ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
চলন্ত বাইকে ইটের আঘাতে আহত সেই যুবকের মৃত্যু অস্ট্রিয়াকে নিয়ে সতর্ক স্কালোনি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে : ইরান ইউরোপের কয়েকটি দেশে তীব্র দাবদাহের সতর্কতা জারি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারে ভারতীয় পণ্যসহ ট্রাক ও বাস জব্দ, গ্রেপ্তার ৮ ১০ মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ২২ জুন: কমেছে পাউন্ড ইউরোর দাম, বেড়েছে রিয়াল দেরহামের জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা অধ্যায়ের থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান বার্ষিক পরীক্ষার পরপরই নতুন বই পাবে ৪ কোটি শিক্ষার্থী : এনসিটিবি চেয়ারম্যান কুড়িগ্রামে তিস্তার পানি কমছে, বাড়ছে ধরলা ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমারের সিরাজগঞ্জে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার সংকট নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নিন কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আবেল্যার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা রোগী সেজে ইয়াবা পাচার, স্বামী-স্ত্রী আটক ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৩, আহত ৫ দুই দফা কমে ৪৪৩২ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন আনোয়ার ইব্রাহিম আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজধানীতে থাকবে ১৮০০০ পুলিশ মাদরাসা ছাত্রকে অমানুষিক নির্যাতন সাবেক এমপি সেলিমা আহমাদ মেরী মারা গেছেন টিভিতে আজকের খেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশের চালান জব্দ, আটক ১ জুন মাসে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫৩৭ লেবাননে যেকোনো হুমকি নির্মূলে স্বাধীন ইসরায়েলি সৈন্যরা: কাটজ পদত্যাগের মুখে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপিপুত্র সজীবকে যুবদল থেকে বহিষ্কার ভাঙ্গুড়ায় বিএনপি নেতার মারধর, ৪ ঘণ্টা পর কৃষকের মৃত্যু সেনেগালের কঠিন পরীক্ষা, নরওয়ের চোখ নক আউটে

ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে কেন এত বিতর্ক?

প্রকাশ: ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৩৭ পিএম
ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে কেন এত বিতর্ক?
ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান। ছবি: সংগৃহীত

ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাবনাকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন, সামরিক বিশ্লেষক মহল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

বিষয়টি এখন আর কেবল একটি যুদ্ধবিমান সংগ্রহের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি দেশের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা কৌশল, প্রযুক্তিগত স্বাধীনতা, রাজনৈতিক নির্ভরতা এবং বাস্তব যুদ্ধ–অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন করে মূল্যায়নের দাবি তুলেছে।

ইউরোপীয় চারটি দেশের যৌথ উদ্যোগে তৈরি চতুর্থ-প্লাস প্রজন্মের এই যুদ্ধবিমান উন্নত এভিওনিক্স, শক্তিশালী রাডার এবং বহুমুখী যুদ্ধক্ষমতার জন্য পরিচিত। তবে প্রতিরক্ষা অর্থনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, টাইফুন সংগ্রহের ক্ষেত্রে শুধু ক্রয়মূল্য নয়, বরং পরবর্তী ২৫ থেকে ৩০ বছরে রক্ষণাবেক্ষণ, অস্ত্র সংহতি, সফটওয়্যার আপডেট, প্রশিক্ষণ কাঠামো এবং স্পেয়ার পার্টস সরবরাহের জন্য বিপুল অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। 

এছাড়া, কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন,চারটি প্রস্তুতকারী দেশের ওপর একযোগে নির্ভরশীলতা যুদ্ধকালীন লজিস্টিক ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।

সামরিক মহলে সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে অপারেশনাল নিয়ন্ত্রণ ও প্রযুক্তিগত নির্ভরতার প্রশ্ন। আধুনিক যুদ্ধবিমানের কার্যকারিতা অনেকাংশেই নির্ভর করে ব্যাটেলফিল্ড ম্যাপিং, টার্গেটিং ডেটা, সফটওয়্যার অনুমোদন এবং নির্দিষ্ট অস্ত্র ব্যবহারের ছাড়পত্রের ওপর। পশ্চিমা প্ল্যাটফর্মের ক্ষেত্রে এসব বিষয়ে প্রস্তুতকারী দেশগুলোর রাজনৈতিক অবস্থান বড় ভূমিকা রাখে। সংকট বা সংঘাতের সময় এই সহায়তা সীমিত হলে ব্যয়বহুল যুদ্ধবিমান থাকা সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত সামরিক সুবিধা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা এই বাস্তবতাকে সামনে এনেছে। 

