সিরিয়ার নতুন প্রশাসনের নেতা আহমেদ আল-শারার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের আলোচনা ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে। এরই প্রেক্ষিতে শারাকে আটকের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত পুরস্কার বাতিল করা হয়েছে।
শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) আল-জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
এর আগে বাশার আল-আসাদের আমলে সিরিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী বিদ্রোহী দল হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) নেতা আহমেদ আল-শারাকে যেকোনো মূল্যে আটক করতে তার বিনিময়ে ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র।
দামেস্কে শারার সঙ্গে আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অব স্টেট বারবারা লিফ বলেন, ‘আলোচনায় ইতিবাচক অবস্থানে পৌঁছাতে পেরেছি। শারার বিরুদ্ধে পুরস্কারের ঘোষণা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।’
২০১৮ সালের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে স্বীকৃত এইচটিএস।
শারা অতীতে আল কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও সিরিয়ার ২৪ বছরের স্বৈরশাসনবিরোধী অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আলোচনায় শারার পক্ষ থেকে ‘ইতিবাচক প্রস্তাব’ এসেছে বলে জানান লিফ।
সিরিয়ার বর্তমান সঙ্কট মোকাবিলায় অন্তর্ভূক্তিমূলক সরকারের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করে লিফ জানান, নাগরিক অধিকার, নারী অধিকার ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সিরিয়ায় শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
সাংবাদিক অস্টিন টাইসসহ সিরিয়ায় গুম হওয়া মার্কিন নাগরিকদের বিষয়টিও উঠে আসে আলোচনায়।
ভুক্তভোগীদের অবস্থান খুঁজে বের করতে এইচটিএস সব রকম সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে আহমেদ আল-শারা।
এদিকে সিরিয়ার এখনো দুই হাজার মার্কিন সৈন্য অবস্থান করছে। অঞ্চলটিতে এখনো ইরাকপন্থি জঙ্গি সংগঠনের তৎপরতা রয়েছে জানিয়ে সেনা প্রত্যাহারে অনীহা প্রকাশ করেছে পেন্টাগন। সূত্র: আল-জাজিরা
নাইমুর/অমিয়/