গ্লেন ফিলিপস, নিউজিল্যান্ডের বিশ্বকাপের দলে থাকা ৬ অলরাউন্ডারের একজন। আহমেদাবাদে হাইভোল্টেজ ফাইনালের আগে দলকে চাপমুক্ত রাখতে দারুণ এক কৌশল অবলম্বন করলেন তিনি। উচ্চসুরে বলেছেন, শত কোটির ভারতের বিপক্ষে ফাইনাল খেলাই অর্ধকোটির নিউজিল্যান্ডের বড় অর্জন।
আগামীকাল (৮ মার্চ) নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনালের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ফিলিপস। সেখানে তিনি বলেন, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি নিউজিল্যান্ডের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ, কারণ ভারতের জনসংখ্যা ১৪০ কোটিরও বেশি এবং তাদের প্রতিভার ভাণ্ডারও অনেক বড়।
ফিলিপসের কথায়, ‘স্পষ্টতই আমাদের দেশে মানুষ কম, তাই খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার সুযোগও কম। এজন্য আমাদের হাই পারফরম্যান্স প্রোগ্রাম খুব নির্দিষ্টভাবে সাজাতে হয়, যাতে আমাদের জনসংখ্যা অনুযায়ী সর্বোচ্চ প্রতিভা তুলে আনা যায়।’
মজার বিষয় হলো, বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ফিল্ডার হিসেবে পরিচিত এই কিউই ক্রিকেটার ম্যাচের আগে ভারতের ওপরই চাপটা কিছুটা ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কারণ স্বাগতিক দল হিসেবে ভারতের ওপর এক বিলিয়নেরও বেশি সমর্থকের প্রত্যাশার চাপ থাকবে।
তুলনার জন্য বলা যায়, নিউজিল্যান্ডের জনসংখ্যা প্রায় ৫.৩৬ মিলিয়ন (৫৩.৬ লাখ)। যা শুধু আহমেদাবাদ শহরের জনসংখ্যার চেয়েও প্রায় ৪০ লাখ কম। শহরটির জনসংখ্যা প্রায় ৯.৩ মিলিয়ন বলে ধারণা করা হয়।
ফিলিপস বলেন, ‘ভারত থেকে যে পরিমাণ প্রতিভা বের হয়ে আসে তা অসাধারণ। তারা চাইলে সম্ভবত তিনটি দল গঠন করতে পারে, যেগুলো এই বিশ্বকাপেও সমানভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারত। তাই এত ছোট জনসংখ্যা নিয়েও বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারাটা আমাদের জন্য দারুণ বিষয়।’
অনিক/