অলরাউন্ডারদের সুবিধা হলো, যেকোনো একদিক দিয়ে পুষিয়ে দেওয়া যায়। ব্যাটিং বা বোলিং যেকোনো একটি দিয়ে পুষিয়ে দেওয়ার সুযোগ থাকে প্রতি ম্যাচেই। কিন্তু সাকিব আল হাসান যেন এখন কোনোদিকেই ঠিকঠাক সুবিধা করতে পারেন না। একদিন ভালো করলেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
গ্লোবাল সুপার লিগে দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে ৩৭ ৫৮ রান ও ১৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করে প্রথম ম্যাচেই হয়েছিলেন ম্যাচসেরা। কিন্তু এরপরই টানা দুই ম্যাচ হলেন ব্যর্থ।
হোবার্ট হারিকেন্সের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ৭ রান করার পর বল হাতে উইকেটশূন্য ছিলেন ৪ ওভারে ৩৪ রান খরচায়। একইভাবে ফের ব্যর্থ হলেন গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষেও। ব্যাটে-বলে দুদিকেই নিষ্প্রভ ছিলেন তিনি।
এই ম্যাচে মঈন আলীর অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে গায়ানা অ্যামাজন ৫৭ রানে হারিয়েছে সাকিবের দল দুবাই ক্যাপিটালসকে। গায়ানা অ্যামাজন আগে ব্যাটিং করে মাত্র ১৩৭ রান তুললেও সেটি টপকাতে পারেনি দুবাই।
দুবাইয়ের হয়ে ৩১ রানে ৪ উইকেট নেন বাঁহাতি পেসার কলিম সানা। সাকিব ৪ ওভারে ইকনমিকাল থাকলেও কোনো উইকেট পাননি। ২১ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন তিনি।
পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নামা সাকিব যখন ক্রিজে আসেন ততক্ষণে ৩৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল দুবাই। দুই বলে দুই উইকেট হারিয়ে সাকিবকে মোকাবিলা করতে হয় হ্যাটট্রিক বল। সেটি ঠিকঠাক সামলে নিলেও সফল হননি ব্যাট হাতে। ৫ বলে ৪ রান করে বোল্ড হয়েছেন মঈন আলীর বলে।
শেষ পর্যন্ত দুবাই ক্যাপিটালস ৮১ রানে অলআউট হলে বড় ব্যবধানেই হারেন সাকিবরা।