ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাংলাদেশে এসে ২০ বছরের তরুণীকে বিয়ে করলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব আমিরাতের নাগরিক তুমিও হারিয়ে যাও আমাজনের জঙ্গলে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৫টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র আমরা সব ইরানির জন্য খেলি: তারেমি কালীগঞ্জে আ.লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার ঘিরে মুখোমুখি বিএনপির দুই গ্রুপ ক্যারিয়ার গড়ুন সীমান্ত ব্যাংকে ত্রিশালে সরকারি বইসহ পিকআপ জব্দ, পলাতক মাদরাসা সুপার অবশেষে মায়ামিতে উরুগুয়ে দল খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার তৌহিদ আফ্রিদি ভারতের ভিসা আবেদনের অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা মহাখালী বাস টার্মিনাল সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত, আলোচনায় সায়েদাবাদ-ফুলবাড়িয়া ব্রাজিলে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মারা গেল গায়ক অ্যামচেমের নতুন সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, সহসভাপতি আলা উদ্দিন নওগাঁয় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উদযাপন সরকার ২ হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে: কৃষিমন্ত্রী মাদারীপুরে সংঘর্ষে আহত ১০, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২১৬৭ মামলা কিয়ামতের আদালতে সবচেয়ে ভয়ংকর সাক্ষী কে জানেন? ট্রাফিক মামলা নিষ্পত্তি করলেই ২৫ শতাংশ ছাড় বাজেটে ইতিবাচক উদ্যোগের পাশাপাশি উদ্বেগ জানিয়েছে রিহ্যাব জনবল নেবে ব্র্যাক ব্যাংক ম্যাচ শেষেই নির্বাসন, যুক্তরাষ্ট্রের কড়া বিধিনিষেধে ক্ষুব্ধ ইরানের কোচ ধর্ষণচেষ্টায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার, দল থেকে বহিষ্কার ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান নীল, সাদা রঙে রাঙা রংপুর, আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস তারপরও টুর্নামেন্ট উপভোগের বার্তা কুরাসাও কোচের প্রত্যন্ত অঞ্চলে উদ্ভাবনী সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে চান মোশাহিদ বিশ্বকাপের পুরো পারিশ্রমিকই পাচ্ছেন সোমালির রেফারি আরতান দেশে ফিরলেন ৫৬ হাজার ৮৬৮ হাজি, মারা গেছেন কতজন?
Nagad desktop

৮৮ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার জার্মানিতে উৎপাদন বন্ধ করতে যাচ্ছে ভক্সওয়াগন

প্রকাশ: ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:১৬ পিএম
৮৮ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার জার্মানিতে উৎপাদন বন্ধ করতে যাচ্ছে ভক্সওয়াগন

ইউরোপের সবচেয়ে বড় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভক্সওয়াগন জার্মানির ড্রেসডেন কারখানায় গাড়ি উৎপাদন বন্ধ করতে যাচ্ছে। আগামীকাল মঙ্গলবারের (১৬ ডিসেম্বর) পর সেখানে আর কোনো গাড়ি তৈরি হবে না। এর মধ্য দিয়ে ৮৮ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জার্মানিতে কোনো উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করল প্রতিষ্ঠানটি।

চীনে বিক্রি কমে যাওয়া, ইউরোপে চাহিদা দুর্বল থাকা এবং যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির চাপ—এই তিন কারণে ভক্সওয়াগনের নগদ প্রবাহ (ক্যাশ ফ্লো) চাপে পড়েছে। এরই অংশ হিসেবে ড্রেসডেন কারখানার উৎপাদন লাইন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভক্সওয়াগন আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ১৬০ বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করলেও কোন খাতে কত বিনিয়োগ হবে, তা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বেশ কিছুদিন ধরেই সংকটে রয়েছে। বিশেষ করে পেট্রোলচালিত গাড়ির ব্যবহার প্রত্যাশার চেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে চলবে—এমন ধারণা তৈরি হওয়ায় ওই খাতে নতুন করে বিনিয়োগের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। ভক্সওয়াগনের এই বিনিয়োগ বাজেট প্রতিবছর হালনাগাদ করা হয়, তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তা কমানো হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০২৩ থেকে ২০২৭ মেয়াদে বিনিয়োগ পরিকল্পনার পরিমাণ ছিল প্রায় ১৮০ বিলিয়ন ইউরো।

