ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’ মেট্রো স্টেশনগুলোর নিচে দুরবস্থা জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান নূরজাহান ট্র্যাজেডির সমাজতাত্ত্বিক পাঠ কিয়ামতের ময়দানে রাসুল (সা.)-এর পাশে থাকার উপায় সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি যশোর জেলার দর্শনীয় ও ভ্রমণযোগ্য স্থান সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিসিবির পরিচালক তামিম ইকবাল রামুতে ছেলের গুলিতে বাবার মৃত্যু পঞ্চগড়ে পুকুরে ডুবে দুই মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশ্বের এই বৃহত্তম যৌথ পরিবারে দৈনিক লাগে ৯০ কেজি চাল প্রতিশ্রুতি প্রদানে মন্ত্রী-এমপিদের দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিলেন স্পিকার ঝিনাইদহে তেলবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ৯ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক গানে আর ফিরবেন না রিংকু ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’ শাড়ির নিচে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না তৃণমূল নেতা কুষ্টিয়ায় ধর্ষককে গণধোলাই নোয়াখালীতে জেলি মিশ্রিত চিংড়ি ধ্বংস, লাখ টাকা জরিমানা টেসলার রোবোট্যাক্সি সেবায় ধীরগতি সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ এবং শত্রু-মিত্র খেলা এ যেন মাঠ ভরাট নয়, সম্প্রীতির উৎসব শেরপুরে প্রাইভেটকারে মদ, কারবারি আটক টেকনাফে সিএনজি-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষ, দুই এসআইসহ আহত ৪ নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন মজুরি বাড়াতে দৌলতপুরে বিড়ি শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু রোগীর বেশে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, রামুতে তিন নারী আটক ৬ নবজাতকের প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ এমপির মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব
Nagad desktop

মোটা অংকের টাকা ও গরু উপহার নিয়ে স্ত্রীকে প্রেমিকের হাতে তুলে দিলেন স্বামী

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৫, ১২:৩৩ পিএম
মোটা অংকের টাকা ও গরু উপহার নিয়ে স্ত্রীকে প্রেমিকের হাতে তুলে দিলেন স্বামী
ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ ইন্দোনেশিয়ার এক ব্যক্তি স্ত্রীকে পরকীয়া সম্পর্কে জড়াতে দেখার পর অনন্য এক উপায়ে সম্পর্কের ইতি টানলেন। স্ত্রীকে প্রতারণা করতে দেখে প্রথমে তিনি পুলিশে অভিযোগ করলেও পরে বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার জন্য গ্রামের প্রবীণদের কাছে যান।
 
এরপর শতাব্দীর বেশি প্রাচীন উপজাতীয় রীতিনীতির অধীনে স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেমিকের হাতে তুলে দেন এই ব্যক্তি। তবে স্ত্রীকে প্রেমিকের হাতে তুলে দেওয়ার বিনিময়ে তিনি সেই প্রেমিকের কাছ থেকে বেশ কিছু নগদ অর্থ, একটি গরু, ঐতিহ্যবাহী কিছু পণ্য উপহার নেন। 
 
ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ-পূর্ব সুলাওয়েসি প্রদেশে, যেখানে তোলাকি নামের আদিবাসী জনগোষ্ঠী প্রাচীন সামাজিক রীতিনীতিতে বিশ্বাসী।
 
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ট্রিবিউননিউজ সুলট্রা জানায়, কোনাওয়ে রিজেন্সির পুউডোম্বি গ্রামের এসআরএইচ নামে পরিচিত এক ব্যক্তি পাঁচ বছর ধরে তার স্ত্রী এনএস-এর সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন। গত সেপ্টেম্বরে একটি বোর্ডিং হাউসে স্ত্রীকে অন্য এক পুরুষের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরেন। তারপর প্রবীণেরা ‘মোওয়া সারাপু’ নামে একটি ঐতিহ্যবাহী মিলন-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিরোধ মেটানোর সিদ্ধান্ত নেন।
 
