ঢাকা ২৮ আষাঢ় ১৪৩১, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪

যুক্তরাজ্যের নির্বাচন: জরিপে এগিয়ে লেবার, অভিবাসন চাপে সুনাক

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৪, ১২:৩৩ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৪, ১২:৩৩ পিএম
যুক্তরাজ্যের নির্বাচন: জরিপে এগিয়ে লেবার, অভিবাসন চাপে সুনাক

যুক্তরাজ্যের নির্বাচনের আর বেশি সময় বাকি নেই। সব ঠিক থাকলে আগামী ৪ জুলাই দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মতামত জরিপের তথ্য বলছে, দেশটির বিরোধী দল লেবার পার্টি নির্বাচনি দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে অভিবাসন ইস্যুতে চাপের মুখে আছেন ঋষি সুনাকের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টি।

নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারে ব্যস্ত দেশটির রাজনৈতিক দলের ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। প্রায় প্রতিটি ইস্যু নিয়েই হচ্ছে আলোচনা-সমালোচনা। যুক্তরাজ্য ৬৫০টি নির্বাচনি এলাকায় বিভক্ত। প্রত্যেকটি এলাকা থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা একজন করে আইনপ্রণেতা নির্বাচিত করবেন।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন বলছে, নির্বাচনের এ আবহে ঋষি সুনাকের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দুটি বিষয়। এর একটি ক্রমাগত বাড়তে থাকা অভিবাসীর সংখ্যা। আর দ্বিতীয়টি হলো- মূল্যস্ফীতি।

যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি গতকাল বুধবার সকালে দুই পয়েন্ট কমেছে। পলিটিকোর ইউরোপীয় সংস্করণের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। বিষয়টি ঋষি সুনাককে নির্বাচনি মৌসুমে কিছুটা স্বস্তি দেবে বলেই প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে পলিটিকো।

তবে একই কথা অভিবাসন ইস্যুর ক্ষেত্রে জোরালোভাবে খাটছে না। কারণ যুক্তরাজ্যে অভিবাসী নৌকা এসে হাজির হওয়ার সংখ্যা ১৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে। গত মঙ্গলবারও ছোট ছোট নৌকা দিয়ে আট শরও বেশি অভিবাসন প্রত্যাশী ব্রিটেনে পা রেখেছেন। একক দিনের হিসাবে এ সংখ্যা ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ বলেই জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এর আগে ২০২২ সালের নভেম্বরে এক দিনে ৯৪৭ জন অভিবাসী এসে হাজির হয়েছিলেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদন আরও বলছে, এত অভিবাসী আসার বিষয়টি ৪ জুলাইয়ের নির্বাচনের আগে সুনাকের ওপর চাপ তৈরি করবে। যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যউপাত্ত বলছে, চলতি বছরে এ পর্যন্ত ১২ হাজার ৩০০-এর বেশি অভিবাসী এসেছেন যুক্তরাজ্যে।

এই অভিবাসী ইস্যু প্রভাব ফেলেছে মতামত জরিপে। সুনাকের কনজারভেটিভ পার্টি মতামত জরিপে লেবার পার্টির চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। অনেক ভোটারের জন্যই অভিবাসনের ইস্যুটি অনেক বড় একটি উদ্বেগের বিষয়। তারা চান এ ধরনের নৌকা আসা বন্ধ হোক। এ ছাড়াও সুনাক ক্ষমতায় আসার আগে যে কয়টি বড় মাপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার একটি ছিল- অবৈধ অভিবাসন কমানো। সেটি তিনি এখনো পূরণ করতে পারেননি।

সুনাকের অভিবাসন নীতির একটি পরিকল্পনা হলো- অভিবাসন প্রত্যাশীদের যুক্তরাজ্য থেকে রোয়ান্ডায় পাঠিয়ে দেওয়া এবং ফ্রান্স থেকে ছোট নৌকায় করে অভিবাসী আসার ঢল ঠেকানো। তবে এবার নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন সুনাক। ফলে ওই পরিকল্পনা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

