ক্রিকেট (সরাসরি)
পিএসএল
লাহোর-মুলতান, রাত ৮টা
টি স্পোর্টস
আইপিএল
চেন্নাই-পাঞ্জাব, রাত ৮টা
স্টার স্পোর্টস নেটওয়ার্ক
ক্রিকেট (সরাসরি)
পিএসএল
লাহোর-মুলতান, রাত ৮টা
টি স্পোর্টস
আইপিএল
চেন্নাই-পাঞ্জাব, রাত ৮টা
স্টার স্পোর্টস নেটওয়ার্ক
আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণেও প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধে ১৩ মিনিটে আসে ৩ গোল। তাতে ২-১ গোলে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। কিন্তু শেষ মুহূর্তে জাপানের গোলে জয়বঞ্চিত হয়েছে নেদারল্যান্ডস। পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের।
রবিবার (১৪ জুন) ডালাসের এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে দুদলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে। কিন্তু কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। এতে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামার ৫ মিনিট পরই গোলের দেখা পায় নেদারল্যান্ডস। ৫১ মিনিটে রায়ান গ্রাভেনবার্চের ক্রস ফাঁকা জায়গায় পেয়ে হেডে গোল করেন ভার্জিল ফন ডাইক। বলটি পোস্টে লেগে জালে জড়ায়।
ফন ডাইকের গোলে এগিয়ে গেলেও মাত্র ৬ মিনিট লিড ধরে রাখতে সক্ষম হয় ডাচরা। ম্যাচের ৫৭ মিনিটে তাকেফুসা কুবো বাঁ প্রান্ত দিয়ে এগিয়ে গিয়ে কেইতো নাকামুরার দিকে নিখুঁত পাস বাড়ান এবং তিনি দারুণ শটে বল জালে জড়ান। তার গোলে সমতায় ফিরে জাপান।
ম্যাচের ৬৪ মিনিটে আসে তৃতীয় গোল। এবার নেদারল্যান্ডসের গোলের নায়ক ক্রিসেনসিও সামারভিল। পেনাল্টি বক্সের ওপর দিয়ে আড়াআড়িভাবে এগিয়ে গিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে বল পাঠিয়ে দেন জালে। গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না সেই শট ঠেকানোর। মাত্র ১৩ মিনিটেই আসে তিন গোল।
২-১ গোলে এগিয়ে থেকে নেদারল্যান্ডস যখন জয়ের স্বপ্ন বুনছিল সে সময় তাদের জয়ের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ান দাইচি কামাদা।
কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে হেডে জালে জড়ান কোকি ওগাওয়া। ডাচ গোলরক্ষক বার্ট ফারব্রুগেনের হাতে বল লাগলেও তিনি তা জালে ঢোকা থেকে ঠেকাতে পারেননি।
পরবর্তী সময়ে রিপ্লেতে দেখা যায়, বলটি জালে যাওয়ার আগে দাইচি কামাদার শরীর স্পর্শ করে। যার ফলে গোলের কৃতিত্ব তারই। এতে ১ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে জাপান।
সালমান/
আগামী ১৭ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আর এই ম্যাচে মাঠে নামলেই দারুণ এক রেকর্ড গড়বেন দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে এখন পর্যন্ত ১৯৯ ম্যাচ খেলেছেন মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামলেই ২০০ ম্যাচ খেলার রেকর্ডে নাম লেখাবেন সর্বোচ্চ আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা।
এদিকে মেসির ফিটনেস ইস্যুতে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল আর্জেন্টিনা শিবিরে। কেননা গত মাসে ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির ৬-৪ গোলের জয়ের ম্যাচে হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যার কারণে মাঠ ছাড়তে হয় মেসিকে। কিন্তু আইসল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে নেমে সেই শঙ্কা দূর করেন তিনি। সেই ম্যাচে ২০ মিনিটের মতো মাঠে ছিলেন মেসি। নামার কিছুক্ষণ পর পেনাল্টি থেকে গোলও আদায় করে নেন তিনি। এবার অধিনায়ককে নিয়েই মূল লড়াইয়ে নামার অপেক্ষায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
প্রসঙ্গত, সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডটি পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। তিনি এখন পর্যন্ত ২২৮টি ম্যাচ খেলেছেন। ২০২টি ম্যাচ খেলে তালিকায় দুইয়ে আছেন কুয়েতের বাদের আল মুতাওয়া। আর তিনে আছেন মেসি।
সালমান/
কুরাসাওয়ের ডাচ কোচ ডিক অ্যাডভোকাট ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক কোচ হিসেবে রেকর্ড গড়েছেন। চলতি বিশ্বকাপে জার্মানির বিপক্ষে কুরাসাওয়ের প্রথম ম্যাচে দায়িত্ব পালন করার সময় তার বয়স ছিল ৭৮ বছর ২৬০ দিন।