এই অঞ্চলটি তোলাকি জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল, যারা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং শান্তি ও ঐক্যের গভীর মূল্যবোধের জন্য পরিচিত।
 
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ‘মোওয়া সারাপু’ রীতিটি তোলাকি সম্প্রদায়ের শতাব্দীপ্রাচীন প্রথা, যার অর্থ ‘ছাড় দেওয়া ও শান্তি স্থাপন করা’। এই রীতির লক্ষ্য প্রতিশোধ নয়, বরং সামাজিক ভারসাম্য ও মর্যাদা পুনরুদ্ধার করা।
 
সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামের প্রবীণ, উভয় পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। সবার সামনেই ওই নারীর প্রেমিক তার স্বামীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে একটি গরু, ঐতিহ্যবাহী কাপড়, একটি তামার পাত্র এবং ৫০ লাখ রুপিয়া (প্রায় ৩৬ হাজার টাকা) দেন।
 
গ্রামপ্রধান সফরুদ্দিন জানান, অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ওই দম্পতির বিবাহ আনুষ্ঠানিকভাবে ভেঙে দেওয়া হয়। পরে নারীটির স্বামী ও প্রেমিক পরস্পরের সঙ্গে করমর্দন করেন। এভাবে স্ত্রীকে তার প্রেমিকের হাতে সমর্পণ করেন স্বামীটি।
 
তোলাকি প্রবীণদের মতে, এই রীতি কোনো সম্পর্ককে ছোট করার জন্য নয়, বরং নৈতিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতেই এমন প্রথা পালন করা হয়। তবে তারা সতর্ক করে বলেন—কোনো নারী যদি এমন রীতি মেনে আবারও অন্য পুরুষকে বেছে নেয়, তবে তা তার ও পরিবারের জন্য সেটি লজ্জার কারণ হবে।
 
সুলতানা দিনা/ 

বিশ্বের এই বৃহত্তম যৌথ পরিবারে দৈনিক লাগে ৯০ কেজি চাল

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম
বিশ্বের এই বৃহত্তম যৌথ পরিবারে দৈনিক লাগে ৯০ কেজি চাল
ছবি: সংগৃহীত

আজকের দিনে তিন বা চার সদস্যের নিউক্লিয়ার পরিবার সামলাতেই অনেকের নাভিশ্বাস ওঠে। সেখানে এক ছাদের নীচে প্রায় ২০০ জন সদস্যের বসবাস- শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এটাই বাস্তব। মিজোরামের বখতাওং গ্রামের ‘চানা পরিবার’ দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের বৃহত্তম যৌথ পরিবার হিসেবে পরিচিত। পরিবারের কর্তা জিওনা চানা ২০২১ সালের ১৩ জুন ৭৬ বছর বয়সে মারা গেলেও তার গড়ে তোলা বিশাল পরিবার আজও একই ছাদের নিচে বসবাস করছে।

৩৯ স্ত্রী, ৯৪ সন্তান- বিশ্বজোড়া পরিচিতি

জিওনা চানা মাত্র ১৭ বছর বয়সে তার প্রথম স্ত্রী জাথিয়াঙ্গিকে বিয়ে করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি মোট ৩৯টি বিয়ে করেন এবং ৯৪ সন্তানের জনক হন। মৃত্যুর সময় তার পরিবারে ৩৮ জন জীবিত স্ত্রী, ৮৯-৯৪ জন সন্তান এবং বহু নাতি-নাতনি ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে পরিবারের সদস্যসংখ্যা ১৮০ থেকে ২০০-এর কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে জানা যায়।

‘নিউ জেনারেশন হোম’- এক বিশাল পারিবারিক সাম্রাজ্য

চানা পরিবারের বাসভবনের নাম ‘ছুয়ান থার রান’, যার অর্থ ‘নতুন প্রজন্মের বাড়ি’। চারতলা এই বিশাল ভবনে রয়েছে শতাধিক ঘর। পরিবারের সদস্যরা আলাদা কক্ষে থাকলেও রান্নাঘর, খাবার ব্যবস্থা এবং বহু দৈনন্দিন কাজ যৌথভাবে পরিচালিত হয়। বাড়িটির মধ্যে রয়েছে কমিউনিটি কিচেন, কর্মশালা, কৃষিকাজের পরিকাঠামো এবং অতিথিদের থাকার ব্যবস্থাও।