গত অক্টোবরে ভক্সওয়াগনের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা আরনো আন্টলিট্জ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ২০২৫ সালে কোম্পানিটির নিট ক্যাশ ফ্লো শূন্যের কাছাকাছি থাকার যে পূর্বাভাস ছিল, তা হয়তো সামান্য ইতিবাচক হতে পারে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এরপরও কোম্পানিটি চাপের মধ্যেই থাকবে।

ছবি: সংগৃহীত

বার্নস্টাইনের বিশ্লেষক স্টিফেন রাইটম্যান বলেন, “২০২৬ সালে ক্যাশ ফ্লোর ওপর চাপ স্পষ্টভাবেই থাকবে।” তার মতে, খরচ কমানো এবং পরিচালন মুনাফা বাড়ানোর নানা পথ খুঁজছে ভক্সওয়াগন।

রাইটম্যান আরও বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর ইঞ্জিনের আয়ুষ্কাল দীর্ঘায়িত হওয়ায় নতুন প্রজন্মের পেট্রোল প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে হচ্ছে, যা কোম্পানির জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। “নতুন ধরনের গ্যাসোলিন প্রযুক্তির দিকে তাকাতে হচ্ছে,” বলেন তিনি।

ইউনিয়ন ইনভেস্টমেন্টের পোর্টফোলিও ম্যানেজার মরিট্জ ক্রোনেনবার্গার বলেন, ভক্সওয়াগনের বিনিয়োগ পরিকল্পনা থেকে কিছু প্রকল্প বাদ দিতেই হবে। তার ভাষায়, “নির্ধারিত বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে অন্য অনেক ধারণা ও প্রকল্প পরিকল্পনা থেকে সরিয়ে নিতে হবে।”

২০০২ সালে উৎপাদন শুরু হওয়ার পর থেকে ড্রেসডেন কারখানায় মোট ২ লাখেরও কম গাড়ি তৈরি হয়েছে। যা ভক্সওয়াগনের প্রধান কারখানা ভলফসবুর্গে এক বছরের উৎপাদনের অর্ধেকেরও কম।

এই সিদ্ধান্ত জার্মানিতে ভক্সওয়াগনের উৎপাদন সক্ষমতা কমানোর পরিকল্পনায় একটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। গত বছর শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে হওয়া এক চুক্তির অংশ হিসেবেই এসব পরিবর্তন আসছে, যার ফলে জার্মানিতে ভক্সওয়াগন ব্র্যান্ডের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজার কর্মসংস্থান কমে যাবে।

ভক্সওয়াগনের ব্র্যান্ডপ্রধান থমাস শ্যাফার চলতি মাসে বলেন, ড্রেসডেন কারখানায় উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত “হালকাভাবে নেওয়া হয়নি।” তবে তার মতে, “অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি ছিল অপরিহার্য।”

ড্রেসডেন কারখানাটি একসময় ভক্সওয়াগনের প্রকৌশল সক্ষমতার প্রদর্শনী কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হতো। এখানে প্রথমে উচ্চমূল্যের ভক্সওয়াগন ফাইটন মডেলের গাড়ি সংযোজন করা হতো। ২০১৬ সালে ফাইটন উৎপাদন বন্ধ হওয়ার পর কারখানাটি ভক্সওয়াগনের বৈদ্যুতিক গাড়ি উদ্যোগের প্রতীক হয়ে ওঠে। সর্বশেষ এখানে ব্যাটারিচালিত আইডি.৩ মডেলের গাড়ি তৈরি হচ্ছিল।

উৎপাদন বন্ধ হলেও ড্রেসডেন কারখানাটি পুরোপুরি পরিত্যক্ত হচ্ছে না। এটি ড্রেসডেন টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিকে ভাড়া দেওয়া হবে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবোটিক্স ও চিপ প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য একটি গবেষণা ক্যাম্পাস গড়ে তোলা হবে।

এই প্রকল্পে আগামী সাত বছরে ভক্সওয়াগন ও বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে ৫০ মিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগের অঙ্গীকার করেছে। একই সঙ্গে ভক্সওয়াগন জানিয়েছে, গ্রাহকদের কাছে গাড়ি হস্তান্তর এবং পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে ভবনটি ভবিষ্যতেও ব্যবহার করা হবে। সূত্র: ফিনান্সিয়ার টাইমস

মাহফুজ/

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানালেন ইসিবি প্রেসিডেন্ট

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০১:০৮ পিএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০১:৫৪ পিএম
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানালেন ইসিবি প্রেসিডেন্ট
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংকের (ইসিবি) প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দে।

সোমবার (১৫ জুন) লাগার্দে বলেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি একটি সুসংবাদ, বিশেষ করে এর ফলে হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার পথ তৈরি হতে পারে।