অ্যাডভোকাট এই রেকর্ড গড়েন চলতি বিশ্বকাপেই গড়া আগের রেকর্ডটি ভেঙে। এর আগে, মিরোস্লাভ কৌবেক (চেক প্রজাতন্ত্র) এবং হুগো ব্রুস (দক্ষিণ আফ্রিকা) ৭৪ বছর বয়সে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়স্ক কোচ হিসেবে রেকর্ড গড়েছিলেন।
এর মধ্যে হুগো ব্রুসের জন্ম ১৯৫২ সালের ১০ এপ্রিল, আর কৌবেকের জন্ম ১৯৫১ সালের ১ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে অ্যাডভোকাটের জন্ম ১৯৪৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর। তিনি এখন বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক কোচ।
২০২৬ বিশ্বকাপের আগে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন জার্মানির অটো রেহাগেল। তিনি ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপে গ্রিস জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময় ৭১ বছর ৩১৭ দিন বয়সে সবচেয়ে বয়স্ক কোচের রেকর্ড গড়েছিলেন।
সালমান/
আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ চালিয়েও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি জাপান ও নেদারল্যান্ডস। ফলে গোলশূন্য থেকে প্রথমার্থ শেষ করেছে তারা।
রবিবার (১৪ জুন) ডালাসের এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হয় ম্যাচ।
প্রথমার্ধের ৩৪ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ আসে নেদারল্যান্ডসের সামনে। কর্নার থেকে ডনিয়েল মালেনের নেওয়া হেড ঠেকিয়ে দেন জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকি। তার দুর্দান্ত সেভে প্রথমার্ধে গোল হজম করতে হয়নি জাপানকে।
সালমান/
কটা সময় ছিল ফুটবলে সমর্থন মানেই ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা। ইতালি, জার্মানিসহ অন্যান্য দেশের সমর্থক থাকলেও তা যেন খুব সামান্য! শুধু বাংলাদেশ নয়, গোটা ফুটবলবিশ্বেই এমন চিত্র দেখা গেছে। কিন্তু স্পেন ২০০৮ ইউরো, ২০১০ বিশ্বকাপ ও ২০১২ ইউরো জয়ের পর এই চিত্র পাল্টাতে থাকে। ওই সময় আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণে অনিন্দ্য সুন্দর স্পেনকে সমর্থন শুরু করে নতুন প্রজন্ম।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপেও বড় স্বপ্ন নিয়ে মিশন শুরু করেছিলেন স্পেনের টগবগে যুবারা। কিন্তু প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে অপ্রত্যাশিতভাবে টাইব্রেকারে মরক্কোর কাছে ৩-০ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল লা রোজাদের। যার ফলে দীর্ঘ ১০ বছরের ব্যর্থতা ঘোচাতে তারা ব্যর্থ হয়। এর আগে ২০১৪ ও ২০১৮ বিশ্বকাপেও ভক্ত-সমর্থকদের হতাশ করে স্পেন। তবে এবারের উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপে তরুণদের নিয়ে ফের বিশ্বজয়ের স্বপ্ন বুনছে ২০১০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নরা। কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে দীর্ঘদিন ধরে তরুণদের নিয়ে ঘষামাজা করে দারুণ একটি দল দাঁড় করিয়েছেন। সেই তরুণদের কাঁধে ভর করেই এবার নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে বিশ্বমঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে স্প্যানিশরা।
সেই মিশন শুরু হচ্ছে অবশেষে। ‘এইচ’ গ্রুপের ম্যাচে প্রথমবার বিশ্বকাপে ওঠা আফ্রিকার ছোট্ট দেশ কেপ ভার্দের মুখোমুখি হচ্ছে এবারের বিশ্বকাপের হট ফেভারিট স্পেন। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে আজ (১৫ জুন) রাত ১০টায়। ম্যাচটি একদিকে যেমন বিশ্বকাপ জয়ের দাবিদার স্পেনের অভিযাত্রার সূচনা, অন্যদিকে কেপ ভার্দের জন্য ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মঞ্চে আত্মপ্রকাশের মুহূর্ত।
স্পেন ও কেপ ভার্দে এর আগে কখনো আন্তর্জাতিক ফুটবলে একে অপরের মুখোমুখি হয়নি। ফলে এবার দুই দলের ইতিহাসের প্রথম সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে। স্পেন দলে রয়েছেন অধিনায়ক রদ্রি, পেদ্রি, লামিন ইয়ামাল, নিকো উইলিয়ামস, উনাই সিমনের মতো বিশ্বমানের তারকা। ইউরো ২০২৪ জয়ের পর থেকে দলটি টানা ৩০ ম্যাচে অপরাজিত থেকেছে; একমাত্র হার এসেছে টাইব্রেকারে। অন্যদিকে কেপ ভার্দের শক্তি তাদের দলীয় সংহতি, শৃঙ্খলিত রক্ষণ এবং লড়াকু মানসিকতা। অধিনায়ক রায়ান মেন্ডেস, অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা ও ডিফেন্ডার রবার্তো ‘পিকো’ লোপেস দলের ভরসা।