সংসার পরিচালনা যেন কর্পোরেট ম্যানেজমেন্ট

এত বড় পরিবারের দৈনন্দিন পরিচালনা অনেকের মতে একটি মাঝারি আকারের প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার সমতুল্য। পরিবারের প্রথম স্ত্রী জাথিয়াঙ্গি দীর্ঘদিন ধরে গৃহপরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করছেন। কে রান্না করবেন, কে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করবেন, কে কৃষিকাজ বা অন্যান্য উৎপাদনমূলক কাজে যুক্ত থাকবেন- সবই নির্দিষ্ট নিয়মে ভাগ করা থাকে।

প্রতিদিনের রান্না শুনলে অবাক হবেন

পরিবারের সদস্যসংখ্যার কারণে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী প্রয়োজন হয়। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিদিন ৯০ কেজি চালের ভাত, আলু, ডাল ও সবজি রান্না হয়। মাংসের দিনগুলিতে কয়েক ডজন মুরগি রান্না করা হয়। বিশাল অ্যালুমিনিয়ামের পাত্রে কাঠের উনুনে রান্না করেন পরিবারের নারীরা।

শুধু পরিবারপ্রধান নন, ধর্মীয় গোষ্ঠীর নেতাও

জিওনা চানা ছিলেন লালপা কোহরান থার নামে একটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রধান। ১৯৪২ সালে তার বাবার প্রতিষ্ঠিত এই গোষ্ঠী বহুবিবাহকে অনুমোদন করে এবং বর্তমানে এর সদস্যসংখ্যা কয়েক হাজার বলে অনুমান করা হয়। 

চানা সম্প্রদায়ের সদস্যরা কৃষিকাজ, ছুতোরের কাজ, কুটিরশিল্পসহ নানা উৎপাদনমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্বনির্ভর জীবনযাপন করেন।

পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্র

চানা পরিবারের অনন্য জীবনযাত্রা বহু বছর ধরেই দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কৌতূহলের বিষয়। মিজোরামের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণে পরিণত হয়েছে তাদের বাড়ি। বিশ্বের বৃহত্তম যৌথ পরিবারের জীবনযাপন কাছ থেকে দেখার জন্য এখনও বহু মানুষ বখতাওং গ্রামে যান।

জিওনা চানা আজ নেই, কিন্তু তার গড়ে তোলা পরিবার আধুনিক নিউক্লিয়ার পরিবারের যুগে যৌথ পারিবারিক ব্যবস্থার এক বিরল ও বিস্ময়কর উদাহরণ হিসেবে আজও বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয়।

গাড়ির দরজা খুলতেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল শহর

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
গাড়ির দরজা খুলতেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল শহর
ভিডিও থেকে

রাস্তায় চলাচলের সময় অসতর্কভাবে গাড়ির দরজা খোলার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। ভারতের উত্তরপ্রদেশের ফিরোজাবাদে এমনই একটি ঘটনা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে এনেছে।

রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে রাখা একটি গাড়ির দরজা হঠাৎ খুলে দেওয়ায় সেটিতে সজোরে ধাক্কা দেয় একটি মোটরসাইকেল। এতে একজন নিহত এবং অপর একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, একটি গাড়ি রাস্তার পাশে পার্ক করা। গাড়ির চালক আশপাশের যানবাহনের গতিবিধি না দেখেই হঠাৎ দরজা খুলে দেন। ঠিক সেই মুহূর্তে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি মোটরসাইকেল দরজাটিতে সজোরে আঘাত করে। সংঘর্ষের তীব্রতায় মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী দুজনই কয়েক মিটার দূরে ছিটকে পড়েন। 

