ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার বেঙ্গালুরুর (আরসিবি) সিইও রাজেশ মেনন, গত মৌসুমে তাদের শিরোপা জয়ের পর ঘটে যাওয়া ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের স্মরণে এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সব ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ম্যাচেই ১১টি আসন খালি রাখা হবে।
মেনন আরও জানান, পুরো মৌসুম জুড়ে অনুশীলন ম্যাচে খেলোয়াড়রা ১১ নম্বর জার্সি পরবেন এবং এই আসরের সব ম্যাচে কালো আর্মব্যান্ড ধারণ করবেন।
আজ (২৪ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘(গত) ৪ জুন আমরা যে ১১ জন ভক্তকে হারিয়েছি, তাদের স্মরণে খেলোয়াড়রা অনুশীলনের সময় ১১ নম্বর জার্সি পরবে। ম্যাচের দিন এবং ম্যাচের আগে অনুশীলনের সময়ও তারা ১১ নম্বর জার্সি পরবে। তাই ম্যাচে নয়, অনুশীলনের সময় সব খেলোয়াড়ের জার্সির পেছনে ১১ নম্বর থাকবে। এছাড়াও, তারা ওই দিনে কালো আর্মব্যান্ড পরবে। আমরা চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে স্থায়ীভাবে ১১টি আসন খালি রাখার বিষয়টিও বিবেচনা করছি। এই ১১ জন ভক্ত আমাদের সঙ্গে চিরকাল থাকবেন, এই কারণেই এই উদ্যোগ।’
মেনন আরও বলেন, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ মৌসুমে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য আরও কী করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
২০২৫ সালের ৪ জুন বেঙ্গালুরুতে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে আরসিবির জয় উদযাপনের সময় একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে, প্রায় ৩ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে এই দুর্ঘটনায় ১১ জন ভক্ত নিহত হন এবং ৫০ জনের বেশি আহত হন। কর্ণাটক সরকার এই ঘটনার জন্য আরসিবি, কর্ণাটক রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এবং ইভেন্ট পার্টনারদের প্রয়োজনীয় অনুমতি না নেওয়া ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য দায়ী করে।
পরবর্তীতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি নিহত প্রত্যেকের পরিবারের জন্য ২৫ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করে। সেই ঘটনার পর থেকে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আরসিবির কোনো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে এখন সরকারি অনুমতি পাওয়ার পর আরসিবি সেখানে পাঁচটি ম্যাচ খেলবে বলে আগেই জানিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
অনিক/