আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ মিনিটে রুবেন নেভেসের গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে পর্তুগাল। তবে এই ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আইরিশদের বিপক্ষে ম্যাচটিতে ছিল উপভোগের সকল উপাদানই।
পর্তুগাল ম্যাচের প্রায় পুরোটা সময়জুড়েই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেও পাচ্ছিল না গোলের দেখা। এতটাই আধিপত্য তারা দেখিয়েছে যে তাদের ৩০ শটের বিপরীতে মাত্র দুটি শট নিতে পেরেছে আয়ারল্যান্ড। এত এত শট নিলেও, লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে রোনালদোরা মাত্র ৬টি। আর দুটি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি কোনোটিই আয়ারল্যান্ড।
ম্যাচের ১৭তম মিনিটে রোনালদোর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ৭৫তম মিনিটে তার নেওয়া পেনাল্টি দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন আয়ারল্যান্ডের গোলকিপার কাওইমিন কেলাহার।
পর্তুগালের একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়ে সবাই অবাক করে দিচ্ছিলেন আয়ারল্যান্ডের গোলকিপার। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ছিলেনও তিনি। কেবল ওই পেনাল্টিই নয়। ঠেকিয়ে দেন ব্রুনো ফার্নান্দেস, ভিতিনিয়া ও বের্নার্দো সিলভার শটও।
বারবার আক্রমণ করেও ব্যর্থ হওয়ার হতাশা গ্রাস করে পর্তুগালকে। আক্রমণ ঠেকাতে ব্যস্ত আইরিশরা পারেনি আক্রমণ সাজাতে। ম্যাচের পুরোটা সময় কেটেছে শুধু পর্তুগালকে আটকাতে।
ম্যাচের ১৩তম মিনিটে এবোসেলে একবার পর্তুগাল গোলকিপার দিয়োগো কস্তাকে পরীক্ষা নেন। এরপর পুরো ম্যাচজুড়েই আয়ারল্যান্ড ছিল রক্ষণে ব্যস্ত, আর বলের দখল ছিল পর্তুগালের।
অসংখ্যবার চেষ্টা চালিয়েও গোলের দেখা না পাওয়া পর্তুগাল ডেডলক ভাঙে ৯০ মিনিটে রুবেন নেভেসের গোলে। মিডফিল্ডার ফ্রান্সিসকো ট্রিনকাওয়ের ক্রস থেকে হেডে গোল করে পর্তুগালকে জয় এনে দেন।
গোলের পর নেভেস সেটি উৎসর্গ করেন প্রয়াত বন্ধু দিয়োগো জোটাকে।
তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে গ্রুপ ‘এফ’-এর শীর্ষে আছে পর্তুগাল। দ্বিতীয় স্থানে হাঙ্গেরি ৪ পয়েন্টে, এরপর আর্মেনিয়া ৩ ও আয়ারল্যান্ড ১ পয়েন্টে। পর্তুগালের পরের ম্যাচও লিসবনে, প্রতিপক্ষ হাঙ্গেরি।
নিলয়/