ভিডিওতে দেখা যায়, চালকের মাথায় হেলমেট থাকলেও পেছনে বসা আরোহীর মাথায় হেলমেট ছিল না; তিনি পাগড়ি পরিহিত ছিলেন। দুর্ঘটনায় পেছনের আরোহী গুরুতর আহত হন এবং পরে তার মৃত্যু হয়।

জানা যায়, আহত মোটরসাইকেল চালককে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তার চিকিৎসা চলছে।

সিসিটিভিতে ধারণ হওয়া ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নেটিজেনদের একাংশের মতে, গাড়িচালকের অসতর্কতা এবং রাস্তার পরিস্থিতি যাচাই না করেই দরজা খোলার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। 

অন্যদিকে, কেউ কেউ মোটরসাইকেলের অতিরিক্ত গতিকেও দায়ী করছেন।

পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং দায় নির্ধারণ করা হবে। 

সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, গাড়ির দরজা খোলার আগে রিয়ার ভিউ মিরর ও পাশের আয়নায় দেখে পেছনের পরিস্থিতি নিশ্চিত হওয়া জরুরি। অনেক দেশে এ জন্য ‘ডাচ রিচ’ পদ্ধতি অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়, যেখানে চালক বা যাত্রী বিপরীত হাত দিয়ে দরজা খোলেন; এতে স্বাভাবিকভাবেই শরীর ঘুরে পেছনের রাস্তা দেখার সুযোগ তৈরি হয়। 

এ ছাড়া মোটরসাইকেল আরোহীদের জন্য মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার মৃত্যুঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়। 

বিশেষজ্ঞরা রাস্তার পাশে পার্ক করা যানবাহনের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল ও সাইকেল চালকদের গতি নিয়ন্ত্রণে রেখে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন।

অমিয়/

আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই দাঁতের চিকিৎসা ফ্রি!

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৩৩ এএম
আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই দাঁতের চিকিৎসা ফ্রি!
ডা. শরীফ হোসাইন/ ছবি: সংগৃহীত

ফুটবলপ্রেমী আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ ও দন্ত চিকিৎসায় বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছেন সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডেন্টাল সার্জন ডা. শরীফ হোসাইন।

শুক্রবার (৫ জুন) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ঘোষণা দেন।

ওই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, আর্জেন্টিনার জার্সি পরে অথবা নিজেকে দলটির সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়ে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে আসা রোগীরা বিনা ভিজিটে দাঁত ও মুখ গহ্বরের বিভিন্ন সমস্যার চিকিৎসা পরামর্শ নিতে পারবেন। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দন্ত চিকিৎসা সেবায়ও বিশেষ ছাড় পাবেন তারা।

এ বিষয়ে ডা. শরীফ হোসাইন বলেন, ‌‘ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা এবং প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানাতেই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছি। শুধু আর্জেন্টিনার খেলার দিন এই সুবিধাটুকু দেওয়া হবে।’

একজন চিকিৎসকের এমন অভিনব উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং স্থানীয় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।

আমান/

ক্যান্সার গবেষণায় নতুন অগ্রগতি

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ১০:০৪ এএম
ক্যান্সার গবেষণায় নতুন অগ্রগতি
ছবি: সংগৃহীত

সবচেয়ে প্রাণঘাতী ক্যানসারগুলোর একটি অগ্ন্যাশয় ক্যানসার। তবে অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারের চিকিৎসায় নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে ডারাক্সোনরাসিব নামের একটি ওষুধ।

গবেষণায় দেখা গেছে, উন্নত পর্যায়ের অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের বেঁচে থাকার সময় প্রায় দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিতে সক্ষম এই ওষুধ।

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে অনুষ্ঠিত ক্যান্সারবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপনের পর একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় অগ্রগতি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

অগ্ন্যাশয় ক্যান্সার দীর্ঘদিন ধরেই চিকিৎসকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রোগটি দেরিতে শনাক্ত হওয়ায় ক্যান্সার শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং কার্যকর চিকিৎসার সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে নতুন আশা জাগিয়েছে ডারাক্সোনরাসিব।

