নামিবিয়াকে ৩১ রানে হারিয়ে সুপার এইটে যাওয়ার লড়াইয়ে বেশ ভালোভাবেই শামিল রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল চেন্নাইয়ে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে যুক্তরাষ্ট্র ৪ উইকেটে ১৯৯ রানের মজবুত সংগ্রহ দাঁড় করায়। জবাব দিতে নেমে নামিবিয়ার টপকে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তারা ৬ উইকেটে ১৬৮ রান করে।
এবার আসরে প্রথম দল হিসেবে গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ৪ ম্যাচে দ্বিতীয় জয় তাদের পয়েন্ট ৪। সুপার এইটে যাওয়া তাদের নির্ভর করবে গ্রুপের অন্য দলগুলোর ম্যাচের ফলাফলের ওপর। ভারত ও পাকিস্তানের যে কোনো একটি দল তাদের শেষ ২ ম্যাচে হেরে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
গতকাল নিজেদের মাঠে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলে তারা সুপার এইটে খেলেছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের ইনিংস গড়ে উঠে দুই ওপেনারের হাত ধরেই। অধিনায়ক মোনাক প্যাটেল ও শায়ান জাহাঙ্গীর উদ্বোধনী জুটিতে ৬.৫ ওভারে ৬৮ রান যোগ করে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। শায়ান জাহাঙ্গীর ১ ছক্কা ও ২ চারে ২২ রান করে আউট হলেও মোনাক প্যাটেল আক্রমণাত্মক ব্যাটিং অব্যাহত রাখেন। তিনি যখন আউট হন, তখন নামের পাশে শোভা পাচ্ছে ৩০ বলে ৩টি করে চার ও ছয় মেরে ৫২ রান। দলের রান ছিল ১০.২ ওভারে ৮৯।
শুরুর এই ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে পরে তাল মেলান ম্যাচসেরা সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি ও মিলান্দ কুমার। দু’জন চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৭.৪ ওভারে ৮৭ রান যোগ করেন। মিলান্দ ২৮ রান করে আউট হলেও সঞ্জয় ৩৩ বলে ৬ ছক্কা ও ৪ চারে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ বলে তিনি রান নিতে না পারায় দলের রান দুইশ পৌঁছাতে পারেনি। মাইবুর্গ ২২ এবং এরাসমাস ২৭ রানে ২টি করে উইকেট নেন।
২০০ রান করার লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে নামিবিয়ার শুরুটা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও ভালো। ১০ ওভার শেষে যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের রান ছিল ১ উইকেটে ৮৮, সেখানে নামিবিয়ার রান ছিল ১ উইকেটে ৯৭। তাদের এমন সূচনা এনে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার লুরেন স্টিনক্যাম্প (৩৯ বলে ৩ ছক্কা ও ৫ চারে ৫৮) এবং জেন ফ্রাইলিঙ্ক (১৫ বলে ১টি করে চার ও ছয়)। এছাড়া জেন নিকোল ইটোন ১৭ বলে ৪ চারে ২৮ রান করেন।
কিন্তু এই সূচনা পরে তারা ধরে রাখতে পারেনি। পরের ১০ ওভারে তারা ৫ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৭১ রান করে ম্যাচ হারে ৩৩ রানে। শ্যাডলি ভ্যান শাল্কউইক ৩০ রানে ২টি উইকেট নেন।
রিফাত/