মতামত জরিপে বিরোধী দল লেবার পার্টি প্রায় ২০ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে। দলটি বলছে, ক্ষমতায় আসতে পারলে রোয়ান্ডা নীতি বাতিল করবে তারা। এর বদলে তারা পুলিশ, দেশীয় গোয়েন্দা বিভাগ ও আইনজীবীদের নিয়ে ‘বর্ডার সিকিউরিটি কমান্ড’ গড়ে তুলবে। এই বর্ডার সিকিউরিটি কমান্ড মানবপাচার রোধে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কাজ করবে। সূত্র: পলিটিকো, বিবিসি, রয়টার্স

নেপালে ভূমিধসে নদীতে ২ বাস, নিখোঁজ ৬৩

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৪, ০১:২১ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৩:১০ পিএম
নেপালে ভূমিধসে নদীতে ২ বাস, নিখোঁজ ৬৩
ছবি: সংগৃহীত

নেপালের মদন-আশ্রিত মহাসড়কে ভূমিধসে দুটি যাত্রীবাহী বাস ত্রিশূলি নদীতে পড়ে ৬৩ যাত্রী নিখোঁজ হয়েছেন।
 
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

চিতওয়ানের চিফ ডিস্ট্রিক্ট অফিসার ইন্দ্রদেব যাদব সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বাস দুটি মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ ভূমিধসে বাস দুটি রাস্তা থেকে ছিটকে উত্তাল নদীতে পড়ে। 

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে বাস দুটিতে ৬৩ জন যাত্রী ছিলেন। আমরা দুর্ঘটনাস্থলে এসেছি। উদ্ধার কাজ চলছে। তবে বৃষ্টির কারণে বাস দুটি খুঁজে পেতে সমস্যা হচ্ছে।’

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও এখন পর্যন্ত কাউকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। শঙ্কা করা হচ্ছে, নিখোঁজদের কেউ বেঁচে নেই। 

স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে জানা যায় দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি অ্যাঞ্জেল বাস ও গণপতি ডিলাক্স পরিবহনের। অ্যাঞ্জেল বাসটি ২৪ জন যাত্রী নিয়ে কাঠমান্ডু যাচ্ছিল। অন্যদিকে গণপতি ডিলাক্স পরিবহনের বাসটি রাউতাহাটের গৌড়ের দিকে যাচ্ছিল, বাসটিতে ৪১ জন যাত্রী ছিলেন। 

যাত্রীদের মধ্যে গণপতি ডিলাক্সের তিনজন লাফিয়ে বাস থেকে বের হতে সক্ষম হলেও বাকিরা ভেতরে আটকা পড়েন। 

নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল নিখোঁজদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বলেন, ‘নারায়ণগড়-মুগলিন সড়কে ভূমিধসে বহু যাত্রী নিখোঁজ হওয়ার খবরে আমি গভীরভাবে ব্যথিত। যাত্রীদের খুঁজে বের করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সব সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

অন্যদিকে আবহাওয়া পরিস্থিতি খারাপ থাকায় কাঠমান্ডু থেকে ভরতপুরগামী সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। সড়কপথে যাতায়াতে সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। বিগত কয়েক সপ্তাহে টানা বৃষ্টি এবং বন্যা পরিস্থিতির কারণে নেপালে ইতোমধ্যে ৬২ জন নিহত এবং ৯০ জন আহত হয়েছেন। ঘরছাড়া হয়েছেন বহু পরিবার।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

ইসরাত চৈতী/ 

বেসামরিকদের আক্রমণ করছে ইসরায়েলি স্নাইপাররা

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৯:৫৮ এএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৯:৫৮ এএম
বেসামরিকদের আক্রমণ করছে ইসরায়েলি স্নাইপাররা
ছবি: সংগৃহীত

গাজা সিটিতে অবস্থানকারী সব ফিলিস্তিনিকে শহরটি ছেড়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ওই এলাকায় প্রায় ৩ লাখ মানুষের বসবাস। এক ঘোষণায় শহরটির সব ফিলিস্তিনিকে দক্ষিণ দিকে সরে যেতে বলা হয়েছে। 

গাজা সিটির কিছু বেসামরিক অভিযোগ করেছেন, ঘোষণা দেওয়ার পর এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালিয়েছে ইসরায়েলি স্নাইপার। এতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন অনেকে।  

