ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অ্যান্টি-করোসিভ প্রেম কবর থেকে তোলা হচ্ছে না সালমান শাহর মরদেহ মেহেরপুরে জেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ফুটবল বিশেষজ্ঞ বউ ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানীর পদ বাতিল ঢাবির রোকেয়া হলে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে মালির মৃত্যু আক্রমণের ধারা নষ্ট করতে চান না টুখেল উখিয়ায় ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদককারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে কেক কেটে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ‘সোমেশ্বরী’র পরিচালক নওশাবা মৌলভীবাজারে মধ্যরাতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস জামালপুরে লাগেজে মিলল যুবকের মরদেহ পাঠকের গল্প : একটি খালি বেডের গল্প ‘আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধ হবে কি না, সিদ্ধান্ত নেবে আদালত’ মমেকে হামের উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ২৪ জাবিতে নীতিনির্ধারণী তিন পর্ষদে ২৮ শূন্যপদ, সংকটে স্বায়ত্তশাসন জ্বালানি তেলের ভবিষ্যৎ কি চীনের হাতে? দেশে অস্থিতিশীলতা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করছে : রিজভী মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে ৪৩১ পদে বড় নিয়োগ হিলিতে বিএনপির মোটরসাইকেল শোডাউন ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিকে রাশিয়ার পারমাণবিক বোমারু বিমানের টহল জাতীয়ভিত্তিক গ্রন্থপাঠ প্রতিযোগিতায় সেরা হলো বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার লোহাগাড়ায় দুই বাসের সংঘর্ষে কলেজছাত্রী নিহত জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা অধ্যায় থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান সাতকানিয়ায় যুবলীগ নেতা হাসান মাহমুদ গ্রেপ্তার বেনাপোলে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ হ্যারি কেইনের ফর্মকে প্রশংসায় ভাসালেন ডেক্লান রাইস নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চোখে পড়া জাতির জন্য ব্যর্থতা: রেলপথমন্ত্রী ইবির কর্মচারীদের নিয়োগ যাচাইয়ে তদন্ত কমিটি, আতঙ্কে নিয়োগপ্রাপ্তরা বহুমাত্রিক সম্পর্কোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে

ট্রাম্পের হস্তক্ষেপেই ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়?

প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০২ এএম
ট্রাম্পের হস্তক্ষেপেই ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়?
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

দ্য জেরুজালেম পোস্টসহ ইসরায়েলের একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং যুক্তরাষ্ট্রের কট্টরপন্থী এক রিপাবলিকান সিনেটরের বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করার পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী হস্তক্ষেপের তালিকায় ছিল ইরান। 

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদন এই তথ্য জানা গেছে।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানজুড়ে চলা বিক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্র ‘কিছু হস্তক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, ইসরায়েল বিশ্বাস করে, কিছুদিন আগে মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের অপহরণ করার ঘটনাটি সম্ভবত এটিই নির্দেশ করে যে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের ঝুঁকির মাত্রা এখন নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এছাড়া, রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ফক্স নিউজে ‘মেক ইরান গ্রেট এগেইন’ লেখা বেসবল হ্যাট পরে উপস্থিত হওয়ার পর এই প্রতিবেদনটি সামনে আসে। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি প্রার্থনা ও আশা করি ২০২৬ সাল হবে সেই বছর, যখন আমরা ইরানকে আবার মহান করে তুলব।’

দক্ষিণ আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের ঠিক আগে,চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘ইরানে বিক্ষোভ চলাকালীন সরকার যদি কঠোর দমন-পীড়ন চালিয়ে যায়, তবে ইরানিদের ‘উদ্ধার’ করতে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারে।’

ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘ইরান যদি তাদের চিরচেনা প্রথা অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসবে। আমরা অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত এবং প্রস্তুত। এই বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ!’