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংঘাতে দেখা গেছে, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অনুমোদন ও সফটওয়্যার সহায়তা না পাওয়ায় নিজেদের কেনা যুদ্ধবিমান তারা পুরো সক্ষমতায় ব্যবহার করতে পারেনি। একই ধরনের চিত্র এশিয়ার সাম্প্রতিক দুটি দেশের মধ্যে ঘটে যাওয়া বিমানঘটিত সামরিক উত্তেজনাতেও লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে প্রস্তুতকারী দেশের প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ যুদ্ধবিমানের কার্যকারিতাকে সীমিত করে তোলে।

ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধও আধুনিক আকাশযুদ্ধের কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরেছে। পশ্চিমা সহায়তায় সরবরাহ করা উন্নত সামরিক প্রযুক্তি থাকা সত্ত্বেও ইউরোপীয় প্ল্যাটফর্মগুলোর টিকে থাকা, দ্রুত রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিরবচ্ছিন্ন অপারেশনাল সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ প্রমাণ করেছে—প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ যতই থাকুক, বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে ব্যবহারের সক্ষমতা না থাকলে সেই প্রযুক্তি বড় ঝুঁকির মুখে পড়ে।
এই প্রেক্ষাপটে চীনা প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান নিয়ে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। 

সামরিক সূত্র ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা বলছেন, গত এক দশকে চীন যুদ্ধবিমান প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। আধুনিক রাডার, কার্যকর অস্ত্র সংহতি এবং নেটওয়ার্ক–ভিত্তিক যুদ্ধ সক্ষমতার পাশাপাশি চীনা প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো—তুলনামূলকভাবে বেশি অপারেশনাল স্বাধীনতা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, চীনা যুদ্ধবিমানে ব্যাটেলফিল্ড ম্যাপিং ও টার্গেটিং ডেটা ব্যবস্থাপনায় ব্যবহারকারী দেশের নিয়ন্ত্রণ বেশি থাকে। সফটওয়্যার আপডেট বা অস্ত্র ব্যবহারে রাজনৈতিক শর্ত আরোপের প্রবণতা পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় কম। ফলে সংকটকালে প্রযুক্তিগত সহায়তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম বলে মনে করেন অনেক সামরিক বিশ্লেষক।

এ ছাড়া চীনা যুদ্ধবিমানের ক্রয়মূল্য ও দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় প্রতিরক্ষা বাজেটের ওপর চাপও কম পড়ে। স্পেয়ার পার্টস সরবরাহ, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা তুলনামূলক সহজ হওয়ায় দ্রুত যুদ্ধপ্রস্তুতি বজায় রাখা সম্ভব হয় বলে মত সংশ্লিষ্ট মহলের।

একজন অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের মতো দেশের ক্ষেত্রে যুদ্ধের সম্ভাবনা মূলত আঞ্চলিক ও প্রতিবেশী দেশের সঙ্গেই বেশি। সে বাস্তবতায় এমন যুদ্ধবিমান প্রয়োজন, যা কোনো রাজনৈতিক সংকটে প্রস্তুতকারী দেশের সিদ্ধান্তের কারণে অকার্যকর হয়ে যাবে না। এই জায়গায় চীনা প্রযুক্তি বাস্তবসম্মত বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।”

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, আর্থিক ব্যয়, কূটনৈতিক প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ যুদ্ধপরিকল্পনা—সব দিক বিবেচনা করেই মূল্যায়ন প্রক্রিয়া চলছে।

তবে সামরিক ও কৌশলগত বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত কেবল একটি যুদ্ধবিমান কেনার নয়; এটি আগামী কয়েক দশকের আকাশ–নিরাপত্তা কৌশল নির্ধারণের বিষয়। টাইফুনের মতো উন্নত কিন্তু শর্তসাপেক্ষ প্ল্যাটফর্ম, নাকি তুলনামূলক কম খরচে স্বাধীনভাবে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া চীনা প্রযুক্তি—এই দ্বন্দ্বের মধ্যেই এখন দেশের প্রতিরক্ষা নীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অপেক্ষা করছে।

সুলতানা দিনা/

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে : ইরান

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে : ইরান
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি/ ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি।

সোমবার (২২ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় লিখেন, পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় লেবানন যুদ্ধ অবসানের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