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার ইসরায়েলি বাহিনী শহর ছাড়ার নির্দেশ দেয়। পরে গাজা সিটির বেসামরিক লোকজন আশপাশের এলাকা থেকে সরে যাওয়ার সময় ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এমনকি কাতার, যুক্তরাষ্ট্র ও মিসরের মধ্যস্থতাকারীরা যুদ্ধবিরতির জন্য দোহায় ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে রয়েছেন।

আল-জাজিরাকে এক ব্যক্তি জানান যে তিনি ইয়ারমুক স্টেডিয়ামের পাশে বসা ছিলেন, এমন সময় ইসরায়েলি স্নাইপার সাইকেলে করে খাবার নিয়ে যাওয়া এক ব্যক্তিকে গুলি করেন। তিনি বলেন, ‘স্নাইপার ওই ব্যক্তিকে সরাসরি গুলি করেছে। আমরা তার দেহ সরিয়ে নিতে পারিনি। এমনকি প্যারামেডিকরাও রাস্তায় ঢুকতে পারেনি। এ ছাড়া অ্যাম্বুলেন্স কর্মীদের সতর্ক করা হয়েছিল যে, কেউ নিহতের কাছে গেলে গুলি করা হবে।’ 

একাধিক লোক বলেছেন, এক ব্যক্তি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এমন সময় ওই ব্যক্তির মাথা লক্ষ্য করে একটি উঁচু ভবন থেকে এক স্নাইপারকে গুলি করতে দেখেছেন তারা। পরে বেশ কয়েকজন মিলে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। 

গত বুধবার উড়োজাহাজ থেকে লিফলেট ফেলে গাজা নগরীতে থাকা সব ফিলিস্তিনিকে শহর ছাড়তে বলা হয়েছিল। তাদের নিরাপদে দক্ষিণের দেইর আল-বালাহ ও আজ জাওয়াইদায় যেতে বলা হয়।

তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এই নির্দেশ না মানতে গাজা সিটির বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হামাস-শাসিত গাজা উপত্যকার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা এই নির্দেশকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

এদিকে গাজা সিটির শুজাইয়া এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দুই সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী হামলার পর ইসরায়েলি বাহিনী ওই এলাকা আংশিকভাবে ছেড়ে দিয়েছে। সামরিক বাহিনীটির পরবর্তী লক্ষ্য তাল আল-হাওয়া। 

উত্তর ইসরায়েলে ড্রোন হামলা

এদিকে উত্তর ইসরায়েলে ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী। তাদের দাবি, কাবরির দক্ষিণে অবস্থিত ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ব্যাটালিয়নের নতুন সদর দপ্তরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে তারা।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, কিছু ড্রোন সীমান্ত পার হতে পেরেছে। উত্তর ইসরায়েলে সাইরেনও বাজানো হয়েছিল। ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, অন্তত একজন ব্যক্তি কাবরি এলাকায় গুরুতরভাবে আহত হয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা

ভোজ্যতেল কেলেঙ্কারি নিয়ে উত্তাল চীন

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৯:৫২ এএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৯:৫২ এএম
ভোজ্যতেল কেলেঙ্কারি নিয়ে উত্তাল চীন
ছবি: সংগৃহীত

চীনে বিষাক্ত রাসায়নিক বহন করা জ্বালানি ট্যাঙ্কার ঠিকভাবে পরিষ্কার না করেই ভোজ্যতেল পরিবহন করা হয়েছে দিনের পর দিন। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উত্তাল হয়ে উঠেছে গোটা দেশ। প্রশ্ন উঠেছে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়েও।

এরই মধ্যে এ অভিযোগের তদন্তে নামার আশ্বাস দিয়েছে চীন সরকার। ভোজ্যতেলবিষয়ক আলোচনা নিয়ে সরগরম হয়ে উঠেছে চীনা অনলাইন সাইটগুলো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা সম্ভাব্য খাদ্যদূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।

চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম বেইজিং নিউজ বলছে, জ্বালানি পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত ট্যাঙ্কারগুলোতে ভোজ্যতেল ও সিরাপের মতো খাদ্যপণ্য পরিবহন করতে দেখা গেছে। সেসব ট্যাঙ্কার ভালোভাবে পরিষ্কার করা হয়নি।