ট্রাম্পের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইসরায়েলের কট্টর সমর্থক মাইক পম্পেও গত সপ্তাহে মাদুরোর পতন এবং ইরানের মধ্যে তুলনা টেনেছেন। 
মাইক পম্পে এক্সে লিখেছেন, ‘মাদুরো যখন নিউইয়র্কের পথে, ভেনিজুয়েলার জনগণের এখন স্বাধীনতার এক বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ এখন এমন এক ব্যক্তির বিচার করতে পারবে যে আমাদের মারার জন্য মাদক পাচার করত। আমি প্রার্থনা করি ইরানি নেতারা—যারা মাদুরোকে সমর্থন দিয়ে আসছিল—তারাও যেন শীঘ্রই মহান ইরানি জনগণের ক্ষতি করতে অক্ষম হয়ে পড়ে।’

ভেনিজুয়েলায় বলপ্রয়োগের ক্ষেত্রে ট্রাম্পের এই মানসিকতা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের আতঙ্কিত করেছে। এই মার্কিন নেতা কিউবা, কলম্বিয়া এবং মেক্সিকো তার পরবর্তী তালিকায় থাকতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।

আরেকদিকে, ইসারায়েলের প্রাধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ’ইসরায়েল সরকার, ইসরায়েল রাষ্ট্র এবং আমার নিজস্ব নীতি—আমরা ইরানি জনগণের সংগ্রাম এবং তাদের মুক্তি, স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি। এটি বেশ সম্ভব যে আমরা এমন এক মুহূর্তের সামনে দাঁড়িয়ে আছি যখন ইরানি জনগণ তাদের ভাগ্য নিজেদের হাতে তুলে নিচ্ছেন।’

সুলতানা দিনা/

ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিকে রাশিয়ার পারমাণবিক বোমারু বিমানের টহল

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিকে রাশিয়ার পারমাণবিক বোমারু বিমানের টহল
রাশিয়ার তুপোলেভ তু-১৬০ (Tu-160) বোমারু বিমান। ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিক অঞ্চলে বিশেষ টহল দিয়েছে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম যুদ্ধবিমান।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের ‘তুপোলেভ তু-১৬০’ (Tu-160) স্ট্র্যাটেজিক বোমারু বিমানগুলো বেরেন্টস এবং নরওয়েজিয়ান সাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমার ওপর দিয়ে এই উড্ডয়ন সম্পন্ন করে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ ঘণ্টার এই দীর্ঘ মিশনে বোমারু বিমানগুলোর সুরক্ষায় সঙ্গে ছিল ‘মিগ-৩১’ ফাইটার জেট। নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং গ্রিনল্যান্ডের মধ্যবর্তী আর্কটিক অঞ্চলে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। মাঝ-আকাশেই জ্বালানি ভরার বিশেষ মহড়াও  সম্পন্ন করেছে বিমানগুলো। তবে দীর্ঘ এই যাত্রাপথের কিছু অংশে বিদেশি যুদ্ধবিমান রুশ বহরটিকে অনুসরণ বা ছায়ার মতো তাড়া করেছিল বলে রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, 'রাশিয়ান অ্যারোস্পেস ফোর্সের সমস্ত ফ্লাইট আন্তর্জাতিক আকাশসীমা ব্যবহারের নিয়ম কঠোরভাবে মেনে পরিচালনা করা হয়েছে।'

বিশ্বজুড়ে চলমান উত্তেজনা এবং নতুন ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে গত মাসেই রাশিয়া ও বেলারুশ তাদের প্রথম যৌথ পারমাণবিক মহড়া সম্পন্ন করে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থেই এই পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা সচল রাখা হয়েছে। তবে চলতি মাসে সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি স্পষ্ট করেন যে, রাশিয়ার ওপর আগে হামলা না হলে তারা ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশে আক্রমণ করবেন না।

এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ একটি নিবন্ধে সতর্ক করে লিখেছেন, ইউক্রেনকে ন্যাটোর সামরিক সহায়তা প্রদান এবং ইউরোপের ক্রমাগত সামরিকীকরণ পরিস্থিতিকে আরও বড় যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ন্যাটোর সঙ্গে রাশিয়ার সরাসরি সংঘাত শুরু হলে তা দ্রুত পারমাণবিক যুদ্ধের রূপ নিতে পারে, যার ফলাফল হবে পুরো পৃথিবীর জন্য মারাত্মক বিপর্যয়কর। সূত্র: আরটি

আজহার/

ভারতের লখনউয়ে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:৩৪ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:৪৪ এএম
ভারতের লখনউয়ে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনউয়ের আলিগঞ্জ এলাকায় তিনতলা একটি বাণিজ্যিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছেে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন। 