ফ্রান্স কালচার রেডিওকে লাগার্দে বলেন, আগামী দিনগুলোর ঘটনাপ্রবাহ এবং একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে যদি এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত হয়, তবে এটি একটি অত্যন্ত ভালো খবর। আমরা কেবল একে স্বাগতই জানাতে পারি।

তবে সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, গল্পটি কিন্তু এখানেই শেষ হয়ে যায়নি। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের পুরো বিষয়টি নিয়ে এখনো বিতর্ক, পারস্পরিক সমঝোতা এবং একটি চূড়ান্ত চুক্তির মাধ্যমে তার সমাপ্তি টানা বাকি রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা যুদ্ধ শেষ করতে এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছেন।

এই প্রাথমিক চুক্তির খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করলেও, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ কী হবে- তা পরবর্তী আলোচনার ওপরই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সূত্র: রয়টার্স

তামান্না রুপা/অমিয়/

ইউক্রেনে ভয়াবহ বিমান হামলা রাশিয়ার, নিহত ৯

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০১:০৭ পিএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
ইউক্রেনে ভয়াবহ বিমান হামলা রাশিয়ার, নিহত ৯
ইউক্রেনের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক মঠ (মনাস্ট্রি)। ছবি: ছবি সংগৃহীত

ইউক্রেনজুড়ে আবারও বড় ধরনের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়। এতে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলায় ইউক্রেনের একটি অতি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক মঠে (মনাস্ট্রি) আগুন লেগে গেছে।

কিয়েভের স্থানীয় প্রশাসন জানায়, রবিবার (১৪ জুন) রাতে রাজধানী লক্ষ্য করে ধেয়ে আসা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্রিয় ছিল ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী। তবে ভূপাতিত ড্রোনের জ্বলন্ত ধ্বংসাবশেষ কিয়েভের বেশ কয়েকটি বহুতল আবাসিক ভবন, বাড়িঘর ও গাড়ির ওপর পড়ে। এতে চারজন নিহত এবং ৩০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার বাসিন্দা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন।

সবচেয়ে বড় আঘাত লেগেছে ইউক্রেনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে। ইউক্রেনের আধ্যাত্মিকতার প্রতীক এবং ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ‘কিয়েভ পেচেরস্ক লাভরা’ মঠে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় সেখানে আগুন ধরে যায়।

অন্যদিকে, ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে রাশিয়ার আরেকটি হামলায় ৫ জন নিহত এবং অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে এই চরম উত্তেজনার মাঝে প্রতিবেশি দেশ এবং ন্যাটো সদস্য পোল্যান্ড সতর্কতা হিসেবে সাময়িকভাবে তাদের যুদ্ধবিমান উড়িয়েছিল।

পাল্টা জবাবে ইউক্রেনও রাশিয়ার ভেতরে এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় হামলা চালায়। রাশিয়ার দাবি, মস্কোর দক্ষিণে তুলা অঞ্চলে ইউক্রেনীয় হামলায় ৩ জন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া রাশিয়া থেকে ক্রিমিয়া উপদ্বীপে যাওয়ার প্রধান প্রধান রুশ সরবরাহ রুটেও নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। সূত্র: রয়টার্স

আজহার/অমিয়/

ব্রাজিলে দুই হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৬

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
ব্রাজিলে দুই হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৬
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে মাঝআকাশে দুটি হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় ক্রু ও আরোহীসহ মোট ছয়জন নিহত হয়েছেন।

রবিবার (১৪ জুন) স্থানীয় সময় সকালে শহরের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহরতলী 'রেক্রেইও দোস বান্দেইরান্তেস'-এ এই দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, হেলিকপ্টার দুটি সংঘর্ষের পর একটি বৈদ্যুতিক গাড়ির ডিলারশিপের পার্কিং লটে আছড়ে পড়ে। এর ফলে সেখানে থাকা প্রায় ২০টি গাড়িতে আগুন ধরে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের মুখপাত্র ফাবিও কন্ট্রিরাস জানান, বৈদ্যুতিক গাড়ির লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি থেকে নির্গত বিষাক্ত গ্যাসের কারণে আগুন নেভানো বেশ কঠিন ছিল।

তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যাটারিতে আগুন লাগলে তা অত্যন্ত বিষাক্ত গ্যাস ছড়ায় এবং আগুনের তাপমাত্রা ও তীব্রতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। সাধারণ একটি গাড়ির আগুন নেভাতে যে পরিমাণ পানি লাগে, একটি বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্ষেত্রে তার চেয়ে তিন থেকে চার গুণ বেশি পানির প্রয়োজন হয়।