স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে জানিয়েছেন, লামিন ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামস সুস্থ হয়ে ফিরছেন এবং বিশ্বকাপে দলের প্রথম ম্যাচে খেলতে প্রস্তুত। তবে ইয়ামালকে পুরো ৯০ মিনিট খেলানো হবে কি না, সে বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন তিনি। স্পেন অধিনায়ক রদ্রি বলেছেন, দলের তরুণ তারকারা বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামছে এবং তারা চাপকে ইতিবাচকভাবে নিচ্ছে। কেপ ভার্দে কোচ পেদ্রো বাবিস্থা বারবার জোর দিয়েছেন দলীয় ঐক্য ও আত্মবিশ্বাসের ওপর। বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার এটিই সেরা সুযোগ বলে মনে করেন তিনি। কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ অধিনায়ক রায়ান মেন্ডেস বিশ্বাস করেন, তাদের দল ভয় না পেয়ে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারলে চমক দেখানো সম্ভব। দলটির খেলোয়াড়দের মধ্যেও বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার প্রবল ক্ষুধা রয়েছে।
কাগজে-কলমে স্পেন শুধু এই ম্যাচ নয়, পুরো টুর্নামেন্টেরই অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী। অনেক বিশ্লেষক তাদের বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাব্য শীর্ষ দলগুলোর মধ্যে রেখেছেন। অন্যদিকে কেপ ভার্দের মূল লক্ষ্য হবে গ্রুপপর্বে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলা এবং অন্তত একটি ঐতিহাসিক ফল অর্জন করা। স্পেন, উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের সঙ্গে থাকা এই গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠাই হবে তাদের জন্য বিশাল সাফল্য। স্পেনের আক্রমণভাগের গতি, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং বড় ম্যাচের অভিজ্ঞতার সামনে কেপ ভার্দেকে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে। তবে বিশ্বকাপ ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, ছোট দলের স্বপ্ন কখনো অবহেলা করা যায় না। তাই বিশ্বচ্যাম্পিয়নের সামনে আফ্রিকার নতুন রূপকথার নায়করা কতটা লড়াই করতে পারে, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।
যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডায় চলমান বিশ্বকাপে অন্যতম হট ফেভারিট হিসেবে স্পেনকে গণ্য করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কাতার বিশ্বকাপের মহানায়ক লিওনেল মেসি বলে দিয়েছেন, এবার ইয়ামাল-পেদ্রিদের হাতে সোনালি ট্রফি উঠলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কাতার বিশ্বকাপে আচমকা পতন হলেও ২০২৪ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের (ইউরো) শিরোপা জয় করে আবারও কক্ষপথে ফিরেছে স্পেন। এবার দুর্দান্ত ফর্ম নিয়ে বিশ্বকাপে যাচ্ছেন স্প্যানিশ তারকারা। ২০২৪ ইউরোজয়ী স্পেন তাদের বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে অপরাজিত ছিল। লামিনে ইয়ামাল, পেদ্রির মতো উদীয়মান খেলোয়াড়রা দলের আক্রমণভাগ ও মিডফিল্ডকে অনেক শক্তিশালী করেছে। দলের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে তার আক্রমণাত্মক এবং পজেশনভিত্তিক খেলার শৈলী দিয়ে দলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
১৯৩৪ সালে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলা স্পেন অনেক সাধনার পর ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়। এ পর্যন্ত ১৭ বার বিশ্বকাপে খেলা দেশটির এটিই সর্বোচ্চ সাফল্য। ইউরোপের ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের আসর ইউরোতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ১৯৬৪, ২০০৮, ২০১২ ও ২০২৪ সালে।
বিশ্বকাপে দুই দলের অর্জন
স্পেন
বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ: ১৭তম
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন: ২০১০
২০২২ বিশ্বকাপ: শেষ ষোলো
বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়ন
কেপ ভার্দে
বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ: প্রথমবার
২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত করে
জনসংখ্যা ৬ লাখেরও কম; বিশ্বকাপে ওঠা ইতিহাসের ক্ষুদ্রতম দেশগুলোর একটি।