বেইজিং নিউজে এক ট্যাঙ্কারচালকের বরাত দিয়ে বলা হয়, দূষিত জ্বালানি বহনকারী ট্র্যাকগুলোতে ভোজ্যতেল পরিবহন করার রীতি বহুল প্রচলিত ছিল। একে অনেকটা ‘ওপেন সিক্রেট’ হিসেবেই বিবেচনা করা হতো।

চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েইবোতে এ বিষয় নিয়ে এরই মধ্যে কয়েক হাজার পোস্ট করা হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ সেসব পোস্ট দেখেছেন। নানা ধরনের মন্তব্যও আসছে বিভিন্ন পোস্টে। এ রকমই এক মন্তব্যে একজন লিখেছেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকাটাই এক বিস্ময়কর বিষয়।

চীনে ট্যাঙ্কারে পরিবহনের জন্য নির্দিষ্ট পণ্যের তালিকা নেই। ফলে এ সংক্রান্ত তেমন শক্ত কোনো নিয়মও নেই। সেদিক থেকে বিচার করলে, কয়লাভিত্তিক তেল পরিবহনের পরপরই ওই ট্যাঙ্কারে সরাসরি খাদ্য পরিবহন করতে বাধা নেই।

গুঞ্জন রটেছে, এই ভোজ্যতেল কেলেঙ্কারির সঙ্গে চীনের একাধিক বড় বড় প্রতিষ্ঠানও জড়িত। এদের মধ্যে রয়েছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সিনোগ্রেইনের সহায়ক সংস্থা এবং হোপফুল গ্রেইন অ্যান্ড অয়েল গ্রুপ। সিনোগ্রেইনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খাদ্য নিরাপত্তাবিধি সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কি-না, তা খতিয়ে দেখছে তারা। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভির খবরে বলা হয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে এবং সহ্য করা হবে না। সূত্র: বিবিসি 

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি বাইডেনের ওপর চাপ বাড়ছে

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৯:২৩ এএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৯:২৪ এএম
বাইডেনের ওপর চাপ বাড়ছে
জো বাইডেন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত বুধবার নতুন করে চাপের সম্মুখীন হয়েছেন। এবার বাইডেনকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন ন্যান্সি পেলোসি ও জর্জ ক্লুনির মতো ব্যক্তিরা। তারা অন্য ডেমোক্র্যাট সমর্থক, আইনপ্রণেতা ও অর্থদাতাদের আগামীতে প্রভাবিত করতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

বাইডেন আদৌ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেনশিয়াল নির্বাচনে লড়বেন কি-না, সে সিদ্ধান্ত তাকে খুব দ্রুত নিতে হবে। এমনটাই সম্প্রতি এমএসএনবিসিকে বলেছেন ন্যান্সি পেলোসি। তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, বাইডেন নির্বাচন করবেন এমনটা তিনি চান কি-না। সে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন পেলোসি।

অন্যদিকে, পেলোসির মতো পরোক্ষভাবে নয়, সরাসরি বিবৃতি দিয়ে বাইডেনের পাশ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ক্লুনি। নিউইয়র্ক টাইমসে লেখা এক মতামতে হলিউডের এ তারকা বলেছেন, ২০২০ সালের ব্যক্তি আর নেই বাইডেন। অথচ মাসখানেক আগেও এ চিত্র ছিল ভিন্ন। বাইডেনের জন্য মাঠে নামতে দেখা গিয়েছিল ডেমোক্র্যাট ক্লুনিকে। তারকা উপস্থিতির এক আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাইডেনের জন্য তহবিল সংগ্রহ করেন তিনি।

এদিকে, সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন বলছে, বাইডেনের বদলে অন্য যেকোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে মেনে নিতে প্রস্তুত বলে আভাস দিয়েছেন সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা চাক শুমার। তবে অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনের পর শুমার বাইডেনের প্রতি নিজ সমর্থন পুনরায় ব্যক্ত করেন।