তিনি আরও যোগ করেন, দুর্ঘটনাস্থলের আশেপাশের এলাকাটি বেশ ঘনবসতিপূর্ণ ছিল। হেলিকপ্টার দুটি যদি ওই খোলা পার্কিং লটে না পড়ে লোকালয়ে পড়তো, তবে মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারতো।

উদ্ধারকর্মীরা বৈদ্যুতিক গাড়িগুলোর মাঝে আগুনে পুড়তে থাকা একটি হেলিকপ্টার থেকে ৫টি মরদেহ উদ্ধার করেন। আর প্রায় ১০০ মিটার দূরে বিধ্বস্ত হওয়া অন্য হেলিকপ্টারটিতে কেবল পাইলট ছিলেন, তিনিও নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর হেলিকপ্টার দুটির ধ্বংসাবশেষ কয়েক শ মিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়ার আগে ঘটনার বিভিন্ন রেকর্ডিং খতিয়ে দেখা হবে।

ব্রাজিলে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা বেশ সাধারণ ঘটনা।

অ্যারোনটিক্যাল এক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড প্রিভেনশন সেন্টারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রবিবারের এই দুর্ঘটনার আগে ২০২৬ সালে দেশটিতে ইতোমধ্যে ৮৪টি বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। সূত্র: আল জাজিরা

তামান্না রুপা/অমিয়/

কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিবিসি

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১২:১১ পিএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিবিসি
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের আকার ছোট করার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আগামী সপ্তাহে মূল সংবাদ বিভাগ থেকে শত শত কর্মী ছাঁটাই করতে যাচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে সোমবার (১৫ জুন) ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শত শত মিলিয়ন পাউন্ড সাশ্রয়ের একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবিসির সব বিভাগকে তাদের খরচের প্রায় ১০ শতাংশ (এক-দশমাংশ) কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই সামগ্রিক পরিকল্পনার ফলে প্রতিষ্ঠানটি থেকে দুই হাজার কর্মী চাকরি হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আর এই প্রক্রিয়ায় বিবিসির সংবাদ বিভাগই আগামী সপ্তাহে সবার আগে তাদের ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা প্রকাশ করতে যাচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স

তামান্না রুপা/অমিয়/

ট্রাম্পের ইরান চুক্তি ২০১৫ সালের চুক্তির চেয়ে ভালো হবে না: ওবামা

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
ট্রাম্পের ইরান চুক্তি ২০১৫ সালের চুক্তির চেয়ে ভালো হবে না: ওবামা
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তেহরানের মধ্যকার সম্ভাব্য চুক্তি ১১ বছর আগে ওবামার শাসনামলে করা পরমাণু চুক্তির তুলনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি থাকবে এমন আশা করা বাস্তবসম্মত নয়। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এ মন্তব্য করেছেন।

রবিবার (১৪ জুন) এবিসি নিউজের আলোচনা অনুষ্ঠান ‘দিস উইক’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, সরাসরি যুদ্ধ এড়াতে ওয়াশিংটনের সব শর্ত পূরণ না হলে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানোই ভালো।

ওবামা বলেন, ‘যে চুক্তিই হোক, সেটিতে আমাদের আগের চুক্তির থেকে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন থাকবে বা আলাদা হবে-এমন সম্ভাবনা খুবই কম।’  তিনি ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সেটি প্রত্যাহারের আগে দীর্ঘসময় ধরে আমাদের চুক্তি কার্যকর ছিল।’

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী ইরানের ওপর হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সূচনা হয়। তারপর থেকে কয়েক মাস ধরেই ট্রাম্প সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির কথা বলে আসছেন। তবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নেতারা এখনও তাতে সম্মতি দেননি।

ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, এই চুক্তি হলে ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা চিরতরে বন্ধ হবে। একই সঙ্গে অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি তাৎক্ষণিকভাবে খুলে দেওয়া হবে।

ওবামা বলেন, নতুন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নিয়ে চলমান টানাপোড়েন আবারও প্রমাণ করেছে, কেবল চাপ সৃষ্টি বা বোমা হামলা চালিয়ে সমাধান খোঁজা যায় না। এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক কূটনৈতিক উদ্যোগ। তিনি বলেন, ‘এতদিনে আমাদের সেই শিক্ষা নেওয়ার কথা ছিল।’

আমান/