খৈ খৈ মারমা ও বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর আধিপত্যের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ৪০তম জাতীয় টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) শেষ হওয়া এই আসরে সিনিয়র ও জুনিয়র মিলিয়ে ১৪টি ইভেন্টের মধ্যে ৯টিতেই স্বর্ণ জিতে দলগতভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বিকেএসপি। আর ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে সবাইকে ছাপিয়ে গেছেন দলটির খৈ খৈ মারমা।
সিনিয়র ও জুনিয়র- দুই বিভাগেই নারী এককে সেরা হয়েছেন খৈ খৈ। সিনিয়র বিভাগে এবারই প্রথম শিরোপা জিতলেন তিনি। অর্থাৎ জাতীয় টিটিতে পেল নতুন রানী। জুনিয়র জাতীয় প্রতিযোগিতায় অবশ্য এটি তার দ্বিতীয় শিরোপা। সব মিলিয়ে এবার ৮টি ইভেন্টে অংশ নিয়েছেন রাঙামাটির এই পাহাড়ি কন্যা খৈ খৈ, যার ৬টিতেই জিতেছেন স্বর্ণ।
নারী একক ও বালিকা এককের পাশাপাশি তিনি স্বর্ণ জিতেছেন আরও চারটি ইভেন্টে-বালিকা দ্বৈত, বালিকা দলগত, কনিষ্ঠ মিশ্র দ্বৈত ও জ্যেষ্ঠ মিশ্র দ্বৈতে। এ ছাড়া নারী দলগত ইভেন্টে রুপা এবং নারী দ্বৈতে ব্রোঞ্জ জিতেছেন তিনি।
নারী এককের ফাইনালে গতবারের চ্যাম্পিয়ন অভিজ্ঞ সাদিয়া রহমান মৌকে দাঁড়াতেই দেননি খৈ খৈ। ৩-০ সেটে জয় তুলে নেন তিনি।
পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে খৈ খৈ বলেন, ‘লড়াইটা সহজ ছিল না। কারণ দলগত ইভেন্টে আমি ওনার সঙ্গে দাঁড়াতেই পারিনি। ওনার সঙ্গে খেলা আসলে খুবই টাফ। তবু আমি চেষ্টা করেছি নিজের খেলাটা চালিয়ে যাওয়ার।’
ছেলেদের এককে শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছেন মুহতাসিন আহমেদ হৃদয়। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত ৩৯তম জাতীয় প্রতিযোগিতায় যাঁর কাছে হেরেছিলেন, সেই রামহিম লিয়ান বমকে ৩-১ সেটে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো এককে সেরা হন তিনি। এর আগে ২০১৮ ও ২০২১ সালের বাংলাদেশ গেমসেও এককে সেরা হয়েছিলেন হৃদয়।
এবার পুরুষ দ্বৈত ও পুরুষ দলগত ইভেন্টেও স্বর্ণ জিতেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই তারকা।
নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে হৃদয় বলেন, ‘এ বছর এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হবে। আমার লক্ষ্য সেখানে ভালো কিছু করা।’