আরাকচি আরও জানান, ‘আলোচনার ফলে ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদেশে আটকে থাকা তেহরানের বিপুল বাজেয়াপ্ত সম্পদের একাংশও ছাড় করা হয়েছে এবং ইরানের জন্য একটি বড় পুনর্গঠন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা চালু করা হয়েছে।’

আমান/

ইউরোপের কয়েকটি দেশে তীব্র দাবদাহের সতর্কতা জারি

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১২:২২ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
ইউরোপের কয়েকটি দেশে তীব্র দাবদাহের সতর্কতা জারি
ছবি: ইতালির রোমের পিয়াজ্জা ভেনেজিয়াতে অবস্থিত একটি পানির ফোয়ারায় এক ব্যক্তি নিজেকে শীতল করছেন। ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী তীব্র দাবদাহ বা হিটওয়েভ বয়ে যাওয়ার কারণে বেশ কয়েকটি দেশে তাপমাত্রাজনিত উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

স্পেনের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা রবিবার (২১ জুন) জানায়, গ্রীষ্মের প্রথম দাবদাহ ইবেরিয়ান উপদ্বীপ এবং বালেয়ারিক দ্বীপপুঞ্জে ছড়িয়ে পড়েছে, যা আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

গতকাল রবিবার স্পেনের অনেক অংশে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। 

আবহাওয়া সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে যে, দুপুরের দিকে ঘরের বাইরে কাজকর্ম করা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি এবং হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য। এছাড়া তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় দাবানলের ঝুঁকিও বাড়ছে।

এদিকে ফ্রান্সে কর্তৃপক্ষ রবিবার প্যারিস এবং আরও ৩৪টি বিভাগের জন্য সর্বোচ্চ স্তরের ‘রেড হিট অ্যালার্ট’ জারি করেছে।

দেশটির জাতীয় আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই সতর্কতা মূল ফ্রান্সের এক-তৃতীয়াংশের বেশি এলাকা জুড়ে কার্যকর রয়েছে এবং ২২ জুন কিছু কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঝুঁকিতে থাকা যাত্রীদের দাবদাহের পিক আওয়ারে ট্রেন ভ্রমণ এড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে।

ইতালির আবহাওয়ার তথ্যে দেখা গেছে, রবিবার অভ্যন্তরীণ অঞ্চলগুলোতে তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠেছে। এর আগে তীব্র গরমের কারণে ১৯ জুন দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তুরিন এবং ফ্লোরেন্সসহ পাঁচটি শহরের জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছিল। দাবদাহের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় ২১ জুনের মধ্যে মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ সতর্কতার আওতাধীন শহরের সংখ্যা বাড়িয়ে আটটিতে উন্নীত করে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, আগামী দিনগুলোতে দক্ষিণ ও পশ্চিম ইউরোপের একটি বড় অংশ জুড়ে এই অস্বাভাবিক গরম আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। সূত্র: সিজিটিএন

তামান্না রুপা/অমিয়/

১০ মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
১০ মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিরক্ষা শিল্প ও বিরল খনিজ উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ১০টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে চীন। সোমবার (২২ জুন) দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের আওতায় পড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওশকোশ ডিফেন্সও রয়েছে। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জন্য বিভিন্ন ধরনের সামরিক যানবাহন তৈরি করে।

এক বিবৃতিতে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ‘উল্লিখিত ১০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্য রপ্তানি করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্বের কোনো দেশ বা অঞ্চলের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান চীনে উৎপাদিত এমন দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্য এ সব প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর বা সরবরাহ করতে পারবে না।’

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ১০টি মার্কিন প্রতিষ্ঠান

ওশকোশ ডিফেন্স (Oshkosh Defense), অ্যাভিওক্স (Aveox, Inc.), রেড ক্যাট হোল্ডিংস (Red Cat Holdings, Inc.), টেল ড্রোনস (Teal Drones, Inc.), ইমসার (IMSAR), জাইয়া রোবোটিক্স (Jaia Robotics, Inc.), বল অ্যারোস্পেস অ্যান্ড টেকনোলজিস কর্পোরেশন (Ball Aerospace & Technologies Corp.), এল৩ হ্যারিস মেরিটাইম সার্ভিসেস (L3Harris Maritime Services, Inc.), এমপি মেটেরিয়ালস কর্পোরেশন (MP Materials Corp.), ইউএসএ রেয়ার আর্থ (USA Rare Earth, Inc.)

