বিশ্বকাপের মঞ্চে কোচ হিসেবে অভিষেকটা জয় দিয়ে রাঙাতে পারলেন না কার্লো আনচেলত্তি। আজ (১৪ জুন) নিউ ইয়র্কে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ‘সি’ গ্রুপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে মাঠ ছেড়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।
ম্যাচের শুরুতেই ইসমায়েল সাইবারির গোলে লিড নেয় ‘অ্যাটলাস লায়নস’ খ্যাত মরক্কো। তবে প্রথমার্ধেই দারুণ এক ডান পায়ের বাঁকানো শটে সেলেকাওদের সমতায় ফেরান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। বিরতির পর জয়সূচক গোলের খোঁজে আনচেলত্তি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ফরোয়ার্ড ম্যাথিউস কুনিয়া এবং জেনিত সেন্ট পিটার্সবার্গের উইঙ্গার লুইজ হেনরিককে মাঠে নামালেও মরক্কোর রক্ষণদুর্গ ভাঙতে পারেনি ব্রাজিল।
ম্যাচ শেষে নিজের রণকৌশল ও দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলেন আনচেলত্তি, ‘ম্যাচটি বিশেষ করে প্রথমার্ধে বেশ কঠিন ছিল। ছেলেদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ কাজ করছিল, বল পজিশন হাতছাড়া হচ্ছিল এবং মাঠে ভারসাম্যের অভাব ছিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আমরা অনেক ভালো খেলেছি।’
ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে ইতালিয়ান এই কোচ আরও বলেন, ‘পরের ম্যাচে দল আরও ঘুরে দাঁড়াবে। প্রথমার্ধে আমাদের কিছু সমস্যা ছিল, অনেকবার বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছি আমরা। এই জায়গাগুলোয় উন্নতি করতে হবে। তবে আত্মবিশ্বাস হারানো চলবে না। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে। প্রথম ম্যাচেই কোনো দল নিখুঁত হয়ে ওঠে না।’
এদিকে ম্যাচ ছাড়িয়ে গণমাধ্যমের বড় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ১৯ বছর বয়সি তরুণ তুর্কি এনড্রিক। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ মৌসুমে অলিম্পিক লিওর হয়ে ফরাসি লিগ ওয়ানে ৮টি গোল ও ৮টি অ্যাসিস্ট করে ক্লাবকে পয়েন্ট টেবিলের চারে তুলতে বড় ভূমিকা রেখেছেন এই ফরোয়ার্ড। এমন ফর্মে থাকার পরও পুরো ম্যাচ তাকে সাইডবেঞ্চে বসিয়ে রাখায় ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন আনচেলত্তি।
তবে তরুণ এই তারকাকে না খেলানো নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তা সুকৌশলে এড়িয়ে যান সেলেকাও বস। আনচেলত্তি সোজাসুজি জানান, ‘আমি কোনো ব্যক্তিগত খেলোয়াড়কে নিয়ে মন্তব্য করব না। আমি এখানে পুরো দলের বিষয়ে কথা বলতে এসেছি।’
পাপ্পু/অনিক/