বুধবারের শেষ ভাগে বাইডেনের পাশ থেকে সরে দাঁড়ান সিনেটর পিটার ওয়েলশও। এক মতামত কলামে তিনি বাইডেনকে সরে দাঁড়াতে বলেন। তিনিই প্রথম ডেমোক্র্যাট সিনেটর, যিনি বাইডেনকে এভাবে প্রকাশ্যে সরে দাঁড়াতে বলেছেন। 

ডেমোক্র্যাট দলের প্রথম সারির এক অর্থদাতা জানিয়েছেন, ন্যাটো সম্মেলনের পর ডেমোক্র্যাট নেতারা বাইডেন ইস্যুতে বিবৃতি দেবেন। আরেক সূত্র জানায়, পরিস্থিতি প্রতিকূল হতে চলেছে। বাইডেন যাতে সরে দাঁড়ায়, সে জন্য দ্য অ্যাবানডন বাইডেন ক্যাম্পেইন নামে প্রচারও শুরু হয়েছে। সেখান থেকে সব মার্কিনির উদ্দেশে আহ্বান জানানো হয়েছে, তারা যাতে বাইডেনকে সরে দাঁড়াতে বলেন। এ ছাড়া ওই প্রচার শিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রাম্পের ‘ঘৃণার সংস্কৃতির’ সঙ্গেও তারা পরিচিত। 

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ঝড়ঝাপটা সামাল দিতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। ২৭ জুন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বিতর্কে বাজে পারফরম্যান্সের পর থেকেই তার ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। বাইডেন বরাবরই দাবি করে আসছেন, বিতর্কের রাতটি ভালো যায়নি তার। তবে তিনি নির্বাচন থেকে সরবেন না এবং ট্রাম্পকে পরাজিত করবেন। 

পেলোসির মন্তব্য ও ক্লুনির নিবন্ধ সম্পর্কে বাইডেনের প্রচার শিবির থেকে বলা হয়েছে, তিনি নির্বাচনি দৌড়ে থাকার জন্য ‘দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’। এদিকে ন্যাটো সম্মেলনে বাইডেনকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল পেলোসির তার প্রতি সমর্থন রয়েছে কি-না। এর উত্তরে বাইডেন দৃঢ় মুষ্টি দেখান- সাধারণত যা অটুট সমর্থনের দিকেই ইঙ্গিত করে। সূত্র: রয়টার্স

কলকাতায় বাংলাদেশির মৃত্যু বন্ধুর সঙ্গে হোটেলে উঠেছিলেন উপল

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৪, ০৯:৫৫ পিএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৪, ০৯:৫৫ পিএম
বন্ধুর সঙ্গে হোটেলে উঠেছিলেন উপল
দাউদ হোসেন উপল

কলকাতায় বাংলাদেশি যুবক দাউদ হোসেন উপলের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ। পুলিশ জানায়, কলকাতার নিউ মার্কেট থানা এলাকায় ওই যুবক তার এক বন্ধুর সঙ্গে হোটেলে উঠেছিলেন। তবে সেই বন্ধুর সম্পর্কে হোটেল কর্তৃপক্ষ বিশেষ কিছু জানাতে পারেনি।

গতকাল বুধবার (১০ জুলাই) কলকাতার ইএম বাইপাসসংলগ্ন একটি পুকুর থেকে উপলের লাশ উদ্ধার করা হয়। কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড বিভাগের গোয়েন্দাদের ধারণা এটি আত্মহত্যার ঘটনা। তবে উপলের গায়ে কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট আসার পরেই মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হবেন তদন্তকারীরা।

এ বিষয়ে কলকাতা পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেন, ‘লাশ উদ্ধারের এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি দেখা হচ্ছে হোটেল থেকে সংগ্রহ করা সিসিটিভি ক্যামেরার ছবি। ঢাকায় খোঁজখবর নিয়ে উপলের ব্যাকগ্রাউন্ড জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।’ 

এর আগে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম কলকাতায় চিকিৎসা করাতে এসে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান। পরে জানা যায়, তাকে খুন করে দেহের হাড়, মাংস আলাদা করে টুকরো টুকরো করেছে দুষ্কৃতকারীরা। ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের কলকাতায় এক বাংলাদেশি যুবকের লাশ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।