কার্যকর হবে যেসব নিষেধাজ্ঞা

চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এখন থেকে তালিকাভুক্ত এই ১০টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের কাছে কোনো প্রকার দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্য বা প্রযুক্তি রপ্তানি করা যাবে না।

একই সাথে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে বিশ্বের যেকোনো দেশ বা অঞ্চলের কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানও চীনে উৎপাদিত এই ধরণের দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য পণ্য উক্ত মার্কিন কোম্পানিগুলোর কাছে হস্তান্তর বা সরবরাহ করতে পারবে না। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলমান থাকা সমস্ত রপ্তানি কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিশেষ করে বিরল খনিজ এবং প্রতিরক্ষা খাতের মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে চীনের এই নিষেধাজ্ঞা মূলত ওয়াশিংটনের টেক-নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে বেইজিংয়ের একটি বড় ধরণের পাল্টা জবাব। এর ফলে দুই পরাশক্তির মধ্যকার চলমান প্রযুক্তি ও বাণিজ্য যুদ্ধ আরও তীব্র রূপ নিতে পারে।

চীনের এমন পদক্ষেপকে দুই দেশের চলমান বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আমান/

কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আবেল্যার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১১:১০ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১১:১৯ এএম
কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আবেল্যার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা
২১ জুন, ২০২৬: কলম্বিয়ার বারানকুইলায় নির্বাচনি ফলাফলের পর বুলেট-প্রুফ কাঁচের আড়াল থেকে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখছেন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী আবেল্যার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা। ছবি: এএফপি

লাতিন আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার রাজনীতিতে এক বিশাল পরিবর্তন এনে নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডানপন্থি নেতা আবেল্যার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা। বামপন্থি গুস্তাভো পেত্রোর স্থলাভিষিক্ত হয়ে তিনি দেশটির শাসনভার গ্রহণ করতে যাচ্ছেন।

পেশায় হাইপ্রোফাইল আইনজীবী এবং কট্টর ডানপন্থি রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত এসপ্রিয়েলা। রাজনীতিতে আসার আগে তিনি কলম্বিয়ার বড় বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হয়ে আইনি লড়াই করে ব্যাপক পরিচিতি পান। রাজনীতিতে তিনি মূলত সাবেক প্রেসিডেন্ট আলভারো উরিবের কট্টরপন্থি আদর্শের অনুসারী।

নির্বাচনি প্রচারণায় এসপ্রিয়েলা মূলত আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, দেশের ধসে পড়া অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করা এবং সমাজতান্ত্রিক নীতি থেকে কলম্বিয়াকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। 

পূর্ববর্তী বামপন্থি সরকারের আমলের অপরাধ হার এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতায় ক্ষুব্ধ কলম্বিয়ার সাধারণ ভোটাররা তার এই কট্টর ডানপন্থি ও ব্যবসাবান্ধব নীতিকে বেছে নিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেও এসপ্রিয়েলার সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ। দেশের অভ্যন্তরীণ অপরাধ চক্র ও মাদক চোরাকারবারীদের দমন করার পাশাপাশি, বিভক্ত কলম্বিয়ান সমাজকে এক সুতোয় গাঁথাই হবে তার প্রশাসনের প্রধান কাজ। 

বিশ্লেষকদের মতে, এসপ্রিয়েলার এই জয় লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে ডানপন্থিদের পুনরুত্থানের একটি বড় সংকেত। সূত্র: দ্য হিন্দু

আজহার/

ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৩, আহত ৫

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১১:০৩ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১১:১২ এএম
ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৩, আহত ৫
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলীয় লেয়তে প্রদেশের তাকলোবান শহরের একটি হাই স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (২২ জুন) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তাকলোবান শহরের সান জোসে ন্যাশনাল হাই স্কুলে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, হামলায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে দ্বিতীয় আরেকজন সন্দেহভাজন এখনো পলাতক।

আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্কুল প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কী কারণে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে তাকলোবান সিটি পুলিশ।

কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষকে এই ঘটনা নিয়ে কোনো ধরনের যাচাই না করা তথ্য বা গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে।

ফিলিপাইনে সাধারণত স্কুল শুটিংয়ের মতো ঘটনা বিরল। এর আগে ২০২২ সালের জুলাইয়ে দেশটির কুইজন সিটির আতেনিও ডি ম্যানিলা ইউনিভার্সিটির ল স্কুলের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এক বন্দুকধারীর হামলায় ল্যামিটান সিটির সাবেক মেয়র রোজ ফুরিগেসহ তিনজন নিহত হয়েছিলেন।সূত্র: রয়টার্স

তামান্না রুপা/অমিয়/