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের অধিকাংশই একটি গ্রাফিক্স অ্যানিমেশন সেন্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনতলা ওই ভবনটিতে একটি গ্রাফিক্স অ্যানিমেশন সেন্টার, পোষা প্রাণীর দোকান এবং একটি লাইব্রেরি ছিল। আগুন লাগার সময় ভবনটির দ্বিতীয় তলায় অ্যানিমেশন সেন্টারের ক্লাস চলছিল। হঠাৎ আগুন লেগে চারদিক ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে গেলে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে অনেক শিক্ষার্থী ভেতরেই আটকে পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন থেকে বাঁচতে অন্তত আটজন শিক্ষার্থী ভবন থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েন। এছাড়া নিচতলায় থাকা পোষা প্রাণীর দোকানে আগুনে পুড়ে চারটি প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে।

রাজ্যের নগর উন্নয়ন ও জ্বালানিমন্ত্রী এ কে শর্মা জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে- ভবনের এসি ডাক্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পর্যাপ্ত জরুরি নির্গমন পথ না থাকায় ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে। ভবনের নিরাপত্তা মান লঙ্ঘনের বিষয়টি তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানান।

ঘটনার পরপরই দমকল বাহিনীর ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। স্থানীয় বাসিন্দারাও দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাতে সহায়তা করেন।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অবহেলার অভিযোগে ভবনের তিন মালিক- রাম কৃষ্ণ উপাধ্যায়, বিরেন্দ্র প্রসাদ শুক্লা এবং তুষার কৃষ্ণ জয়সওয়ালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

দায়িত্ব অবহেলার দায়ে চার সরকারি কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার আসল কারণ উদঘাটনে রাজ্য সরকার দুই সদস্যের একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছে, যাদের আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আলিগড়ে নির্ধারিত সফর সংক্ষিপ্ত করে লখনউয়ে ফিরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক মাধ্যম এক্সে শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

তিনি ঘোষণা দেন, প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রতিটি পরিবারকে দুই লাখ রুপি এবং আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক জানান, উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ১৩টি শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। সূত্র: দ্য হিন্দু

খাদিজা রুমি/অমিয়/

কাতারে কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নিহত ১৩, আহত ৬৬

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:১৮ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:২৬ এএম
কাতারে কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নিহত ১৩, আহত ৬৬
প্ল্যানেট ল্যাবস পিবিসি-এর এই কৃত্রিম উপগ্রহের ছবিতে ২০২৬ সালের ৬ মার্চের কাতারের রাস লাফান শিল্প এলাকা দেখা যাচ্ছে

কাতারের রাস লাফান শিল্পনগরীর একটি গ্যাস কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত  এবং ৬৬ জন কর্মী আহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে ১২ জনই ভারতীয় নাগরিক এবং বাকি একজন পাকিস্তানি নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে কাতার কর্তৃপক্ষ ও দোহায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।

রবিবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় কাতার এনার্জির 'বারজান লোকাল গ্যাস সাপ্লাই' কারখানায় কাজ শুরু করার সময় একটি কারিগরি ত্রুটির কারণে এই বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কারখানা থেকে কোনো ক্ষতিকারক গ্যাস লিক হয়নি এবং পরিবেশ বা জনসাধারণের কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং বর্তমানে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।

এদিকে ভারতীয় দূতাবাস এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সব ধরনের জরুরি সহায়তা দিতে দূতাবাস কাতার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে কাতার প্রশাসন ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। সুত্র: দা হিন্দু

তামান্না রুপা/

ইরানের তেল নিষেধাজ্ঞা আংশিক তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:১৭ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:৩৩ এএম
ইরানের তেল নিষেধাজ্ঞা আংশিক তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

সংঘাত নিরসনে আলোচনার পর ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা আংশিকভাবে তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবার (২২ জুন) ৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মওকুফের একটি আদেশ জারি করেছে মার্কিন ট্রেজারি, যা যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের তেল উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রির পথ প্রশস্ত করেছে। 

এ মওকুফটি ছিল ১৭ জুন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৬০ দিনের সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) একটি শর্ত।

