প্রথমে ম্যাচে গোলের দেখা পেয়েছিল ইন্টার মায়ামিই। লিওনেল মেসি এগিয়ে নেন মায়ামিকে। কিন্তু প্রথমার্ধের শেষদিকে পরপর দুই গোল করে এগিয়ে যায় ন্যাশভিলে। সেই ম্যাচ মায়ামি জিতেছে ৫-২ ব্যবধানে মেসির হ্যাটট্রিকে।
দারুণ এই হ্যাটট্রিকে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আর্জেন্টিনার এই তারকা ফুটবলার। গেল বেশ কিছুদিন ধরে একের পর এক জাদুকরি পারফরম্যান্সে তাক লাগিয়ে যাচ্ছেন তিনি ৩৮ বছর বয়সেও। এটি মেসির এমএলএস ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। চলমান মৌসুমে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসির গোলসংখ্যা এখন ২৯।
ম্যাচের ৩৫ মিনিটে মেসি এগিয়ে নেন মায়ামিকে। সেটি ছিল ম্যাচেরই প্রথম গোল। বক্সের বাইরে থেকে দারুণ শটে প্রতিপক্ষের জাল কাঁপান তিনি। তবে ৪৩ মিনিটে স্যাম সুরিজের হেডে সমতা ফেরায় ন্যাশভিল।
প্রথমার্ধে আগে মায়ামি গোলের দেখা পেলেও আক্রমণ বেশি ছিল ন্যাশভিলের। সেটিকে কাজে লাগিয়ে হানি মুখতারের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে রিবাউন্ড থেকে জ্যাকব শ্যাফেলবার্গ গোল করে ন্যাশভিলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
বিরতির আগেই পিছিয়ে পড়া মায়ামিকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন মেসি। ৬২ মিনিটে পেনাল্টি পায় মায়ামি। বক্সের ভেতর বল লাগে অ্যান্ডি নাজারের হাতে। স্পটকিক থেকে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান মেসি। চার মিনিট পর বালতাসার রদ্রিগেজের শটে আবারও এগিয়ে যায় ইন্টার মিয়ামি।
৩-২ গোলে এগিয়ে থাকা মায়ামিকে আবারও গোলের স্বাদ দেন মেসিই। ৮১ মিনিটে বক্সের মাঝখান থেকে বাঁ পায়ের মাপা শটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন মেসি। তেলাস্কো সেগোভিয়া ইনজুরি টাইমের শুরুতেই গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন ৫-২ এ।
হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে বেশ এগিয়ে গেছেন মেসি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা স্যাম সুরিজ ও ডেনিস বুয়াঙ্গার চেয়ে পাঁচ গোল এগিয়ে।
নিলয়/