ব্যয়বিষয়ক বিল পাস করার মাধ্যমে সরকারি কার্যক্রম ব্যহত হওয়া থেকে কোনোক্রমে রক্ষা পেল যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস। বিলটি বর্তমানে সিনেট হাউজের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।
শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সিনেটের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার শেষ দিনে এসে বিল পাস করাতে সমর্থ হলো কংগ্রেস।
এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর ট্রাম্প প্রস্তাবিত বিল প্রত্যাখান হওয়ায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল দেশটির সরকারি কার্যক্রমের ভবিষ্যৎ।
প্রতিবছর ১ অক্টোবরের মধ্যে জাতীয় বাজেট প্রস্তাবের আগেই কংগ্রেসের ব্যয়বিষয়ক একটি বিল পাস করা বাধ্যতামূলক। কোনো কারণে এই বিল পাস করতে ব্যর্থ হলে হোয়াইট হাউসের সিনেটররা সরকারকে একটি সময় নির্ধারণ করে দেন।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। তবে ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যেও ব্যয়ের বিল পাস না হওয়ায় শনিবার (২১ ডিসেম্বর) থেকে সরকারের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল।
তবে শেষমুহুর্তে এসে হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের সদস্যরা বিলটিতে সম্মত হতে পেরেছেন।
এই বিলে ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ পর্যন্ত ব্যয়ের হিসাবে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য ১০০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
কৃষকদের কল্যাণ তহবিলের জন্য নির্ধারণ হয়েছে ১০ বিলিয়ন ডলার।
সিনেটের অনুমোদন পেলে প্রেসিডেন্ট বাইডেনও অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর করবেন বলে জানিয়েছেন।
এই বিলের পক্ষে হাউজ স্পিকার মাইক জনসন বলেন, ‘এটা খুব দরকার ছিল।’
৩৬৬-৩৪ ভোটের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিলটি পাস হয়। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবিলিকান-দুই দলের কংগ্রেস সদস্যরাই বিলটির প্রশাংসা করেছেন।
এ বিষয়ে হাউজের ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিস বলেন, ‘অনেক বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও দেশের প্রত্যেক নাগরিকের কল্যাণ নিশ্চিত করতে পেরেছি আমরা।’
এ পরিস্থিতিতে সিনেটের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন সবাই। তবে বেশিরিভাগ কংগ্রেস সদস্য বিলের পক্ষে থাকায় সিনেটে বিরোধীতা আসার সম্ভাবনা কম। সূত্র: রয়টার্স
নাইমুর/অমিয়/