ঘরের মাঠে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন লিওনেল মেসি। ধারণা করা হচ্ছে এটিই মেসির শেষ ম্যাচ ছিল ঘরের মাঠে। দারুণ পারফরম্যান্স করা মেসি ইন্টার মায়ামির জার্সিতে ফিরেই যেন মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখলেন।
শার্লট এফসির বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করেছেন মেসি। প্রতিপক্ষের ইদান তোকলোমাতির হ্যাটট্রিকে হেরেছে মায়ামি।
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে শার্লট এফসির মাঠ ব্যাংক অব আমেরিকা স্টেডিয়ামে হওয়া ম্যাচটিতে বল দখলে এগিয়ে থেকেও ফলাফল নিজেদের পক্ষে আনতে পারেনি মায়ামি। ৫৭ শতাংশ বল দখলে রাখেন মেসিরা আর শার্লট এফসি রাখে ৪৩ শতাংশ।
শার্লট ম্যাচে জয় পায় তোকলোমাতির তেলেসমাতি পারফরম্যান্সে। পেশাদার ক্যারিয়ারে দেখা পেয়েছেন প্রথম হ্যাটট্রিকের। দীর্ঘ ২৭ বছর পর ২১ বছর বা এরচেয়ে কম বয়সী কেউ টানা সাত ম্যাচে গোলে অবদান রাখলেন।
হেরে যাওয়া ম্যাচটির ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ইন্টার মায়ামি। জর্দি আলবার নেওয়া পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক শট ঠেকান শার্লট এসফির গোলজুপার ক্রিস্টিয়ান কাহলিনা।
মায়ামি বেশ চাপে রেখেই খেলতে থাকে শার্লটের বিপক্ষে। ২৮ মিনিটে মেসিকে ডিবক্সে ফেলে দেন শার্লট এফসির ডিফেন্ডার। পরে ভিএআর দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। ৩২ মিনিটে স্পটকিকে মেসির পানেনকা শট ঠেকিয়ে দেন প্রতিপক্ষের গোলকিপার।
মেসির মিসে স্বস্তি পায় শার্লট এফসি। পরে মিনিট দুয়েক পর কাউন্টার অ্যাটাকে গোল করে লিড নেয় শার্লট। ইসরায়েলি স্ট্রাইকার তোকলোমাতি পান গোলের দেখা। দ্বিতীয়ার্ধের ৪৭ মিনিটে আবারও গোল করেন তোকলোমাতি। ৮৪ মিনিটে পেনাল্টি পায় শার্লট। যা তোকলোমাতির হ্যাটট্রিক পূর্ণ করার উপলক্ষ্য এনে দেয়। স্পটকিকে ভুল করেননি তিনি। ফলে ৩-০ ব্যবধানে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হার নিশ্চিত হয় মায়ামির।
নিষেধাজ্ঞার কারণে সুয়ারেজকে ছাড়া খেলেছে ফ্লোরিডার ক্লাবটি। এমনকি তারা সর্বশেষ চার ম্যাচের মধ্যে ৩টিতেই জয়হীন। অন্যদিকে, শার্লট নিজেদের রেকর্ড সর্বোচ্চ টানা নবম ম্যাচে জয় পেল।
নিলয়/