, তাই সমালোচনা ও প্রশংসা- দুটোকেই ভারসাম্যের সঙ্গে গ্রহণ করতে জানতে হয়।

রদ্রিগোর কথায় বলেন, ‘একটি সমালোচনা পৃথিবীর শেষ নয়, আবার অতিরিক্ত প্রশংসাও সাফল্যের নিশ্চয়তা দেয় না। তাই আমাদের দায়িত্ব হলো মাঠের খেলায় মনোযোগ দেওয়া এবং পারফরম্যান্স দিয়েই জবাব দেওয়া।’

পাপ্পু/অনিক/

মাঠে নেইমারের প্রভাব ব্যাখ্যা করলেন দানিলো

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম
মাঠে নেইমারের প্রভাব ব্যাখ্যা করলেন দানিলো
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন বিশ্বকাপ ম্যাচগুলোতে নেইমারকে দলে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে ব্রাজিল। তার উপস্থিতি কীভাবে দলের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, তা তুলে ধরেছেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার দানিলো। একই সঙ্গে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে আত্মতুষ্টি এড়িয়ে বাস্তববাদী থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

দানিলোর মতে, নেইমারের মতো একজন খেলোয়াড় মাঠে থাকলেই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ বাড়তি চাপে পড়ে। তিনি বলেন, ‘দলে নেইমারের মতো একজন খেলোয়াড় থাকলে প্রতিপক্ষ স্বাভাবিকভাবেই তাকে ঠেকাতে অতিরিক্ত মনোযোগ দেয়। অনেক সময় দুজন খেলোয়াড় তাকে মার্ক করতে ব্যস্ত থাকে, ফলে আমাদের অন্য খেলোয়াড়রা ফাঁকা জায়গা পেয়ে যায়। শুধু তার উপস্থিতিই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে এলোমেলো করে দিতে পারে। তবে আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে। আমরা আশা করছি, সে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ফিরে এসে দলকে সাহায্য করবে। তার সামর্থ্য নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই।’

ডান পায়ের কাফ ইনজুরির কারণে গত কয়েক সপ্তাহ মাঠের বাইরে ছিলেন নেইমার। গত বুধবার তিনি একক অনুশীলনে ফিরলেও বৃহস্পতিবার দলের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনে অংশ নেন। অনুশীলনে ফেরার সময় সতীর্থদের করতালি ও শুভেচ্ছায় উষ্ণ অভ্যর্থনা পান ব্রাজিলিয়ান তারকা। তবে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে তার খেলা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চান না বলে জানিয়েছেন।

বিশ্বকাপের ‘সি’ গ্রুপে ফিলাডেলফিয়ায় নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আগামীকাল বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টায় হাইতির মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের আগে দানিলো দলকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আধুনিক ফুটবলে কোনো ম্যাচই সহজ নয়। প্রতিটি দল নিজেদের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করে। ব্রাজিলকে কৌশলগতভাবে সঠিক অবস্থানে থেকে নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত ফুটবল খেলতে হবে। আমরা শুরু থেকেই বড় ব্যবধানে জয়ের কথা ভাবতে পারি না। সেটি প্রতিপক্ষকে অসম্মান করা হবে। আমাদের মাঠে প্রমাণ করতে হবে যে জয় পাওয়ার জন্য আমরা কতটা ক্ষুধার্ত।’

পাপ্পু/অনিক/