৫০০ রোগীর ওপর এ ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া রোগীরা সবাই অগ্ন্যাশয় ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন, যা শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়েছিল। পরীক্ষায় দেখা গেছে, ডারাক্সোনরাসিব নামের ওষুধটি রোগীদের বেঁচে থাকার সময় প্রায় দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া প্রচলিত কেমোথেরাপির তুলনায় এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম ছিল।

ডারাক্সোনরাসিব ওষুধটি বিশেষভাবে ক্রাস নামের একটি প্রোটিনকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। এ প্রোটিন প্রায় সব ধরনের অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ওষুধটি ক্রাস প্রোটিনকে নিষ্ক্রিয় করার মধ্য দিয়ে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি থামাতে সাহায্য করে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার অ্যাকশনের প্রধান নির্বাহী পলা হ্যানফোর্ড বলেছেন, এটি অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের চিকিৎসায় তার দেখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতিগুলোর একটি।

হ্যানফোর্ড বলেন, অনেক দিন ধরেই অগ্ন্যাশয় ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য চিকিৎসার সুযোগ খুবই সীমিত ছিল এবং বেঁচে থাকার হারও উদ্বেগজনকভাবে কম ছিল। কার্যকারিতা পরীক্ষায় ওষুধটি গুরুতর পর্যায়ের অগ্ন্যাশয় ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের বেঁচে থাকার সময় প্রায় দ্বিগুণ করার যে সম্ভাবনা দেখিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, ফুসফুস ও কোলন ক্যানসারের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ওষুধের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

আমান/

আজ বিশ্ব সাইকেল দিবস

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১১:৩৬ এএম
আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
আজ বিশ্ব সাইকেল দিবস
ছবি: সংগৃহীত

আজ বিশ্ব সাইকেল দিবস। অধ্যাপক লেসজেক সিবিলস্কির উদ্যোগে ২০১৮ সালে ৩ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস ঘোষণা করে জাতিসংঘ।

তারপর থেকে প্রতিবছর এ দিনে বিশ্বজুড়ে পালন করা হয় দিবসটি। মঙ্গলবার (৩ জুন) বাংলাদেশেও সীমিত পরিসরে পালিত হচ্ছে বিশ্ব সাইকেল দিবস। এ উপলক্ষে বিভিন্ন সাইকেল রাইড সংগঠনগুলো নিয়েছে নানা কর্মসূচি।

যুক্তরাষ্ট্রের একজন অধ্যাপক লেসজেক সিবিলস্কি, তিনি বাইসাইকেল নিয়ে একটি প্রচারাভিযান শুরু করেন। তার অন্যতম লক্ষ্য ছিল জাতিসংঘ বিশ্বে সাইকেলের সমর্থনে একটি দিন নির্ধারণ করা।

২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র সর্বসম্মতিক্রমে ৩ জুনকে বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই প্রস্তাবে তুর্কমেনিস্তান ব্যাপক সমর্থন জানিয়েছিল এবং প্রায় ৫৬টি দেশ পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল।

সাইকেল ব্যবহারের সুফলের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য মূলত এই দিবস উদযাপন করা হয়। সাইকেল এমন একটি যানবাহন যা ধনী থেকে গরিব সবাই বহন করতে পারে। এটি বায়ু দুষণ কমায় এবং যানজট কমায়।

গবেষণা বলছে, যদি শহরের ১০% যাত্রা সাইকেলে হয়, তাহলে একটি মাঝারি শহরের কার্বন নির্গমন বছরে প্রায় ১১% কমতে পারে।

সাইকেলে চড়ে কেউ জীবিকার তাগিদে বের হন। কেউবা আবার বের হন মনের ক্ষুধা মেটাতে, রোমাঞ্চের খোঁজে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায়। কারও কারও কাছে সাইকেল মানে স্বাধীনতা। আপন ভুবনে নিজের মতো করে চলা এবং সব বাধা ঠেলে সামনে এগিয়ে চলা।

সূত্র: ডেইজ অব দ্য ইয়ার

তামান্না রুপা/আমান