মার্কিন ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে এবং এমওইউ-এর বেশ কয়েকটি শর্ত বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেন, ‌‌‘ইরান হরমুজ প্রণালীতে অবাধ ও উন্মুক্ত ট্রানজিট এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকদের তাদের দেশে প্রবেশের অনুমতি দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। এই কাঠামোর অংশ হিসেবে, ট্রেজারি একটি অস্থায়ী ৬০ দিনের সাধারণ লাইসেন্স জারি করেছে, যা ইরানি তেলের উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রয়ের অনুমোদন দেয়।’

এই লাইসেন্সটি ২১ আগস্ট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এবং এর আওতায় উৎপাদিত অপরিশোধিত তেল, পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য বা পেট্রোলিয়াম পণ্য অন্তর্ভুক্ত। এটি যুক্তরাষ্ট্রে ইরানি তেল আমদানির অনুমতি দেয়, কিন্তু মার্কিন নিষেধাজ্ঞার অধীনে থাকা উত্তর কোরিয়া বা কিউবা, অথবা রাশিয়া-অধিকৃত ইউক্রেনের সঙ্গে লেনদেনের অনুমোদন দেয় না।

তবে এ ছাড়ের খবরের পর তেলের দামের সাম্প্রতিক পতন অব্যাহত রয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেল প্রতি ৭৭ দশমি ৭ ডলারে নেমে আসে।

থিওটোনিয়াস/অমিয়/

তৃণমূলের শীর্ষ পদ থেকে মমতাকে বাদ

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:০৭ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:১৭ এএম
তৃণমূলের শীর্ষ পদ থেকে মমতাকে বাদ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসে বড় ধরনের রাজনৈতিক অভ্যুত্থান ঘটেছে। দলটির প্রতিষ্ঠাতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের শীর্ষ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নিয়ন্ত্রণ এখন বিদ্রোহীদের হাতে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবির তৃণমূলের একটি নতুন কমিটি গঠন করেছে। নতুন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়ের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

সোমবার (২২ জুন) বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন শেষ হওয়ার পর এই নাটকীয় ঘটনা ঘটে। 

অধিবেশন শেষে তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়করা কলকাতার নিউ টাউনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে বৈঠকে বসেন। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তৃণমূলের ৬০ জন বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া কলকাতার প্রায় ৭০ জন সাবেক কাউন্সিলর এই বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠক থেকেই তৃণমূলের নতুন ৩০ সদস্যের কমিটি গঠনের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

বিদ্রোহী নেতারা দলের এই সিদ্ধান্তের পেছনে তৃণমূলের দলীয় সংবিধানের ২০ নম্বর ধারার উল্লেখ করেছেন। এই নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ৩ বছর পর জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির (কর্মসমিতি) বৈঠক ডাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু ২০২২ সালের পর থেকে তৃণমূলের কোনো জাতীয় কমিটির বৈঠক হয়নি। এই নিয়মতান্ত্রিক ব্যর্থতার কারণ দেখিয়ে আগের জাতীয় কমিটি ভেঙে দেওয়ার প্রস্তাব আনা হয় এবং তা পাস করা হয়। এরপর ঋতব্রতদের নেতৃত্বাধীন ‘তৃণমূল’ নতুন জাতীয় কমিটি গঠন করে। এই কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়। 

নতুন কমিটির সহসভাপতি করা হয়েছে রাজ্যের সাবেক মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে। এ ছাড়া তৃণমূলের আরও দুই বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম ও রথীন ঘোষকেও সহসভাপতি করা হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক পদে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও রয়েছেন জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা ও সাবিনা ইয়াসমিন। নতুন কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আখরুজ্জামানকে। 

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো,  সোমবার বিদ্রোহীদের এই বৈঠকের ব্যানারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো ছবি ছিল না। সেখানে শুধু মহাত্মা গান্ধী, বি আর আম্বেদকর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের ছবি রাখা হয়েছিল।

বিধানসভা নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর থেকেই মূলত তৃণমূলের ভেতরে অসন্তোষ ও বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়। সেই ক্ষোভ ধীরে ধীরে বড় আকারের কোন্দলে রূপ নেয়। একে একে দলের বিধায়করা প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করতে শুরু করেন। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, আনন্দবাজার পত্রিকা