বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্রাজিল মানেই জাদুকরী ফুটবল, আক্রমণের ঝলক আর তারকাদের মেলা। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে সেলেকাওরা। দলের সবচেয়ে পরিচিত মুখ ও সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার নেইমার প্রথম ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে কোটি ব্রাজিল সমর্থকের চোখ এখন আরেক তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দিকে।
গত কয়েক বছরে ক্লাব ফুটবলে নিজের প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ ঘটিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। গতি, ড্রিবলিং, একের বিপক্ষে এক লড়াইয়ে আধিপত্য এবং বড় ম্যাচে গোল করার ক্ষমতা তাকে বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ে পরিণত করেছে। এখন সেই প্রতিভাকে বিশ্বকাপের মঞ্চে দেশের জন্য উজাড় করে দেওয়ার সময়। ক্লাব ফুটবলে স্প্যানিশ পরাশক্তি রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে তিনি ইতোমধ্যে বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সেই ঝলক কি বিশ্বকাপের মঞ্চেও দেখা যাবে? এটাই এখন বড় প্রশ্ন।
মাত্র ২৫ বছর বয়সেই ভিনিসিয়ুসের ক্লাব ক্যারিয়ার ঈর্ষণীয়। বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মিলিয়ে স্প্যানিশ পরাশক্তি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইতোমধ্যে ১২৮টি গোল করেছেন। আর ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্লামেঙ্গোর সিনিয়র দলের হয়ে করেছেন ১৪ গোল। অর্থাৎ ক্লাব ক্যারিয়ারে ভিনির মোট গোলসংখ্যা ১৪২। অন্যদিকে ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে তার পরিসংখ্যান তুলনামূলকভাবে ম্লান। ২০২৬ বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত সেলেকাওদের জার্সিতে ৪৯ ম্যাচে করেছেন মাত্র ৯ গোল।
প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ মরক্কোকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না ভিনি। তার মতে, ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কোকে হারাতে হলে ব্রাজিলকে নিজেদের সেরাটা খেলতে হবে। এ প্রসঙ্গে ভিনিসিয়ুস বলেন, বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে কোনো ম্যাচই সহজ নয়। বিশেষ করে মরক্কোর মতো সংগঠিত ও আত্মবিশ্বাসী দলের বিপক্ষে জয় পেতে হলে শুরু থেকেই মনোযোগী থাকতে হবে। ব্রাজিলের জার্সিতে নিজের সেরাটা দেওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছেন তিনি।